রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ

৯. ফাযাঈলে আ'মালের বর্ণনা

হাদীস নং: ১০৩৪
ফাযাঈলে আ'মালের বর্ণনা
মুআযযিনের মর্যাদা
১০৩৪. হযরত মু'আবিয়া রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন মুআযযিনদের গর্দান সর্বাপেক্ষা উঁচু হবে।-মুসলিম। (সহীহ মুসলিম: ৩৮৭; সুনানে ইবন মাজাহ ৭২৫; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ১৮৬১। মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহুয়াহ: ১৫১; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ২০৮; সহীহ ইবন হিব্বান: ১৬৬৯; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর ৭৩৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ২০৩৭)
كتاب الفضائل
باب فضل الأذان
1034 - وعن معاوية - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقولُ: «المُؤَذِّنُونَ أطْوَلُ النَّاسِ أعْناقًا يَوْمَ القِيَامَةِ». رواه مسلم. (1)

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):


__________
(1) أخرجه: مسلم 2/ 5 (387) (14).

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আল্লাহ তা'আলার কাছে মুআযযিনের কী উচ্চমর্যাদা, তা এ হাদীছে তুলে ধরা হয়েছে। 'কিয়ামতের দিন' বলে এখানে হাশরের ময়দান বোঝানো হয়েছে। হাশরের ময়দান বড়ই বিভীষিকাময়। মুমিন-কাফের, পাপী-তাপী সমস্ত মানুষ সে ময়দানে একত্র হবে। সবাই বিচারের অপেক্ষায় থাকবে। সে অপেক্ষা দুর্বিষহ। আল্লাহ তা'আলা তাঁর কাহ্হার ও মহাপ্রতাপান্বিত রূপে থাকবেন। কারও কথা বলার হিম্মত হবে না। প্রত্যেকে নাফসী নাফসী বলে আপন নাজাতের চিন্তায় থাকবে। কতকাল সে অপেক্ষায় পার হয়ে যাবে, তা কেউ জানে না। সে কঠিন অবস্থায় কোনও কোনও শ্রেণির লোকের অন্তরে রহমত লাভের আশাও থাকবে। কারও কম, কারও বেশি। তা থাকবে আপন আপন নেক আমলের ভিত্তিতে। যাদের আশা থাকবে সর্বাপেক্ষা বেশি, তাদের মধ্যে আমলওয়ালা মুআযযিনগণও রয়েছে।

আলোচ্য হাদীছে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- الْمُؤَذِّنُونَ أَطْوَلُ النَّاسِ أَعْنَاقًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ (কিয়ামতের দিন মুআযযিনদের গর্দান সর্বাপেক্ষা উঁচু হবে)। গর্দান উঁচু হওয়ার মানে আশান্বিত হওয়া। কারও কোনওকিছুর প্রতি আশা থাকলে সেদিকে উদগ্রীব হয়ে তাকায়। আশার বস্তুর দিকে উঁকি দেওয়ার দ্বারা গর্দান লম্বা হয়ে যায়। কোনওকিছুর ভয় থাকলে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া হয়। তখন গর্দান খাটো হয়ে যায়। তো রূপকার্থে গর্দান লম্বা হওয়ার দ্বারা আশান্বিত হওয়া বা আশায় উদগ্রীব থাকার কথা বোঝানো উদ্দেশ্য। সেদিন আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেককে তার পাপ-পুণ্য দেখাবেন। মুআযযিন যখন তার রাশি রাশি পুণ্য দেখতে পাবে, তখন রহমতের আশাবাদী হয়ে উঠবে। মনে আশা জাগবে, পরিস্থিতি যদিও অত্যন্ত ভয়াবহ, তবুও আল্লাহ তা'আলা নিজ দয়ায় তাকে নাজাত দেবেন।

গর্দান উঁচু হয়ে যায় নিজেকে নেতৃত্বের স্থানে দেখতে পেলেও। তাই আরববাসী নেতৃত্বকে 'উঁচু গর্দান' শব্দে ব্যক্ত করে থাকে। হাশরের ময়দানে মুআযযিনদের নেতৃস্থানীয় লোক বলে মনে হবে। কারণ তাদের একেকজনের সঙ্গে থাকবে বিপুলসংখ্যক লোক। যারা যারা তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে জামাতে শামিল হয়েছে, তারা সকলে তাদের সঙ্গে থাকবে। যেন মুআযযিন একজন নেতা আর অন্যরা তার অনুসারী।

আরবীতে عُنُق (গর্দান) শব্দটি দল অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন বলা হয়- جاء في عُنُقٍ مِنَ النَّاسِ (সে দলে দলে লোক নিয়ে এসেছে)। তো মুআযযিনের ডাকে যারা যারা সাড়া দিয়েছে, হাশরের ময়দানে তারা সকলে তার সঙ্গে থাকবে। হাদীছ বলছে-কিয়ামতের দিন মুআযযিনদের ঘাড় সর্বাপেক্ষা উঁচু হবে। তার মানে কিয়ামতের দিন। মুআযযিন হবে একজন নেতা। সেদিন সে নিজেকে নেতৃত্বের অবস্থানে পাবে। তার সঙ্গে থাকবে বিপুল লোক।

ব্যাখ্যা তিনটির মধ্যে কোনও বিরোধ নেই। এর একটি অন্যটির সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত। একসঙ্গে এভাবে বলা যায় যে, হাশরের ময়দানে অন্য সব লোক যেখানে প্রত্যেকে নিজে নিজের চিন্তা করবে এবং প্রচণ্ড ভয়ে ভীত-উৎকণ্ঠিত থাকবে, সেখানে মুআযযিন যেন একজন নেতার অবস্থানে থাকবে। তার সঙ্গে থাকবে অনেক লোক। তখন তার অন্তরে থাকবে আল্লাহর রহমত লাভের আশা। সে আশায় প্রত্যেক আমলওয়ালা মুআযযিন উদগ্রীব থাকবে।
এছাড়াও বিভিন্ন হাদীছে মুআযযিনের উচ্চ ফযীলত ও মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়েছে। কয়েকটি হাদীছ উল্লেখ করা যাচ্ছে।

(এক) হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

الْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ مَدَّ صَوْتِهِ وَيَشْهَدُ لَهُ كُلُّ رَطْبٍ وَيَابِس.

'মুআযযিনের আওয়াজ যতদূর পর্যন্ত পৌঁছায়, ততদূর পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় (অর্থাৎ তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় চূড়ান্ত রকমে) আর তার জন্য সাক্ষ্য দেবে সজীব ও শুষ্ক সবকিছু। (সুনানে আবু দাউদ: ৫১৫; মুসনাদে আহমাদ: ৭৬০১; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ১৮৬৩; সহীহ ইবন হিব্বান: ১৬৬৬; সুনানে ইবন মাজাহ ৭২৪; সহীহ ইবন খুযায়মা : ৩৯০; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ১৮৬১; শু'আবুল ঈমান: ২৭৯৪)

(দুই) হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

الْإِمَامُ ضَامِنٌ وَالْمُؤَذِّنُ مُؤْتَمَنٌ فَأَرْشَدَ اللَّهُ الْأَئِمَّةَ وَغَفَرَ لِلْمُؤَذِّنِينَ.

'ইমাম দায়িত্বশীল। মুআযযিন আমানতগ্রহীতা। আল্লাহ ইমামদের সঠিক পথে রাখুন আর মুআযযিনদের ক্ষমা করুন। (সহীহ ইবন হিব্বান: ১৬৭১; সহীহ ইবন খুযায়মা ১৫৩১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ২০৩০; শু'আবুল ঈমান : ২৮০০; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ২০৩। ফাওয়াইদু তাম্মাম: ১২১২)

(তিন) হযরত জাবির রাযি. বর্ণনা করেন-

سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ النَّاسِ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ أَوْلَا؟ قَالَ: الْأَنْبِيَاءُ، ثُمَّ الشُّهَدَاءُ، ثُمَّ مُؤَذِّنُو مَسْجِدِي ، ثُمَّ سَائِرُ الْمُؤَذِّنِينَ عَلَى قَدْرِ أَعْمَالِهِمْ.

'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলো, মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম কারা জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন, নবীগণ, তারপর শহীদগণ, তারপর আমার মসজিদের মুআযযিনগণ, তারপর অন্যসব মুআযযিন তাদের আমল অনুপাতে। (বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান ২৮০১: ফাকিহী, আখবারু মাক্কা: ১৩০৫)

(চার) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) হযরত ছাওবান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

مَنْ حَافَظَ عَلَى الْأَذَانِ سَنَةٌ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ الْجَنَّةَ.

'যে ব্যক্তি নিয়মিত এক বছর আযান দেয়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দেন। (বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ২৭৯৬)

(পাঁচ) হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. ও হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

ثَلاَثَةٌ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ ، أُرَاهُ قَالَ ، يَوْمَ القِيَامَةِ : عَبْدٌ أَدَّى حَقَّ اللهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ ، وَرَجُلٌ أَمَّ قَوْمًا وَهُمْ بِهِ رَاضُونَ ، وَرَجُلٌ يُنَادِي بِالصَّلَوَاتِ الخَمْسِ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ

'কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির লোক মিশকের টিলার উপর থাকবে। এক হলো ওই গোলাম, যে আল্লাহর হক আদায় করে এবং তাঁর মনিবদেরও হক আদায় করে। দ্বিতীয় হলো ওই ব্যক্তি, যে লোকজনের ইমামত করে এ অবস্থায় যে, তারা তার প্রতি সন্তুষ্ট। আর তৃতীয় ওই ব্যক্তি, যে দিবরাত্র পাঁচ নামাযের জন্য আযান দেয়। জামে' তিরমিযী: ১৯৮৬; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ২৭৯৮

বর্তমানকালে মুআযযিনদের সামাজিক অবস্থান ও এ বিষয়ে করণীয়
এসব হাদীছ দ্বারা মুআযযিনের কী উচ্চমর্যাদাই না জানা যায়। আফসোস, বর্তমানকালে না মানুষ মুআযযিনকে মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখে, না মুআযযিন নিজে নিজ মর্যাদা বোঝে! ফলে মুআযযিনের প্রতি যেমন মানুষের আচরণ সম্মানজনক নয়, তেমনি মুআযযিনের কাজকর্মও তার মর্যাদার অনুকূল নয়। এটাই সাধারণ অবস্থা। তার মানে এ নয় যে, সব মুআযযিনই এরকম। ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে।

এ অবস্থায় করণীয় কাজ দু'টি। প্রথম কাজ হলো মুআযযিন নিজে নিজ মর্যাদা বুঝবে। সে যদি যাবতীয় কথাবার্তা ও কাজকর্ম নিজ মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আঞ্জাম দেয়, হালাল-হারাম বিচার করে চলে, সব ক্ষেত্রে তাকওয়া-পরহেযগারির পরিচয় দেয়, তবে সমাজ আপনা-আপনিই তাকে মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে।

তার বিশেষ করণীয় কর্ম ইলমের চর্চায় মশগুল থাকাও বটে। অধিকাংশ মুআযযিন দীনী কিতাবাদি ও বই-পুস্তক পড়ার কোনও আগ্রহ রাখে না। আলেম হয়ে থাকলেও দীর্ঘদিন জ্ঞানচর্চার বাইরে থাকার কারণে একপর্যায়ে বে-আলেম লোকদের মতোই অজ্ঞতার শিকার হয়ে যায়। মুআযযিন হওয়ার কারণে অনেকে তাকে ঠিকই আলেম মনে করে। ফলে মাসআলা-মাসায়েলও জিজ্ঞেস করে। কিন্তু সব ভুলে যাওয়ার কারণে সঠিক উত্তর দেওয়ার যোগ্যতা রাখে না। তা সত্ত্বেও তাদের অনেকেই তাকওয়া-পরহেযগারির কমতির কারণে ভুলচুক যাই মুখে আসে বলে দেয়। এভাবে নিজেরও দীনদারি নষ্ট করে, অন্যদেরও বিভ্রান্তির কারণ হয়। সুতরাং মুআযযিন সাহেবদের এ বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন হওয়া উচিত। তাদের উচিত নিজেদের অন্তরে আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত করা।
সমাজেরও এ বিষয়ে দায়িত্ব রয়েছে। তাদেরও মুআযযিনের মর্যাদা বোঝা উচিত।

আফসোস হলো, ইসলাম যেখানে মুআযযিনদের এত উচ্চমর্যাদা বর্ণনা করেছে, সেখানে সমাজ তাদের বেলায় নিতান্তই উদাসীন। না তারা আযানের গুরুত্ব বোঝে, না মুআযযিনের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কেবল আযানের সুর। যে ব্যক্তি সুন্দর সুরে আযান দিতে পারে, তাকেই মুআযযিনরূপে মনোনীত করে। না তার ইলম ও জানাশোনার মান দেখার কোনও গরজ বোধ করে, না আমল-আখলাক সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে। কেবল সুরের বিবেচনায় নিয়োগ দিয়ে দেয়। অথচ মসজিদ আবাদ করার কাজে মুআযযিনের ভূমিকা বিশাল। আর মসজিদ আবাদ করবে কে, সে বিষয়ে কুরআন মাজীদের নির্দেশনা হলো-

إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَأَقَامَ الصَّلَاةَ وَآتَى الزَّكَاةَ وَلَمْ يَخْشَ إِلَّا اللَّهَ ۖ فَعَسَىٰ أُولَٰئِكَ أَن يَكُونُوا مِنَ الْمُهْتَدِينَ

'আল্লাহর মসজিদ তো আবাদ করে তারাই, যারা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান এনেছে এবং নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না। এরূপ লোকদের সম্পর্কেই আশা আছে যে, তারা সঠিক পথ অবলম্বনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা তাওবা, আয়াত ১৮)


আয়াতের সারমর্ম এটাই যে, মসজিদ আবাদকারীকে মুত্তাকী-পরহেযগার ব্যক্তি হতে হবে। তা না হলে মসজিদ আবাদ করতে গিয়ে করবে ফাসাদের কাজ। হয়তো কোনও বেদআতী কাজে লিপ্ত হবে। কোনও অসৎকাজে লিপ্ত হয়ে পড়াও বিচিত্র নয়। মসজিদকে সব রকম অনর্থ থেকে হেফাজত করার লক্ষ্যে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা খুব জরুরি। মসজিদ কমিটি, মসজিদের ইমাম, মুআযযিন ও খাদেম সকলেরই এমন হওয়া দরকার, যারা তাকওয়া-পরহেযগারির চর্চা করে, দীন সম্পর্কে সহীহ জ্ঞান রাখে এবং কথা ও কাজে সততার পরিচয় দেয়।

হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ

ক. হাশরের ময়দানে মুআযযিনগণ উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন হবে।

খ. আপন মর্যাদা সম্পর্কে মুআযযিনদের সচেতন থাকা উচিত। তাদের এমন কোনও কাজে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়, যা তাদের মর্যাদার অনুকূল নয়।

গ. মুআযযিনদের যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সমাজ বিশেষত মসজিদ কমিটিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান