আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ৬৬০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) সিরকা এবং যায়তুনের তেল আহার করেছেন
৬৬০। হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নিকট সমস্ত ঝোলের মধ্যে সিরকা অধিক পছন্দনীয় ছিলো।
أبواب الكتاب
أَكْلِهِ الْخَلَّ وَالزَّيْتَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
660 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مَعْدَانَ، قَالَا: نَا حَمَّادُ بْنُ الْحَسَنِ، نَا عَوْنُ بْنُ عَمَّارٍ، نَا حَفْصُ بْنُ جُمَيْعٍ، عَنْ يَاسِينَ بْنِ مُعَاذٍ الزَّيَّاتِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كَانَ أَحَبُّ الصِّبَاغِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْخَلُّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উপরোক্ত হাদীস থেকে জানা যায় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিরকা পান করেছেন। এক হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সিরকা কতই না উত্তম ব্যঞ্জন” (শামাইলে তিরমিযী)। অপর হাদীসে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ঘরে সিরকা আছে সেই ঘর ঝোল তরকারি থেকে বঞ্চিত নয় (শামাইলে তিরমিযী)। অত্র অনুচ্ছেদের শিরোনামে যায়তুন তেলের কথা উল্লেখ থাকলেও উপরোক্ত হাদীসে তার উল্লেখ নেই। অবশ্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়তুন তেল ব্যবহার করেছেন এবং তা খেতে উৎসাহিত করেছেন। যেমন নিম্নোক্ত হাদীস থেকে জানা যায়ঃ عن أبي أسيد قال قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : كلوا الزيت وادهنوا به فإنه من شجرة مباركة আবূ উসাইদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যায়তুন খাও এবং তার তেল মর্দন কর। কারণ তা একটি বরকতপূর্ণ বৃক্ষ থেকে উৎপন্ন হয় (শামাইলে তিরমিযী, পৃষ্ঠা-১১২)
আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এই বৃক্ষের উল্লেখ করেছেনঃ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ একটি বরকতময় বৃক্ষ থেকে যায়তুন বৃক্ষ (সূরা নূর)।
আবূ নুআইম (র) বলেন, যায়তুন তেলের মধ্যে সত্তর প্রকার রোগের নিরাময় রয়েছে। তার মধ্যে কুষ্ঠরোগ অন্যতম।
আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এই বৃক্ষের উল্লেখ করেছেনঃ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ একটি বরকতময় বৃক্ষ থেকে যায়তুন বৃক্ষ (সূরা নূর)।
আবূ নুআইম (র) বলেন, যায়তুন তেলের মধ্যে সত্তর প্রকার রোগের নিরাময় রয়েছে। তার মধ্যে কুষ্ঠরোগ অন্যতম।