ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
২. পাক-পবিত্রতা অর্জনের অধ্যায়
হাদীস নং: ১২৩
পাক-পবিত্রতা অর্জনের অধ্যায়
সালাতের মধ্যে সশব্দে হাসি ওযু নষ্ট করে
(১২৩) জাবির রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কেউ সালাতের মধ্যে সশব্দে হাসে তাহলে তাকে ওযু করতে হবে ও পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে। আর যদি সে মুচকি হাসে তাহলে কোনো কিছুই করতে হবে না।
كتاب الطهارة
عن جابر رضي الله عنه مرفوعا: إذا ضحك الرجل في صلاته فعليه الوضوء والصلاة وإذا تبسم فلا شيء عليه.
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(হাদীসটি ইবন হিব্বান 'কিতাবুদ দুআফা’ নামক গ্রন্থে ‘যয়ীফ’ হাদীস হিসাবে সঙ্কলিত করেছেন। মুফতি আমীমুল ইহসান বলেন, হাদীসটির সনদ হাসান)।* [ইবন হিব্বান, মাজরূহীন ২/২৫৪; যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ১/৫৪]
এই অর্থে আরো মুরসাল ও মুসনাদ হাদীস বর্ণিত হয়েছে ।
* এই হাদীসটির সনদের সকল রাবী গ্রহণযোগ্য। শুধুমাত্র মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন আবী লাইলা (১৪৮ হি.)। তিনি ইমাম আবু হানীফার সমসাময়িক একজন প্রসিদ্ধ ফকীহ ও কুফার কাযি ছিলেন। হাদীস মুখস্থ রাখা ও বিশুদ্ধ বর্ণনার ক্ষেত্রে তার দুর্বলতা ছিল। তবে চার সুনানগ্রন্থে তার হাদীস সঙ্কলিত করা হয়েছে। এ জন্য গ্রন্থকার হাদীসটিকে হাসান বলে গণ্য করেছেন। (অনুবাদক)
এই অর্থে আরো মুরসাল ও মুসনাদ হাদীস বর্ণিত হয়েছে ।
* এই হাদীসটির সনদের সকল রাবী গ্রহণযোগ্য। শুধুমাত্র মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন আবী লাইলা (১৪৮ হি.)। তিনি ইমাম আবু হানীফার সমসাময়িক একজন প্রসিদ্ধ ফকীহ ও কুফার কাযি ছিলেন। হাদীস মুখস্থ রাখা ও বিশুদ্ধ বর্ণনার ক্ষেত্রে তার দুর্বলতা ছিল। তবে চার সুনানগ্রন্থে তার হাদীস সঙ্কলিত করা হয়েছে। এ জন্য গ্রন্থকার হাদীসটিকে হাসান বলে গণ্য করেছেন। (অনুবাদক)