আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ

৬- হজ্ব - উমরার অধ্যায়

হাদীস নং: ৪৫২
- হজ্ব - উমরার অধ্যায়
তামাত্তু হজ্জকারীর উপর কোরবানী ওয়াজিব।
৪৫২। উরওয়া ইবনুয যুবায়ের (রাহঃ) বলেন, আয়েশা (রাযিঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি উমরা করে হজ্জের সুযোগ লাভ করে তার উপর রোযা ওয়াজিব, যে ব্যক্তি হজ্জের ইহরামের সময় থেকে আরাফাতের দিন পর্যন্ত কোরবানীর পশুও সংগ্রহ করতে পারেনি এবং রোযাও রাখতে পারেনি সে মিনার দিনগুলোতে রোযা রাখবে।**
كتاب الحج
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُا، أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ: «الصِّيَامُ لِمَنْ تَمَتَّعَ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ مِمَّنْ لَمْ يَجِدْ هَدْيًا مَا بَيْنَ أَنْ يُهِلَّ بِالْحَجِّ إِلَى يَوْمِ عَرَفَةَ، فَإِنْ لَمْ يَصُمْ صَامَ أَيَّامَ مِنًى»

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

** 'রোযাও রাখতে পারেনি' অর্থাৎ কোরবানীর দিনের পূর্বেকার তিন দিন (৭, ৮ ও ৯ যিলহজ্জ) রোযা রাখতে পারেনি। 'সে মিনার দিনগুলোতে রোযা রাখবে' অর্থাৎ তাশরীকের তিন দিন (১১, ১২ ও ১৩ যিলহজ্জ যখন হাজীগণ মিনায় অবস্থান করেন) রোযা রাখবে। হযরত আয়েশা (রা) এবং আরো কতিপয় সাহাবীর এই মত। ইমাম মালেক প্রমুখও এই মত গ্রহণ করেছেন। এ প্রসংগে হানাফী মাযহাবের অভিমত 'রোযা' অধ্যায়ের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে (অনুবাদক)।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান