আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ১৫৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) কর্তৃক অপছন্দনীয় জিনিস পরিহার ও এড়িয়ে যাওয়া সম্পর্কিত রিওয়ায়াতসমূহ
১৫৪। হযরত ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যখন কোনো বিষয় অপছন্দ করতেন, তা তাঁর পবিত্র মুখমণ্ডল থেকেই অনুমান করা যেতো।
أبواب الكتاب
وَمَا رُوِيَ فِي إِغْضَائِهِ وَإِعْرَاضِهِ عَمَّا كَرِهَهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
154 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ زَاطِيَا أَبُو هَمَّامِ بْنُ شُجَاعٍ، نَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، نَا الْخَلِيلُ بْنُ مُرَّةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي السَّوَّارِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَرِهَ شَيْئًا عُرِفَ ذَلِكَ فِي وَجْهِهِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ বিষয়ে অন্যান্য হাদীস এবং পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সন্তুষ্টির ও অসন্তুষ্টি নিদর্শন”—এ সবিস্তার বর্ণিত হয়েছে। এখানে গ্রন্থকার এ হাদীসটি কেবল এজন্য বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতিটি বিষয়ে সামনা-সামনি কাউকে ভর্ৎসনা করতেন না, বরৎ তিনি কোনো বিষয়কে অপছন্দ করলে নীরব থাকতেন। কিন্তু এই অপছন্দ তাঁর মুখমণ্ডলে অবশ্যই প্রকাশ পেতো। কোনো কোনো অপছন্দনীয় বিষয় এমন হয়, যা কেবল চেহারা দ্বারা প্রকাশ করাই যথেষ্ট হয় এবং কোনো কোনো বিষয় মুখে প্রকাশ করারও প্রয়োজন হয়। প্রথম হাদীসটি শেষোক্ত বিষয় সম্পর্কিত ছিলো । অনুরূপভাবে কোনো কোনো লোক এমন হয়ে থাকে, যাদের সতর্ক করার জন্য কেবল চেহারা দ্বারা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করাই যথেষ্ট হয় এবং কোনো কোনো লোককে সতর্ক করার জন্য মুখে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা আবশ্যক হয়ে পড়ে। এই দুই হাদীসের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কর্ম-পদ্ধতির পার্থক্য এর উপরই নির্ভরশীল। যা হোক, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব লোককে সংশোধন করতে চাইতেন, তিনি তার কথা ও কাজ দ্বারা তার মনে কোনো কষ্ট দিতেন না। কেননা, সংশোধন ও শিক্ষা-দীক্ষার কাজে মনে কষ্ট দান ক্ষতিকর। এতে ভালোর চেয়ে ক্ষতিই বেশি