আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
৮- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৭২
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
স্ত্রী অথবা অপর কারো হাতে তালাকের অধিকার অর্পণ করা।
৫৭২। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যদি নিজের তালাকের এখতিয়ার স্ত্রীর উপর ন্যস্ত করে এবং সে যদি তার সাথে থেকে যায় এবং নিজকে তালাক না দেয়, তবে তালাক হবে না।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্ত্রী স্বামীর সাথে থেকে যাওয়াকে অগ্রাধিকার দিলে তালাক হবে না। আর সে যদি নিজকে বেছে নেয় (স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়), তাহলে ব্যাপারটি স্বামীর নিয়াতের উপর নির্ভর করবে। স্বামী যদি স্ত্রীকে এই এখতিয়ার দেয়ার সময় এক তালাকের নিয়াত করে থাকে তবে এক বায়েন তালাক হবে। আর সে যদি তিন তালাকের নিয়াত করে তাহলে তিন তালাক হবে। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের অধিকাংশ ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্ত্রী স্বামীর সাথে থেকে যাওয়াকে অগ্রাধিকার দিলে তালাক হবে না। আর সে যদি নিজকে বেছে নেয় (স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়), তাহলে ব্যাপারটি স্বামীর নিয়াতের উপর নির্ভর করবে। স্বামী যদি স্ত্রীকে এই এখতিয়ার দেয়ার সময় এক তালাকের নিয়াত করে থাকে তবে এক বায়েন তালাক হবে। আর সে যদি তিন তালাকের নিয়াত করে তাহলে তিন তালাক হবে। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের অধিকাংশ ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।**
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّهُ قَالَ: إِذَا مَلَّكَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ أَمْرَهَا فَلَمْ تُفَارِقْهُ وَقَرَّتْ عِنْدَهُ فَلَيْسَ ذَلِكَ بِطَلاقٍ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، إِذَا اخْتَارَتْ زَوْجَهَا فَلَيْسَ ذَلِكَ بِطَلاقٍ وَإِنِ اخْتَارَتْ نَفْسَهَا فَهُوَ عَلَى مَا نَوَى الزَّوْجُ، فَإِنْ نَوَى وَاحِدَةً فَهِيَ وَاحِدَةٌ بَائِنَةٌ، وَإِنْ نَوَى ثَلاثًا فَثَلاثٌ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** স্বামী যদি নিজের তালাকের এখতিয়ার স্ত্রীর উপর ন্যস্ত করে এবং স্ত্রী যদি এই এখতিয়ার প্রয়োগ করে, তবে এ ধরনের তালাককে আইনের পরিভাষায় 'তালাকে তাফবীয' الطلاق التفويض বলে। ইমাম মালেকের মতে, তাফবীয তালাকের মাধ্যমে তিন তালাক অবতীর্ণ হয় এবং ইমাম শাফিঈর মতে এক রিজঈ (প্রত্যাহারযোগ্য) তালাক হয়। ইমাম আহমাদও ইমাম শাফিঈর অনুরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। হানাফী মাযহাবের ফিকহ গ্রন্থ হিদায়ায় উল্লেখ আছে, তাফবীয তালাকের মাধ্যমে এক রিজঈ তালাক অবতীর্ণ হয়। কেউ বলেছেন, এটা ভুলবশত বলা হয়েছে। আবার কেউ বলেছেন, এ সম্পর্কে দু'টি মত রয়েছে। একটি মত হচ্ছে, তাতে রিজঈ তালাক হয়। আর দ্বিতীয় মত হচ্ছে, এক বায়েন তালাক হয়। এই শেষোক্ত মতটিই নির্ভুল। কেননা 'শারহুল বিকায়া' নামক ফিকহ গ্রন্থে এক বায়েন তালাকের কথা উল্লেখ আছে (অনুবাদক)।