আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ

৫৮- যবাহ করা ও শিকারের অধ্যায়

হাদীস নং: ৫০৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৪৯৫
- যবাহ করা ও শিকারের অধ্যায়
২৯০৯. ফড়িং খাওয়া
৫০৯৯। আবুল ওয়ালীদ (রাহঃ) ......... ইবনে আবু ‘আওফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী করীম (ﷺ) -এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি। আমরা তার সঙ্গে ফড়িংও খাই।
সুফিয়ান, আবু আওয়ানা ও ইসরাইল এরা আবু ইয়াফুর ইবনে ‘আওফার সূত্রে বর্ণনা করেছেন সাতটি যুদ্ধে।
كتاب الذبائح والصيد
باب أَكْلِ الْجَرَادِ
5495 - حَدَّثَنَا أَبُو الوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «غَزَوْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَبْعَ غَزَوَاتٍ أَوْ سِتًّا، كُنَّا نَأْكُلُ مَعَهُ الجَرَادَ» قَالَ سُفْيَانُ، وَأَبُو عَوَانَةَ، وَإِسْرَائِيلُ: عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، عَنْ ابْنِ أَبِي أَوْفَى: «سَبْعَ غَزَوَاتٍ»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আবু দাউদ শরীফে হযরত সালমান ফারসী রাযি. থেকে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে টিড্ডি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন: «أكثر جنود الله لا آكله ولا أحرمه» (অর্থাৎ, আল্লাহর অনেক মাখলুক তথা জীবজন্তু এমন রয়েছে যে, আমি নিজে তো এগুলো খাই না, কিন্তু হারামও বলি না।) উদ্দেশ্য এই যে, এটা হালাল এবং মানুষ এটা খেতে পারে।

এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, হুযুর (ﷺ) নিজে টিড্ডি খেতেন না। এর আলোকে হাদীস ব্যাখ্যাতাগণ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর উপরের হাদীসের মর্ম এই বর্ণনা করেছেন যে, সাহাবায়ে কেরাম হুযুর (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধের সময় টিড্ডিও খেতেন এবং তিনি নিষেধ করতেন না। এ অর্থের একটি ইঙ্গিত এটাও যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী আওফা রাযি.-এর এ হাদীসেরই বিভিন্ন বর্ণনায় معه অর্থাৎ, তাঁর সাথে শব্দটি নেই; বরং সেখানে শেষ শব্দমালা এই: كنا نأكل الجراد অর্থাৎ, আমরা টিড্ডি খেতাম।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)