মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৫. কুরআন সুন্নাহ্কে আকড়ে ধরা
হাদীস নং: ১৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৬৯৭০
কুরআন সুন্নাহ্কে আকড়ে ধরা
(৩) পরিচ্ছেদঃ দীনের মধ্যে বিদ'আত সৃষ্টি সম্পর্কে সাবধান বাণী এবং বিভ্রান্তির দিকে আহ্বানের পাপ প্রসঙ্গে
(১৬) গুদাইফ ইবনুল হারিস আছ-ছুমালী (রা.) বলেন, (উমাইয়া খলীফা) আব্দুল মালিক ইবন্ মারওয়ান আমার কাছে দূত প্রেরণ করে ডেকে পাঠান এবং বলেন যে, হে আবূ আসমা, আমরা দুইটি বিষয়ের ওপর মানুষদেরকে সমবেত করেছি (এ বিষয়ে আপনার সহযোগিতা চাচ্ছি)। গুদাইফ (রা) বললেন, বিষয় দুইটি কী কী? খলীফা আব্দুল মালিক বললেন, বিষয় দুইটি হলোঃ (১) শুক্রবারের দিন (জুম'আর খুতবার মধ্যে) মিম্বরে ইমামের খুৎবা প্রদানের সময় হাত তুলে দোয়া করা, এবং (২) ফজর এবং আসরের নামাযের পরে গল্প কাহিনীর মাধ্যমে ওয়ায করা। তখন গুদাইফ বললেন, নিঃসন্দেহে এ দুইটি বিষয় আমার মতে আপনাদের বিদ'আতগুলোর থেকে ভালো বিদ'আত তবে আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব না। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন কেউ এ ধরনের বিদ'আতের উদ্ভাবন ঘটায় তখনই সেই পরিমাণ সুন্নত তাদের মধ্য থেকে উঠিয়ে নেয়া হয়। কাজেই একটি সুন্নত আঁকড়ে ধরে থাকা একটি বিদ'আত উদ্ভাবন করার থেকে উত্তম।”
كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة
(3) باب في التحذير من الابتداع في الدين وإثم من دعا إلى ضلالة
(16) عن حبيب بن عبيد الرحبي (1) عن غضيف بن الحرث الثمالي رضي الله عنه قال بعث إلي عبد الملك بن مروان فقال يا أبا أسماء أنا قد أجمعنا الناس على أمرين قال وما هما؟ قال رفع الأيدي على المنابر يوم الجمعة (2) والقصص (3) بعد الصبح والعصر فقال أما إنهما أمثل (4) بدعتكم عندي ولست مجيبك إلى شيء منهما قال لم؟ قال لأن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما أحدث قوم بدعة إلا رفع مثلها من السنة، فتمسك بسنة، خير من أحداث بدعة.
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(تخريجه) الحديث أورده صاحب المشكاة في كتابه وعزاه للإمام أحمد، قال في التنقيح رواه أيضاً البزار والطبراني في الكبير وفي إسنادهم كلهم أبو بكر بن عبد الله بن مريم وفيه مقال لكن رجح الحافظ بن حجر توثيق ؤجال الإسناد وقال في الفتح إسناده جيد اهـ
[(বাযযার, তাবারানী । হাফেয হায়সামী (৮০৭হি) মাজমাউয যাওয়ায়িদ গ্রন্থে ১/১৮৮ হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে বলে উল্লেখ করেছেন। তবে হাফেজ ইবন্ হাজর আসকালানী (৮৫২ হি) হাদীসটির সনদের গ্রহণযোগ্যতার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, হাদীসটির সনদ শক্তিশালী । ফতহুল বারী ১৩/১৫৩-১৫৪।).......
[(বাযযার, তাবারানী । হাফেয হায়সামী (৮০৭হি) মাজমাউয যাওয়ায়িদ গ্রন্থে ১/১৮৮ হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে বলে উল্লেখ করেছেন। তবে হাফেজ ইবন্ হাজর আসকালানী (৮৫২ হি) হাদীসটির সনদের গ্রহণযোগ্যতার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, হাদীসটির সনদ শক্তিশালী । ফতহুল বারী ১৩/১৫৩-১৫৪।).......