মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৯৬
নামাযের অধ্যায়
(১) পরিচ্ছেদঃ নামাযের সকল ওয়াক্ত প্রসঙ্গে
(৯৬) আবুল মিনহাল (সাইয়্যার ইবন্ সালামা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার বাবার সাথে আবূ বারযা আল আস্লামীর (রা)-এর কাছে গিয়েছিলাম। তখন আমার বাবা তাঁকে বললেন, মহানবী (ﷺ) ফরয নামাযগুলো কিভাবে পড়তেন সে ব্যাপারে আমাদের বলুন। তিনি বলেন জোহরের নামায -যাকে তোমরা প্রথম নামায বল- পড়তেন সূর্য যখন (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়ত। আর আসরের নামায পড়তেন এমন সময় যে, আমাদের কেউ নামাযান্তে তার মদীনার প্রান্তরে আবাসস্থানে ফিরে আসত সূর্য তখনও জাগ্রত। তিনি বলেন, মাগরিব সম্বন্ধে কি বলেছিলেন তা আমি ভুলে গেছি। আর তিনি ইশার নামায বিলম্বে পড়তে ভালবাসেন। তার আগে ঘুমিয়ে পড়া অপছন্দ করতেন। আর নামায শেষে গল্প গুজব করাও অপছন্দ করতেন। আর সকালের নামায শেষ করতেন এমন সময় যখন আমাদের একজন তার পাশের সাথীকে চিনতে পারত। তিনি তাতে (ফজরের নামাযে) যাট থেকে একশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন।
(অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) সাইয়্যার ইবন্ সালাম থেকে তিনি বলেন, আমি এবং আমার বাবা আবূ বারযা (রা)-এর কাছে গেলাম এবং তাঁকে রাসূল (ﷺ)-এর নামাযের সময় সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেন, তিনি জোহরের নামায পড়তেন সূর্য (পশ্চিম দিকে) ঢলে পড়লে। আর আসর-এর নামায পড়তেন এমন সময় যে, নামায পড়ে লোক মদীনার শেষ প্রান্ত পৌঁছতে পারত তখনও সূর্যের আলো উজ্জীবিত। আর মাগরিবের ওয়াক্তের কথা আমি ভুলে গেছি। আর ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতে দ্বিধাবোধ করতেন না। তিনি ইশার নামায পড়ার আগে ঘুমানো পছন্দ করতেন না। আর না নামায শেষে গল্প গুজব করা পছন্দ করতেন। আর সকালের নামায পড়তেন এমন সময় যে নামায শেষে লোকেরা ফিরে যাবার সময় তাদের সাথীদের চিনতে পারতো। তাতে তিনি যাট থেকে একশত আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন।
সাইয়‍্যার (রাবী) বলেন, আমি জানি না তা কি এক রাক'আতে পড়তেন না উভয় রাকা'আতে পড়তেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(1) باب جامع الأوقات
(96) عن أبي المنهال (سياربن سلامة) قال انطلقت مع أبى إلى أبى يرزة الاسلميِّ رضى الله عنه فقال له أبى حدِّسنا كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى المكتوبة، قال كان يصلِّى الهجير وهى التي تدعونها الأولى حين تدحض الشَّمس، ويصلِّى العصر ويرجع أحدنا إلى رحله بالمدينة والشَّمس حيَّةٌ قال ونسيت ما قال فى المغرب، وكان يستحب أن يؤخِّر العشاء وكان يكره
النَّوم قبلها والحديث بعدها وكان ينفصل من صلاة الغداة حين يعرف أحدنا جليسه، وكمان يقرأ بالسِّتِّين إلى المائة
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا حجَّاج ثنا شعبة عن سيَّار بن سلامة قال دخلت أنا وأبي على أبى برزة فسألناه عن وقت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يصلِّى الظُّهر حين تزول الشَّمس، والعصر يرجع الرَّجل إلى أقصى المدينة والشَّمس حيَّةٌ، والمغرب قال سيَّارٌ نسيتها، والعشاء لا يبالى بعض تأخيرها إلى ثلث اللَّيل، وكان لا يحبُّ النَّوم قبلها ولا الحديث بعدها، وكان يصلِّى الصُّبح فينصرف الرَّجل فيعرف وجه جليسه، وكان يقرأ ما بين السِّتِّين إلى المائة قال سيَّاٌ لا أدري في إحدى الرَّكعتين أو فى كلتيهما
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান