আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ২৪৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) -এর জামা এবং জামা পরিধানের সময় মহান আল্লাহর প্রতি হাম্দ ও প্রশংসা
২৪৬। হযরত আনাস ইব্ন মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর জামার (আস্তিন) হাতের কব্জি পর্যন্ত লম্বা ছিলো।
أبواب الكتاب
ذِكْرُ قَمِيصِهِ وَحَمْدِ رَبِّهِ عِنْدَ لِبْسِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
246 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَاحِيَةَ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَعْلَبَةَ بْنِ سَوَاءَ، نَا عَمِّي، نَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ قَمِيصُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى رُسْغِهِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীছ দ্বারা জানা যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জামার হাতা ছিল হাতের কব্জি পর্যন্ত লম্বা। অন্য হাদীছে আছে, কব্জির নিচ পর্যন্ত লম্বা ছিল। সম্ভবত দু'টি জামা দুরকম ছিল। জামার বিধান লুঙ্গি-পায়জামার মত নয়। অর্থাৎ লুঙ্গি-পায়জামা টাখনুর নিচে পরা নাজায়েয বটে, কিন্তু জামার হাতা কব্জির নিচে নামানো নাজায়েয নয়।
এক রেওয়ায়েতে আছে, উতবা ইবন ফারকাদের জামার হাতা আঙ্গুলের নিচে নেমে গেলে হযরত উমর রাযি, অতিরিক্ত অংশটুকু কেটে দিতে চেয়েছিলেন। অপর এক রেওয়ায়েতে আছে, হযরত আলী রাযি. নিজের জন্য একটা জামা কিনেছিলেন। সে জামাটির হাতা লম্বায় আঙ্গুলের নিচে ছিল। তিনি আঙ্গুল বরাবর সেটি কেটে নিয়েছিলেন। বস্তুত তা কাটার কারণ হারাম হওয়া নয়; বরং সুবিধার জন্য। হাতায় আঙ্গুল ঢেকে গেলে কাজকর্ম করতে ব্যাঘাত ঘটে। আঙ্গুল বরাবর থাকলে সুবিধা। আরও বেশি সুবিধা হয় কজি পর্যন্ত হলে। এসব বর্ণনা দ্বারা বোঝা যায় জামার হাতা কতটুকু লম্বা হবে এর বিশেষ কোনও পরিমাপ নেই। যেভাবে সুবিধা হয় সেরকম পরিমাপেই হাতা রাখা যেতে পারে।
অবশ্য অহমিকাবশে কেউ যদি জামার হাতা আঙ্গুলের চেয়েও বেশি লম্বা রাখে, তবে তা নাজায়েয হবে।
হাদীছটি দ্বারা জানা গেল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামাও পরেছেন, যদিও অন্যান্য বর্ণনা দ্বারা বোঝা যায় তিনি বেশিরভাগ রিদা (চাদর) ব্যবহার করতেন। সে জামারও বিশেষ কোনও ধরন ছিল না। যখন যেরকম পাওয়া যেত পরতেন।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. জামা-কাপড়ে সাদামাটা থাকাই উত্তম। এটাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত।
খ. জামার হাতা কব্জির চেয়ে লম্বা জায়েয হলেও কব্জি বরাবর রাখাই শ্রেয়।
এক রেওয়ায়েতে আছে, উতবা ইবন ফারকাদের জামার হাতা আঙ্গুলের নিচে নেমে গেলে হযরত উমর রাযি, অতিরিক্ত অংশটুকু কেটে দিতে চেয়েছিলেন। অপর এক রেওয়ায়েতে আছে, হযরত আলী রাযি. নিজের জন্য একটা জামা কিনেছিলেন। সে জামাটির হাতা লম্বায় আঙ্গুলের নিচে ছিল। তিনি আঙ্গুল বরাবর সেটি কেটে নিয়েছিলেন। বস্তুত তা কাটার কারণ হারাম হওয়া নয়; বরং সুবিধার জন্য। হাতায় আঙ্গুল ঢেকে গেলে কাজকর্ম করতে ব্যাঘাত ঘটে। আঙ্গুল বরাবর থাকলে সুবিধা। আরও বেশি সুবিধা হয় কজি পর্যন্ত হলে। এসব বর্ণনা দ্বারা বোঝা যায় জামার হাতা কতটুকু লম্বা হবে এর বিশেষ কোনও পরিমাপ নেই। যেভাবে সুবিধা হয় সেরকম পরিমাপেই হাতা রাখা যেতে পারে।
অবশ্য অহমিকাবশে কেউ যদি জামার হাতা আঙ্গুলের চেয়েও বেশি লম্বা রাখে, তবে তা নাজায়েয হবে।
হাদীছটি দ্বারা জানা গেল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামাও পরেছেন, যদিও অন্যান্য বর্ণনা দ্বারা বোঝা যায় তিনি বেশিরভাগ রিদা (চাদর) ব্যবহার করতেন। সে জামারও বিশেষ কোনও ধরন ছিল না। যখন যেরকম পাওয়া যেত পরতেন।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. জামা-কাপড়ে সাদামাটা থাকাই উত্তম। এটাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত।
খ. জামার হাতা কব্জির চেয়ে লম্বা জায়েয হলেও কব্জি বরাবর রাখাই শ্রেয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)