মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪২৯৬ - ১
পবিত্রতা অর্জন
(২) পরিচ্ছেদঃ পানি না পাওয়া গেলে 'নাবীয' *দ্বারা ওযূ করার বিধান
(৬) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে রাত্রিতে জিনগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আগমন করে সেই রাত্রিতে সাহাবীগণের মধ্য থেকে দুই জন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে রাত্রি যাপন না করে পিছনে থেকে যান । তাঁরা বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা ফজরের সালাত আপনার সাথে আদায় করব। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তোমার কাছে কি পানি আছে? আমি বললাম, আমার কাছে পানি নেই, তবে একটি পাত্রে কিছু নাবীয আছে। তখন তিনি বললেন, ফল পবিত্র এবং পানিও পবিত্র। এরপর তিনি সেই নাবীয দিয়ে ওযূ করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, (জিনদের রাত্রিতে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তোমার কাছে কি ওযূর পানি আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে এই পাত্রে কি আছে? আমি বললাম, “নাবীয।” তিনি বললেন, আমাকে দেখাও। ফল পবিত্র এবং পানিও পবিত্র। এরপর তিনি তা দিয়ে ওযূ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে তৃতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জিনদের রাত্রিতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলেন। তখন নবী (ﷺ) তাঁকে বলেনঃ আব্দুল্লাহ! তোমার সাথে কি পানি আছে? তিনি বলেন, আমার কাছে একটি পাত্রে কিছু নাবীয আছে। তিনি বলেনঃ সেটাই আমাকে ঢেলে দাও। এভাবে তিনি তা দিয়ে ওযূ করেন । আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) বলেন, তখন নবী (ﷺ) বলেন, হে আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ! পবিত্র পানীয়।
* “নাবীয” অর্থ পানি মিশ্রিত ফলের রস। খেজুর, কিসমিস, মধু, গম, যব ইত্যাদি ফল বা খাদ্য শস্য পানিতে ভিজিয়ে যে 'পানীয়' তৈরী করা হয় তাকে আরবীতে নবীয বলা হয়।
আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, (জিনদের রাত্রিতে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তোমার কাছে কি ওযূর পানি আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে এই পাত্রে কি আছে? আমি বললাম, “নাবীয।” তিনি বললেন, আমাকে দেখাও। ফল পবিত্র এবং পানিও পবিত্র। এরপর তিনি তা দিয়ে ওযূ করলেন এবং সালাত আদায় করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে তৃতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জিনদের রাত্রিতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলেন। তখন নবী (ﷺ) তাঁকে বলেনঃ আব্দুল্লাহ! তোমার সাথে কি পানি আছে? তিনি বলেন, আমার কাছে একটি পাত্রে কিছু নাবীয আছে। তিনি বলেনঃ সেটাই আমাকে ঢেলে দাও। এভাবে তিনি তা দিয়ে ওযূ করেন । আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) বলেন, তখন নবী (ﷺ) বলেন, হে আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ! পবিত্র পানীয়।
* “নাবীয” অর্থ পানি মিশ্রিত ফলের রস। খেজুর, কিসমিস, মধু, গম, যব ইত্যাদি ফল বা খাদ্য শস্য পানিতে ভিজিয়ে যে 'পানীয়' তৈরী করা হয় তাকে আরবীতে নবীয বলা হয়।
كتاب الطهارة
(2) باب في حكم الطهارة بالنبيذ إذا لم يوجد الماء
(6) عن ابن مسعود رضي الله عنه قال لما كان ليلة الجن (1) تخلف منهم رجلان وقالا نشهد الفجر معك يا رسول الله فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم أمعك ماء؟ قلت ليس معي ماء ولكن معي إداوة (2) فيها نبيذ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ثمرة طيبة (3) وماء طهور فتوضأ
(وعنه من طريق ثان) (4) قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أمعك طهور قلت لا قال فما ذها في الإداوة قلت نبيذ قال أرنيها، ثمرة طيبة وماء طهور فتوضأ منها وصلى
(وعنه من طريق ثالث) (5) أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الجن فقال له النبي صلى الله عليه وسلم يا عبد الله أمعك ماء قال معي نبيذ في إداوة فقال اصبب علي فتوضأ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا عبد الله
(وعنه من طريق ثان) (4) قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أمعك طهور قلت لا قال فما ذها في الإداوة قلت نبيذ قال أرنيها، ثمرة طيبة وماء طهور فتوضأ منها وصلى
(وعنه من طريق ثالث) (5) أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الجن فقال له النبي صلى الله عليه وسلم يا عبد الله أمعك ماء قال معي نبيذ في إداوة فقال اصبب علي فتوضأ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا عبد الله
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(تخريجه) (مذ د جه طب قط بز) وضعفوه جميعا وقال الطحاوي أن حديث ابن مسعود روي من طرق لا تقوم بمثلها حجة اهـ وذكر ابن عدي عن البخاري أنه قال أبو زيد الذي روى حديث ابن مسعود في الوضوء بالنبيذ مجهول لا يعرف بصحبة عبد الله ولا يصح هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو خلاف القرآن اهـ
এই হাদীসটি তিরমিযী, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, তাবারানী, বাযযার প্রমুখ সংকলন করেছেন। হাদীসটির সকল বর্ণনার সনদ অত্যন্ত দুর্বল। উপরোক্ত সংকলকগণ এর দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছেন। ইমাম তাহাবী (র) বলেছেন, এই হাদীস এমন সব সনদে বর্ণিত হয়েছে, যার কোনটিই দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় ।
এই হাদীসটি তিরমিযী, আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, তাবারানী, বাযযার প্রমুখ সংকলন করেছেন। হাদীসটির সকল বর্ণনার সনদ অত্যন্ত দুর্বল। উপরোক্ত সংকলকগণ এর দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছেন। ইমাম তাহাবী (র) বলেছেন, এই হাদীস এমন সব সনদে বর্ণিত হয়েছে, যার কোনটিই দলীল হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় ।