মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ৭২
আন্তর্জাতিক নং: ২৬৮৭৮ - ১
পবিত্রতা অর্জন
অনুচ্ছেদঃ দুগ্ধপোষ্য পুত্র ও কন্যা শিশুর পেশাব প্রসঙ্গে
(৭২) উম্মুল ফাদল (লুবাবা (রা)) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমার বাড়িতে বা আমার কক্ষে আপনার একটি অঙ্গ রয়েছে। (অন্য বর্ণনায় আছে, আমি এই স্বপ্ন দেখে ভীত বিহ্বল হয়ে পড়েছি।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (স্বপ্নের ব্যাখ্যায়) বলেনঃ ইন্শা আল্লাহ, ফাতিমা একটি বালক শিশু প্রসব করবে এবং তুমি তার লালন-পালনের দায়িত্ব পাবে। এরপর ফাতিমা (রা) হাসানের (রা) জন্ম দেন এবং তাঁকে উম্মুল ফাদল (রা)-এর নিকট সমর্পণ করেন । তিনি তাঁকে কুসাম-এর সাথে দুধ পান করান। একদিন আমি তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে বেড়াতে আসি । নবীজী (ﷺ) তাঁকে নিয়ে তাঁর বুকের ওপরে রাখেন। তখন সে তাঁর বুকের ওপরে পেশাব করে দেয়। পেশাব তাঁর ইযার বা লুঙ্গিতে লাগে। তখন আমি তাঁর (শিশু হাসানের) কাঁধের ওপর আঘাত করলাম। (অপর বর্ণনায় আছে, আমি তাঁর কাঁধে মারলাম) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমার ছেলেকে তুমি ব্যথা দিলে! আল্লাহ তোমাকে সংশোধিত করুন!! অথবা বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহমত করুন!! উম্মুল ফাদল বলেন, আমি বললাম, আপনার লুঙ্গিটা খুলে আমাকে প্রদান করুন আমি তা ধুয়ে দিই। তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় আর শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি দিতে হয়।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সনদেও অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।) এই বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতেমা (রা) হাসানের জন্মদান করেন। এরপর আমাকে তাঁর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং আমি তাঁর দুধপান করাই । যখন শিশু হাসান নড়াচড়া করতে শেখে বা তাঁর দুধ ছাড়ানো হয় তখন আমি তাঁকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে তাঁর কোলের ওপর বসাই। তখন সে পেশাব করে দেয়। তখন আমি তাঁর কাঁধে আঘাত করি । তিনি বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহম করুন! আমার ছেলের সাথে দয়াদ্র ও নরম আচরণ কর। ......... এক বর্ণনায় তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় এবং শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয়।
(এ হাদীসের তৃতীয় এক বর্ণনায়) 'আতা' খুরাসানী উম্মুল ফাদল লুবাবা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি হাসান অথবা হুসাইনের দুধপান করাতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে আগমন করেন এবং একটি পানি ছিটানো (পরিষ্কার ঠাণ্ডা) স্থানে শয়ন করেন এবং শিশু হাসানকে তাঁর পেটের ওপর রাখেন। তখন সে পেটের উপর পেশাব করে। আমি দেখলাম যে, পেশাব তাঁর পেটের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। তখন তাঁর গায়ে পানি ঢেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি উঠে একটি পানির পাত্র আনতে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উম্মুল ফাদল। শিশু-পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয় আর শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয়। (অন্য বর্ণনায়, বিশেষ করে ধৌত করতে হয়।)
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সনদেও অনুরূপ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।) এই বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতেমা (রা) হাসানের জন্মদান করেন। এরপর আমাকে তাঁর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এবং আমি তাঁর দুধপান করাই । যখন শিশু হাসান নড়াচড়া করতে শেখে বা তাঁর দুধ ছাড়ানো হয় তখন আমি তাঁকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে তাঁর কোলের ওপর বসাই। তখন সে পেশাব করে দেয়। তখন আমি তাঁর কাঁধে আঘাত করি । তিনি বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে রহম করুন! আমার ছেলের সাথে দয়াদ্র ও নরম আচরণ কর। ......... এক বর্ণনায় তিনি বলেন, শিশু কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয় এবং শিশু পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয়।
(এ হাদীসের তৃতীয় এক বর্ণনায়) 'আতা' খুরাসানী উম্মুল ফাদল লুবাবা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি হাসান অথবা হুসাইনের দুধপান করাতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে আগমন করেন এবং একটি পানি ছিটানো (পরিষ্কার ঠাণ্ডা) স্থানে শয়ন করেন এবং শিশু হাসানকে তাঁর পেটের ওপর রাখেন। তখন সে পেটের উপর পেশাব করে। আমি দেখলাম যে, পেশাব তাঁর পেটের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে। তখন তাঁর গায়ে পানি ঢেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি উঠে একটি পানির পাত্র আনতে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উম্মুল ফাদল। শিশু-পুত্রের পেশাবের ওপর পানি ঢেলে দিতে হয় আর শিশু-কন্যার পেশাব ধৌত করতে হয়। (অন্য বর্ণনায়, বিশেষ করে ধৌত করতে হয়।)
كتاب الطهارة
فصل منه فيما جاء في بول الغلام والجارية
(72) عن أم الفضل (1) (رضي الله عنها) قالت أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت إني رأيت في منامي في بيتي أو حجرتي عضوا من أعضائك. (وفي رواية زيادة فجزعت (2) من ذلك) قال تلد فاطمة إن شاء الله غلاما فتكفلينه (3) فولدت فاطمة حسنا، فدفعته إليها فأرضعته بلبن قثم (4) وأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم يوما أزوره، فأخذه النبي صلى الله عليه وسلم فوضعه على صدره فبال على صدره فأصاب البول إزاره، فزخخت (5) بيدي على كتفيه (وفي رواية فضربت بين كتفيه) فقال أوجعت ابني أصلحك الله أو قال رحمك الله، فقلت أعطني إزارك أغسله، فقال إنما يغسل بول الجارية ويصب (6) على بول الغلام
(وعنها من طريق ثان (7) بنحوه) وفيه فولدت حسنا فأعطيته فأرضعته حتى تحرك أو فطمته، ثم جئت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسته في حجره فبال، فضربت بين كتفيه فقال ارفقي بابني رحمك الله (وفيه أيضا) قال إنما يغسل
بول الجارية وينضح بول الغلام
(ومن طريق ثالث) (1) عن عطاء الخرسانى عن لبابة ام الفضل (رضى الله عنها) انها كانت ترضع الحسن والحسين قالت فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاضطجع في مكان مرشوش فوضعه على بطنه فبال على بطنه فرأيت البول يسيل على بطنه فقمت الى قربة لاصبها عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ام الفضل ان بول الغلام يصب عليه الماء وبول الجارية يغسل وقال بهز غسلا (2)
(وعنها من طريق ثان (7) بنحوه) وفيه فولدت حسنا فأعطيته فأرضعته حتى تحرك أو فطمته، ثم جئت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسته في حجره فبال، فضربت بين كتفيه فقال ارفقي بابني رحمك الله (وفيه أيضا) قال إنما يغسل
بول الجارية وينضح بول الغلام
(ومن طريق ثالث) (1) عن عطاء الخرسانى عن لبابة ام الفضل (رضى الله عنها) انها كانت ترضع الحسن والحسين قالت فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فاضطجع في مكان مرشوش فوضعه على بطنه فبال على بطنه فرأيت البول يسيل على بطنه فقمت الى قربة لاصبها عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا ام الفضل ان بول الغلام يصب عليه الماء وبول الجارية يغسل وقال بهز غسلا (2)