ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৩. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১০০১
নামাযের অধ্যায়
দুই ঈদের সালাত খুতবার আগে
(১০০১) আবু সায়ীদ খুদরি রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সালাতের মাঠে গমন করতেন। তখন সর্বপ্রথম তিনি সালাত আদায় করতেন। এরপর তিনি সালাত শেষ করে মানুষদের মুখোমুখি দাঁড়াতেন। মানুষেরা তাদের কাতারেই বসে থাকতেন। তিনি তখন তাদেরকে ওয়ায করতেন, উপদেশ দিতেন এবং নির্দেশ দিতেন...
كتاب الصلاة
عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يخرج يوم الفطر والأضحى إلى المصلى فأول شيء يبدأ به الصلاة ثم ينصرف فيقوم مقابل الناس والناس جلوس على صفوفهم فيعظهم ويوصيهم ويأمرهم
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
[সহীহ বুখারি, হাদীস-৯৫৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস-৮৮৯]
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলোচ্য হাদীস সূত্রে জানা যায় যে, দুই ঈদের সালাতের জন্য মদীনার মসজিদ এলাকা ছেড়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ যে ঈদগাহ নির্বাচন করেছিলেন সেখানে তিনি সালাত আদায় করতেন এবং এ ছিল তাঁর সাধারণ আমাল। তবে মাঠের চারিপাশ প্রাচীর ঘেরা ছিলনা বরং তা ছিল উন্মুক্ত মাঠ। ঐতিহাসিকগণ লেখেন, এ ঈদগাহ মসজিদে নববী থেকে মাত্র এক হাজার কদম দূরে অবস্থিত ছিল। একবার তিনি বৃষ্টিজনিত কারণে মসজিদে ঈদের সালাত আদায় করেছিলেন। এ বিষয়ে একটি হাদীসে বর্ণনা আছে।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) বর্ণিত এই হাদীস থেকে জানা যায় যে, ঈদের দিন ঈদের সালাত ও খুতবা দান শেষে আল্লাহর তাওহীদের বাণীর আওয়ায বুলন্দ করার লক্ষ্যে সেনাদলকে যুদ্ধাভিযানে প্রেরণ করা হতো এবং ঈদগাহ থেকে তাদের বিদায় অভ্যর্থনা জানানো হতো।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) বর্ণিত এই হাদীস থেকে জানা যায় যে, ঈদের দিন ঈদের সালাত ও খুতবা দান শেষে আল্লাহর তাওহীদের বাণীর আওয়ায বুলন্দ করার লক্ষ্যে সেনাদলকে যুদ্ধাভিযানে প্রেরণ করা হতো এবং ঈদগাহ থেকে তাদের বিদায় অভ্যর্থনা জানানো হতো।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)