ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৮. তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
হাদীস নং: ১৭১৮
তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
সন্তান বিছানার প্রাপ্য
(১৭১৮) আবু হুরাইরা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, সন্তান বিছানার প্রাপ্য এবং ব্যভিচারীর প্রাপ্য প্রস্তর।
كتاب الطلاق
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: الولد للفراش وللعاهر الحجر
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(হাদীসটি বুখারি ও মুসলিম সঙ্কলন করেছেন)। [সহীহ বুখারি, হাদীস-৬৮১৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস-১৪৫৮; সুনান তিরমিযি, হাদীস-১১৫৭; সুনান নাসায়ি, হাদীস-৩৪৮২; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস-২০০৬]
হাদীসের ব্যাখ্যা:
অর্থাৎ, মহিলা যে বৈধ স্বামীর গৃহে অবস্থান করেন তার গর্ভজাত সন্তান সেই স্বামীর বলে গণ্য হবে। মহিলা বা অন্য কেউ যদি দাবি করেন যে, এই সন্তান অবৈধভাবে অন্য কারো ঔরসজাত, তবে সেই দাবির ভিত্তিতে ওই অবৈধ সম্পর্কের দাবীদার ব্যক্তি সন্তানের আইনগত পিতৃত্ব লাভ করবে না, তবে ব্যভিচারের স্বীকৃতির ফলে সে ব্যভিচারের ইসলামি শাস্তি ১০০ বেত্রাঘাত বা প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড লাভ করবে ।
গ্রন্থকার বলেন, এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, সন্তানের পিতৃপরিচয় বা বংশপরিচয় নির্ধারণে বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে অন্য কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা আকৃতি, রঙ ইত্যাদির ভিত্তিতে কোনো মতামত গ্রহণ করা হবে না। বুখারি ও মুসলিম সঙ্কলিত হাদীসে আয়িশা রা. বলেন, আকৃতি দেখে পিতৃপরিচয় নির্ধারণের বিষয়ে অভিজ্ঞ একব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খাদেম যাইদ ইবন হারিসা রা. এবং তার পুত্র উসামা ইবন যাইদ উভয়কে চাদরাবৃত অবস্থায় ঘুমন্ত দেখতে পান। তিনি তাদের উভয়ের পদযুগল দেখতে পেয়ে বলেন, এরা একজন আরেকজনের সন্তান এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনন্দিত হন ।
এই হাদীসের অর্থ এই নয় যে, পিতৃপরিচয় নির্ধারণে শরীআতে এসকল মতামতের কোনো গুরুত্ব আছে। এই হাদীসের পটভূমি হল, যাইদ ইবন হারিসা ফর্সা ছিলেন। তার পুত্র উসামা অত্যন্ত কালো ছিলেন। এজন্য আরবের মানুষেরা উসামার পিতৃপরিচয়ে সন্দেহ করত এবং তাকে অবৈধ বা জারজ বলে অভিযোগ করত। যখন তাদেরই একজন অভিজ্ঞ মানুষ উসামাকে যাইদের সন্তান বলে নির্ধারণ করলেন তখন তাদের মধ্য থেকে এই মিথ্যা সন্দেহ ও অপবাদ দূরীভূত হবে জেনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনন্দিত হন। আল্লাহই ভালো জানেন।
গ্রন্থকার বলেন, এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, সন্তানের পিতৃপরিচয় বা বংশপরিচয় নির্ধারণে বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে অন্য কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা আকৃতি, রঙ ইত্যাদির ভিত্তিতে কোনো মতামত গ্রহণ করা হবে না। বুখারি ও মুসলিম সঙ্কলিত হাদীসে আয়িশা রা. বলেন, আকৃতি দেখে পিতৃপরিচয় নির্ধারণের বিষয়ে অভিজ্ঞ একব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খাদেম যাইদ ইবন হারিসা রা. এবং তার পুত্র উসামা ইবন যাইদ উভয়কে চাদরাবৃত অবস্থায় ঘুমন্ত দেখতে পান। তিনি তাদের উভয়ের পদযুগল দেখতে পেয়ে বলেন, এরা একজন আরেকজনের সন্তান এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনন্দিত হন ।
এই হাদীসের অর্থ এই নয় যে, পিতৃপরিচয় নির্ধারণে শরীআতে এসকল মতামতের কোনো গুরুত্ব আছে। এই হাদীসের পটভূমি হল, যাইদ ইবন হারিসা ফর্সা ছিলেন। তার পুত্র উসামা অত্যন্ত কালো ছিলেন। এজন্য আরবের মানুষেরা উসামার পিতৃপরিচয়ে সন্দেহ করত এবং তাকে অবৈধ বা জারজ বলে অভিযোগ করত। যখন তাদেরই একজন অভিজ্ঞ মানুষ উসামাকে যাইদের সন্তান বলে নির্ধারণ করলেন তখন তাদের মধ্য থেকে এই মিথ্যা সন্দেহ ও অপবাদ দূরীভূত হবে জেনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনন্দিত হন। আল্লাহই ভালো জানেন।