মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩৯
নামাযের অধ্যায়
(৮) পরিচ্ছেদ মাগরিবের নামায দ্রুত আদায় এবং মাগরিবকে ইশা নামকরণের আপত্তি
(১৩৯) সায়িব ইবন্ ইয়াযিদ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, আমার উপজের উপর কল্যাণ অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তারকারাজি উদিত হবার পূর্বে মাগরিবের নামায আদায় করবে।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তবারানী 'কাবীর' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তবারানী 'কাবীর' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما جاء في تعجيلها وكراهة تسميتها بالعشاء
(139) عن السَّائب بن يزيد رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تزال أمَّتي على الفطرة ما صلَّوا المغرب قبل طلوع النُّجوم.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
রাসূলুল্লাহ ﷺ মাগরিবের সালাত সাধারণত প্রথম ওয়াক্তে আদায় করতেন। এ হাদীস দ্বারা একথাই জানা যায়। উযর ব্যতীত তারকারাজি সমগ্র আকাশে দৃষ্টিগোচর হওয়া অবধি বিলম্বে মাগরিবের সালাত আদায় করা অপসন্দনীয় কাজ ও মাকরূহ। তবে 'শাফাক' অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত এই সালাতের সময় অবশিষ্ট থাকে যেমন অন্য হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে। কখনো যদি কোন দীনি কাজের চাপে মাগরিবের সালাত আদায় বিলম্ব হয় তখনই কেবল এহেন বিলম্বের অবকাশ থাকতে পারে। সহীহ বুখারীতে হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে শাফীক (রা) থেকে বর্ণিত যে, একবার হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস (রা) আসরের সালাতের পর ওয়ায নসীহত শুরু করেন এমনকি সূর্য ডুবে সারা আকাশ জুড়ে তারকারাজি দীপ্তিমান হয়ে ওঠে আর তিনি তার ওয়ায অব্যাহত রাখেন। উপস্থিত জনতার কেউ কেউ আস্সালাত আস্সালাত বলতে থাকেন। এতদশ্রবণে তিনি ভীষণভাবে ধমক দেন এবং বলেন, এহেন পরিস্থিতিতে রাসূলুল্লাহ ﷺ ও মাগরিবের সালাত বিলম্বে আদায় করতেন। তাই এমন অবস্থায় দেরী করা যায়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)