আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ৭৫৩
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) এর রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করার বর্ণনা
৭৫৩। মুহাম্মাদ ইব্ন নাফি ইব্ন জুবায়র তাঁর পিতা নাফি ইব্ন জুবায়র (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে হযরত সাঈদ ইব্ন আস (রা)-এর শুশ্রূষা করতে দেখেছি। তখন আমি দেখলাম নবী (ﷺ) টুক্রা কাপড়ের সাহায্যে সাঈদ ইব্ন আসকে (শরীরে) গরম সেক দিচ্ছেন।
أبواب الكتاب
ذِكْرُ عِيَادَتِهِ الْمَرِيضَ، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
753 - حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ عِصَامٍ، نَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْفَرَجِ الرِّيَاشِيُّ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ، نَا ابْنُ دَابٍ، عَنِ ابْنِ ذِئْبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ جُبَيْرٌ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَادَ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ، فَرَأَيْتُهُ يُكَمِّدُهُ بِخِرْقَةٍ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
রোগীর শুশ্রূষা করার সময় তার সেবা করা, ঔষধপথ্য সেবন করিয়ে দেয়া কিংবা তার কোন খেদমত করা অত্যন্ত উন্নত একটি আমল। দু'জাহানের বাদশাহ্ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সকল কাজকর্ম নিজে আমল করার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাছাড়া এ সকল সুন্নতের উপর যারা নিজেদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে তাদের জন্য তিনি অফুরন্ত সাওয়াব ও প্রতিদানের সুসংবাদ দিয়ে গেছেন। যেমন, হযরত সাওবান (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ একজন মুসলিম যখন অপর কোন মুসলিম ভাইয়ের শুশ্রূষা করার জন্য পথ চলতে আরম্ভ করে তখন সে প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত বেহেশতের পথে প্রবিষ্ট থাকে। (মিশকাত শরীফ) অর্থাৎ তার এ আমল তাকে বেহেশতের দিকে নিয়ে চলে।
একটি হাদীসে হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) বলেন, আমাদের মধ্যে যখন কেউ পীড়িত হতো তখন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর নিজের ডান হাত বুলিয়ে দিতেন এবং নিম্নোক্ত দু'আটি পড়তেনঃ اذهب البأس رب الناس واشف انت الشافي لا شفاء الا شفاءك لا يغادر سقما “ওহে মানুষের প্রতিপালক! রোগ যন্ত্রণা দূরীভূত করে দাও। এ রোগীকে উপশম দান করো । তুমিই একমাত্র শিফা দানকারী। তোমার শিফা প্রদান ব্যতিরেকে অন্য কারোর শিফা প্রদানের শক্তি নেই। তুমি এমন শিফা দান করো যার ফলে কোন ব্যাধিই অবশিষ্ট না থাকে।”
এ বিষয়ে আরো বহু হাদীস রয়েছে। হাদীস গ্রন্থাবলিতে এগুলির বিস্তারিত বিবরণ বিদ্যমান। তবে এখানে আমাদের কেবল এতটুকুই উল্লেখ করা উদ্দেশ্য যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগী ও পীড়িতদের সেবা-শুশ্রূষা করতেন।
একটি হাদীসে হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) বলেন, আমাদের মধ্যে যখন কেউ পীড়িত হতো তখন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর নিজের ডান হাত বুলিয়ে দিতেন এবং নিম্নোক্ত দু'আটি পড়তেনঃ اذهب البأس رب الناس واشف انت الشافي لا شفاء الا شفاءك لا يغادر سقما “ওহে মানুষের প্রতিপালক! রোগ যন্ত্রণা দূরীভূত করে দাও। এ রোগীকে উপশম দান করো । তুমিই একমাত্র শিফা দানকারী। তোমার শিফা প্রদান ব্যতিরেকে অন্য কারোর শিফা প্রদানের শক্তি নেই। তুমি এমন শিফা দান করো যার ফলে কোন ব্যাধিই অবশিষ্ট না থাকে।”
এ বিষয়ে আরো বহু হাদীস রয়েছে। হাদীস গ্রন্থাবলিতে এগুলির বিস্তারিত বিবরণ বিদ্যমান। তবে এখানে আমাদের কেবল এতটুকুই উল্লেখ করা উদ্দেশ্য যে, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগী ও পীড়িতদের সেবা-শুশ্রূষা করতেন।