আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৭২- কাফের ও ধর্মত্যাগী বিদ্রোহীদের বিবরণ
হাদীস নং: ৬৩৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮০৭
- কাফের ও ধর্মত্যাগী বিদ্রোহীদের বিবরণ
২৮৩৮. অশ্লীলতা বর্জনকারীর ফযীলত।
৬৩৫১। মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকর (রাহঃ) ও খলীফা ......... সাহল ইবনে সা’দ সাঈদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে কেউ আমার জন্য তার দু’পা ও দু’চোয়ালের মধ্যবর্তী স্থানের দায়িত্ব নেবে, আমি তার জন্য বেহেশতের দায়িত্ব নেব।
كتاب المحاربين من اهل الكفر والردة
باب فَضْلِ مَنْ تَرَكَ الْفَوَاحِشَ
6807 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، ح وحَدَّثَنِي خَلِيفَةُ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ تَوَكَّلَ لِي مَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ وَمَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ، تَوَكَّلْتُ لَهُ بِالْجَنَّةِ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জিহবা এবং লজ্জাস্থানের অপপ্রয়োগ এবং অবৈধ প্রয়োগ মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বান্দা তার জিহবা এবং লজ্জাস্থানের দ্বারা অপরাধ করে এবং সমাজ-জীবনে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। তাই নবী করীম ﷺ এ দুটো জিনিস সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকতে উপদেশ দিয়েছেন। যদি কোন ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সঠিক হিফাযত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আশা করা যায়, সে জান্নাতে স্থান লাভ করতে পারবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)