শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
২১. মাকরুহ বিষয়াদির বর্ণনা
হাদীস নং: ৬৬৫২
মাকরুহ বিষয়াদির বর্ণনা
যে ব্যক্তি বাগানের নিকট দিয়ে অতিক্রম করে, তার জন্য উক্ত বাগানের ফল খাওয়া জায়েয কি না?
৬৬৫২। রাবী আল-জীযী ……. উম্মারা ইবন হারিসা হযরত আমর ইয়াসরিবী (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিতে গিয়ে বললেন, কারো জন্য তার ভাইয়ের মাল তার মনের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল নয়। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! যদি আমি আমার চাচাত ভাইয়ের ছাগলের সাক্ষাত পাই, তবে কি আমি তা হতে কোন কিছু ধরতে পারি? তখন তিনি বললেন, যদি প্রশস্ত লতাপাতা ও ঘাস-শূন্য ময়দানেও ছুরি ও যবেহ করার বস্তু বহন করছে এমন অবস্থায় তার সাথে তোমার সাক্ষাত ঘটে, তবুও তাকে ধরার জন্য তুমি তার ওপর লাফিয়ে পড়বে না ।
আমাদের উল্লেখিত এ সব হাদীস, প্রথম হাদীসের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে যারা যে মত পেশ করেছেন, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি, তার জন্য বাধার সৃষ্টি করে। তারা যে মত পেশ করেছেন, তা যদি প্রমাণিত হয় তবে এ সম্ভাবনা আছে যে, উক্ত হাদীস এমন অবস্থায় জন্য প্রযোজ্য, যখন মেহমানদারী করা ওয়াজিব ছিল এবং যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মুসাফির ও পথিকদের মেহমানদারী করার জন্য সে সকল লোককে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা তাদের ওপর ওয়াজিব করেছিলেন যাদের নিকট মুসাফির অবতরণ করত। আর এ বিষয়ে–
আমাদের উল্লেখিত এ সব হাদীস, প্রথম হাদীসের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে যারা যে মত পেশ করেছেন, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি, তার জন্য বাধার সৃষ্টি করে। তারা যে মত পেশ করেছেন, তা যদি প্রমাণিত হয় তবে এ সম্ভাবনা আছে যে, উক্ত হাদীস এমন অবস্থায় জন্য প্রযোজ্য, যখন মেহমানদারী করা ওয়াজিব ছিল এবং যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মুসাফির ও পথিকদের মেহমানদারী করার জন্য সে সকল লোককে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা তাদের ওপর ওয়াজিব করেছিলেন যাদের নিকট মুসাফির অবতরণ করত। আর এ বিষয়ে–
كتاب الكراهة
6652 - حَدَّثَنَا رَبِيعٌ الْجِيزِيُّ، قَالَ: ثنا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالَ: ثنا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ حَارِثَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَثْرِبِيٍّ، قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ «لَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ مِنْ مَالِ أَخِيهِ شَيْءٌ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ» قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ , إِنْ لَقِيتُ غَنَمَ ابْنِ عَمِّي , آخُذُ مِنْهَا شَيْئًا؟ فَقَالَ: «إِنْ لَقِيتَهَا تَحْمِلُ شَفْرَةً وَأَزْنَادًا بِخَبْتِ الْجَمِيشِ فَلَا تَهِجْهَا» فَهَذِهِ الْآثَارُ الَّتِي ذَكَرْنَا , تَمْنَعُ مَا تَوَهَّمَ مَنْ ذَهَبَ فِي تَأْوِيلِ الْحَدِيثِ الْأَوَّلِ , إِلَى مَا ذَكَرْنَاهُ. [ص:242] وَلَوْ ثَبَتَ مَا ذَهَبَ إِلَيْهِ مِنْ ذَلِكَ , لَاحْتَمَلَ أَنْ يَكُونَ ذَلِكَ الْحَدِيثُ , كَانَ فِي حَالِ وُجُوبِ الضِّيَافَةِ , حِينَ أَمَرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَا , وَأَوْجَبَهَا لِلْمُسَافِرِينَ , عَلَى مَنْ حَلُّوا بِهِ