শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৮. আদালত-বিচার-সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
হাদীস নং: ৬১২৪
আদালত-বিচার-সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
একজন সাক্ষী ও কসম দ্বারা ফয়সালা করা প্রসঙ্গে
৬১২৪। ইবরাহীম ইবন মারকও মুহাম্মাদ ইবন খুযায়মা .....অলকামা ইব্ন ওয়ায়ল হযরত ওয়ায়ল ইবন হুজর (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমন সময় তাঁর দরবারে দু-ব্যক্তি উপস্থিত হলো। যারা একটি জমিন নিয়ে ঝগড়া করছিল। তাদের একজন বললাে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই ব্যক্তি জাহিলী যুগে জোরপূর্বক তার জমিন দখল করছে। এই দাবি উত্থাপনকারী ব্যক্তি হলো ইমরুল কায়স ইবন আয়েস আল-কিন্দী। আর তার বিপক্ষের লােকটি হলাে রবী ইবন উনয়ন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি তােমার দলীল পেশ কর। সে বলল, আমার কোন দলীল নেই। তিনি বললেন, তাহলে তাে তা হলফ গ্রহণ করতে হবে। লােকটি বলল, তবে তাে হলফ করে সে যমীন নিয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তােমার জন্য এছাড়া কোন পথ নেই! অতঃপর বিবাদী ব্যক্তি যখন হলফ করার জন্য দাড়িয়ে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যে ব্যক্তি যুলম করে অন্যের যমীন হরণ করবে, আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় তার সাক্ষাত ঘটবে যে, তিনি তখন হবেন ক্রোধান্বিত।
হাফিয (রাহঃ) তাঁর الاماله গ্রন্থে বলেন, এই কিন্দী ব্যক্তি আন-নুজাইর কিল্লা অবরােধকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মুরতাদরা যখন লড়াই করার উদ্দেশ্যে কিল্লা হতে বের হয়েছিল, তখন তিনি তার চাচাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে লাফ দিলেন। তার চাচা বলল, তােমার সর্বনাশ হােক, আমাকে তুমি হত্যা করবে? অথচ আমি তােমার চাচা। তিনি বললেন, হ্যা, আপনি আমার চাচা কিন্তু আল্লাহ আমার প্রতিপালক! এ কথা বলেই তিনি তাকে হত্যা করলেন।
হাফিয (রাহঃ) তাঁর الاماله গ্রন্থে বলেন, এই কিন্দী ব্যক্তি আন-নুজাইর কিল্লা অবরােধকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মুরতাদরা যখন লড়াই করার উদ্দেশ্যে কিল্লা হতে বের হয়েছিল, তখন তিনি তার চাচাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে লাফ দিলেন। তার চাচা বলল, তােমার সর্বনাশ হােক, আমাকে তুমি হত্যা করবে? অথচ আমি তােমার চাচা। তিনি বললেন, হ্যা, আপনি আমার চাচা কিন্তু আল্লাহ আমার প্রতিপালক! এ কথা বলেই তিনি তাকে হত্যা করলেন।
كتاب القضاء والشهادات
6124 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ خُزَيْمَةَ، جَمِيعًا قَالَا: ثنا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَاهُ رَجُلَانِ يَخْتَصِمَانِ فِي أَرْضٍ. [ص:148] فَقَالَ أَحَدُهُمَا: إِنَّ هَذَا يَا رَسُولَ اللهِ انْتَزَأَ عَلَى أَرْضِهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَهُوَ امْرُؤُ الْقَيْسِ بْنُ عَائِشٍ الْكِنْدِيُّ وَخَصْمُهُ رَبِيعَةُ بْنُ عَبْدَانَ. فَقَالَ لَهُ: «بَيِّنَتُكَ» فَقَالَ: لَيْسَ لِي بَيِّنَةٌ قَالَ: «يَمِينُهُ» قَالَ: إِذًا يَذْهَبُ بِهَا قَالَ: «لَيْسَ لَكَ إِلَّا ذَلِكَ» . فَلَمَّا قَامَ لِيَحْلِفَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ اقْتَطَعَ أَرْضًا ظَالِمًا لَقِيَ اللهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ»