আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
২- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ২৮৬
- নামাযের অধ্যায়
কেউ কাতার থেকে দূরে রুকূতে শামিল হলে এবং রুকূতে কিরাআত পাঠ করলে।
২৮৬। হাসান বসরী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। আবু বাকরা (রাযিঃ) কাতার থেকে দূরে রুকূতে শামিল হলেন। অতঃপর হেঁটে অগ্রসর হয়ে কাতারে শামিল হলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমার নামায থেকে অবসর হলে তাঁর সামনে এটা উল্লেখ করা হলো। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে বলেনঃ “আল্লাহ যেন তোমার এই আগ্রহ আরো বৃদ্ধি করেন, কিন্তু ভবিষ্যতে আর এরূপ করো না” **
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, অরাও তাই বলি। অর্থাৎ এরূপ করলে নামায তো হয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু এরূপ না করাটা আমাদের কাছে অধিক পছন্দনীয় (বরং প্রথমে কাতারে গিয়ে শামিল হবে, অতঃপর রুকূতে যাবে)।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, অরাও তাই বলি। অর্থাৎ এরূপ করলে নামায তো হয়ে যায় ঠিকই, কিন্তু এরূপ না করাটা আমাদের কাছে অধিক পছন্দনীয় (বরং প্রথমে কাতারে গিয়ে শামিল হবে, অতঃপর রুকূতে যাবে)।
أبواب الصلاة
قَالَ مُحَمَّدٌ: حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ أَبَا بَكْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَكَعَ دُونَ الصَّفِّ، ثُمَّ مَشَى حَتَّى وَصَلَ الصَّفَّ، فَلَمَّا قَضَى صَلاتَهُ ذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ لَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا، وَلا تُعِدْ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: هَكَذَا نَقُولُ: وَهُوَ يُجْزِئُ، وَأَحَبُّ إِلَيْنَا أَنْ لا يَفْعَلَ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** ইমাম মালেক বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)-ও রুকু অবস্থায় অগ্রসর হতেন। তবে আবু হুরায়রা (রা) বলেন, “তুমি রুকূ করো না যতোক্ষণ কাতারে গিয়ে শামিল না হও”। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে একথা বলেছেন। ইমাম শাফিঈর মতে কাতারে শামিল হয়ে রুকূতে যাওয়া মুস্তাহাব। তবে কেউ কাতারে শামিল না হয়েই রুকূতে গেলে তাতে আপত্তির কিছু নেই। ইমাম মালেক একক ব্যক্তির জন্য রুকূ অবস্থায় হেঁটে গিয়ে কাতারে শামিল হওয়া জাযেয় রেখেছেন, যদি সে কাতারের কাছাকাছি থেকে থাকে। ইমাম আবু হানীফা ও সুফিয়ান সাওরী একক ব্যক্তির ক্ষেত্রেও এটা করা মাকরূহ বলেছেন (অনুবাদক)।