আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ৭০৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
পানি পান করার সময় নবী (ﷺ)-এর শ্বাস গ্রহণের বর্ণনা
৭০৪। হযরত আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পাত্রে পানি পান করার সময় তিনবার শ্বাস গ্রহণ করতেন। প্রতিবার শ্বাস গ্রহণ করার সময় আল্লাহ্র প্রশংসা করতেন এবং শেষবারে তাঁর শুকরিয়া আদায় করতেন।
أبواب الكتاب
صِفَةُ تَنَفُّسِهِ فِي إِنَائِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
704 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَلَبِيُّ، نَا أَبُو خَيْثَمَةَ مُصْعَبُ بْنُ سَعِيدٍ الْمِصِّيصِيُّ، نَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْمُعَلَّى بْنِ عُرْفَانَ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا شَرِبَ تَنَفَّسَ عَلَى الْإِنَاءِ ثَلَاثَةَ أَنْفَاسٍ، يَحْمَدُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ نَفَسٍ، وَيَشْكُرُهُ عِنْدَ آخِرِهِنَّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
তিনবার শ্বাস গ্রহণ করে পানি পান করা সুন্নত। এক নিঃশ্বাসে পানি পান করার ব্যাপারে বিভিন্ন হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। তিনবার শ্বাস গ্রহণ করে পানি পান করার পদ্ধতি হলো, একবার পানি পান করে পানির পাত্র মুখ থেকে সরিয়ে শ্বাস গ্রহণ করতে হবে। তারপর আবার পান করতে হবে। এভাবে তিনবার পান করাকে তিনশ্বাসে পানি পান করা বলে। পানি পানকালে পানপাত্র মুখের সাথে রেখেই পাত্রের মধ্যে শ্বাস নেয়ার ব্যাপারে হাদীসে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। একটি হাদীসে বলা হয়েছেঃ عن أبي قتادة قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : إذا شرب أحدكم فلا يتنفس في الإناء হযরত আবূ কাতাদা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: পানি পান করার সময় তোমরা কেউ পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলবে না। (বুখারী)
উলামায়ে কেরাম এক নিঃশ্বাসে পানি পান করার অনেক কুফল ও ক্ষতিকর দিকের উল্লেখ করেছেন। যার মধ্যে পাকস্থলী ও যকৃত প্রদাহের কারণ হওয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এক নিঃশ্বাসে পানি পান করায় তাৎক্ষণিকভাবেও ততটা তৃপ্তি এবং শান্তি পাওয়া যায় না যতটা পাওয়া যায় থেমে থেমে তিনবারে পান করলে। এ বিষয়ে পরে এক হাদীসে বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হবে। ইন্শাআল্লাহ ।
তাছাড়া পানি পানকালে 'বিসমিল্লাহ্' পড়া সুন্নত। প্রতিটি নেক কাজে 'বিসমিল্লাহ্' পাঠ কল্যাণ লাভের কারণ হয়। পানি পান শেষে প্রকৃত নিয়ামত দাতার শুকরিয়া আদায় করাও অতীব কল্যাণকর। মহান আল্লাহ্র দেয়া নিয়ামত লাভের পর শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমেই তাঁর নিয়ামতের হক আদায় করা সম্ভব। নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়কারীদের আল্লাহ্ পছন্দ করেন। এবং তাঁর জন্য নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন। যেমন কুরআন মজীদে বলা হয়েছেঃ لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ তোমরা আমার (নিয়ামতের) শুকরিয়া আদায় করলে আমি তা বৃদ্ধি করে দেবো ।
উলামায়ে কেরাম এক নিঃশ্বাসে পানি পান করার অনেক কুফল ও ক্ষতিকর দিকের উল্লেখ করেছেন। যার মধ্যে পাকস্থলী ও যকৃত প্রদাহের কারণ হওয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এক নিঃশ্বাসে পানি পান করায় তাৎক্ষণিকভাবেও ততটা তৃপ্তি এবং শান্তি পাওয়া যায় না যতটা পাওয়া যায় থেমে থেমে তিনবারে পান করলে। এ বিষয়ে পরে এক হাদীসে বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হবে। ইন্শাআল্লাহ ।
তাছাড়া পানি পানকালে 'বিসমিল্লাহ্' পড়া সুন্নত। প্রতিটি নেক কাজে 'বিসমিল্লাহ্' পাঠ কল্যাণ লাভের কারণ হয়। পানি পান শেষে প্রকৃত নিয়ামত দাতার শুকরিয়া আদায় করাও অতীব কল্যাণকর। মহান আল্লাহ্র দেয়া নিয়ামত লাভের পর শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমেই তাঁর নিয়ামতের হক আদায় করা সম্ভব। নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়কারীদের আল্লাহ্ পছন্দ করেন। এবং তাঁর জন্য নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন। যেমন কুরআন মজীদে বলা হয়েছেঃ لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ তোমরা আমার (নিয়ামতের) শুকরিয়া আদায় করলে আমি তা বৃদ্ধি করে দেবো ।