আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ১০৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) -এর সাহসিকতা ও বীরত্ব
১০৬। হযরত বারাআ ইব্ন আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র কসম! যখন আমাদের যুদ্ধ ভয়ানক আকার ধারণ করত, তখন আমরা প্রিয় নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে আশ্রয় নিতাম। আর আমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিকেই সবচেয়ে বড় সাহসী ও বীর বলে গণ্য করা হতো যিনি যুদ্ধকালে প্রিয় নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে সঙ্গে থাকতেন।
أبواب الكتاب
فَأَمَّا [ص:313] مَا ذُكِرَ مِنْ شَجَاعَتِهِ
106 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَعْدَانَ، نَا إِبْرَاهِيمُ الْجَوْهَرِيُّ، نَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ: «كُنَّا وَاللَّهِ إِذَا احْمَرَّ الْبَأْسُ نَتَّقِي بِهِ، يَعْنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِنَّ الشُّجَاعَ مِنَّا الَّذِي يُحَاذَى بِهِ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চরিত্রে যেভাবে অন্যান্য অতুলনীয় যোগ্যতা ও গুণাবলি পরিপূর্ণভাবে বিদ্যমান ছিল তেমনি সাহসিকতা ও বীরত্বও ছিল অতুলনীয় ও অসীম। বড় বড় যুদ্ধগুলিতে এবং যুদ্ধ জীবনের চরম আতংকের মুহূর্তগুলোর মধ্যেও তিনি এতখানি দুঃসাহসিকতার প্রমাণ দিয়েছিলেন যে, যখন বীর বাহাদুর সাহাবীগণ পর্যন্ত হিম্মতহারা হয়ে যাচ্ছিলেন এবং নিজেরা কোন আশ্রয়ের তালাশ শুরু করেছিলেন। সে মুহূর্তে সকলে তাঁর আশ্রয় পেয়ে পুনর্বার যুদ্ধ চালানোর হিম্মত লাভ করতেন। তা ছাড়া সাহাবীদের মধ্যে তখন তাঁকেই সবচেয়ে শক্তিশালী বীর বলে জ্ঞান করা হতো, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আশ্রয়ে থেকে যুদ্ধ চালনায় দৃঢ় থাকতে সক্ষম হতেন।