মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৪. ইলমের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৯০২৭
ইলমের অধ্যায়
(৫) পরিচ্ছেদঃ ইলম শিক্ষায় বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা নিন্দনীয়
(৩১) আমর বিন আবী সালামা তাঁর পিতা থেকে এবং তাঁর পিতা আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, (মানুষজন) প্রশ্নের পর প্রশ্ন করতে থাকে, এক পর্যায়ে তারা বলে, তিনি (আল্লাহ) আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু আল্লাহকে কে সৃষ্টি করলো? হযরত আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি একদিন বসেছিলাম, এমন সময় ইরাকবাসী এক লোক আমাকে বললো, এ আল্লাহই আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন! কিন্তু আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, তখন আমি আমার কানে অঙ্গুলি দিয়ে চিৎকার করে বলে উঠলাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সত্য বলেছেন, আল্লাহ এক ও একক, অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং তিনিও কারো জাতক নন এবং কেউ তাঁর সমকক্ষ নয়।
كتاب العلم
(5) باب فيما جاء فى ذم كثرة السؤال فى العلم لغير حاجة
(31) وعن عمرو بن أبى سلمه عن ابيه عن ابى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يزالون يسألون حتى يقال هذا الذى خلقنا فمن خلق الله عز وجل قال ابو هريرة فو الله إنى لجالس يوما اذ قال لى رجل من اهل العراق هذا الله خلقنا فمن خلق الله عز وجل (3) قال ابو هريرة فجعلت اصبعى فى اذنى ثم صحت فقلت صدق الله ورسوله , الله الواحد الصمد لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا احد
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
{تخريجه} (ق د)
(বুখারী ও আবূ দাউদ)
(বুখারী ও আবূ দাউদ)
হাদীসের ব্যাখ্যা:
শয়তান মানুষের মনে ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি করে। কুরআন শরীফে সূরা নাস-এ বলা হয়েছে, জীন শয়তান এবং মানুষ শয়তান মানুষের মনে ওয়াসওয়াসার সৃষ্টি করে। আল্লাহ্ তামাম দুনিয়া, জাহান এবং তার যাবতীয় জিনিসের স্রষ্টা।
ইমাম নাসাঈ, ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর গিফারী (রা)-এর হাওয়ালা দিয়ে বর্ণনা করেন। আমি (আবু যর) নবী করীম (ﷺ)-এর দরবারে হাযির হলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। তিনি বললেনঃ আবু যর। তুমি কি, নামায পড়েছ? আমি বললাম না। তিনি বললেন: উঠ এবং নামায পড়। তাঁর নির্দেশ মত আমি নামায পড়লাম এবং পরে এসে বসলাম। নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ
یا أبا ذر تعوذ بالله من شر شياطين الانس والجن -
-হে আবু যর। মানুষ শয়তান ও জীন শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। আমি জানতে চাইলাম, হে আল্লাহর রাসূল। মানুষের মধ্যে কি শয়তান হয়? তিনি বললেনঃ হাঁ।
[বিঃদ্রঃ হাদীসে যে ধরনের পরিস্থিতি উল্লেখ করা হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে এবং নিজের মন থেকে ওয়াসওয়াসা দূর করার চেষ্টা করতে হবে।]
ইমাম নাসাঈ, ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর গিফারী (রা)-এর হাওয়ালা দিয়ে বর্ণনা করেন। আমি (আবু যর) নবী করীম (ﷺ)-এর দরবারে হাযির হলাম। তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। তিনি বললেনঃ আবু যর। তুমি কি, নামায পড়েছ? আমি বললাম না। তিনি বললেন: উঠ এবং নামায পড়। তাঁর নির্দেশ মত আমি নামায পড়লাম এবং পরে এসে বসলাম। নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ
یا أبا ذر تعوذ بالله من شر شياطين الانس والجن -
-হে আবু যর। মানুষ শয়তান ও জীন শয়তানের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। আমি জানতে চাইলাম, হে আল্লাহর রাসূল। মানুষের মধ্যে কি শয়তান হয়? তিনি বললেনঃ হাঁ।
[বিঃদ্রঃ হাদীসে যে ধরনের পরিস্থিতি উল্লেখ করা হয়েছে তা থেকে রক্ষা পেতে হলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে এবং নিজের মন থেকে ওয়াসওয়াসা দূর করার চেষ্টা করতে হবে।]
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)