শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৪. উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৮৪৩
উপহার ও সাদ্কা প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়
হেবা প্রত্যাহার প্রসঙ্গ
৫৮৪৩। আবু বাকরা ..... আইয়ুব মুহাম্মাদ হতে বর্ণনা করেন, একদা এক মহিলা তার স্বামীকে হেবা করল। অতঃপর সে পুনরায় তা ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছা করলে তারা উভয়ই হযরত শুরায়হ (রাহঃ)- এর নিকট মামলা দায়ের করল। হযরত শুরায়হ স্বামীকে বললেন : এই শর্তে তুমি তোমার দুজন সাক্ষী পেশ করা জরুরী যে, তারা দু'জনই তাকে (স্ত্রীকে) দেখেছে যে, সে কোন প্রকার জোর-জুলুম প্রয়োগ করা ছাড়াই তোমাকে হেবা করেছে। যদি এমন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারো, তবে উক্ত মহিলার এই মর্মে শপথ গ্রহণ করতে হবে যে, জোর-জুলুমের কারনে সে তোমাকে হেবা করেছ (স্বেচ্ছায় নয়)।
এই যে হযরত শুরায়হ (রাহঃ) স্ত্রী -স্বামীর নিকট হতে হেবার মাল পুনঃ ফিরিয়ে নেবার ইচ্ছা ব্যক্ত করার পর তিনি স্বামীকে এই মর্মে দলীল-প্রমান পেশ করার জন্য নির্দেশ দিলেন যে, উক্ত মহিলা কোন জোর-যুলুম ছাড়াই স্বেচ্ছায় তাকে হেবা করেছে। তার এ পদক্ষেপ এ কথাই প্রমাণ করে যে, তার মতে যদি স্ত্রীর তার স্বামীকে হেবা করা প্রমাণিত হয়, তবে হেবার মাল স্বামীকেই ফিরিয়ে দেয়া হবে (যদি স্ত্রী তার নিকট হতে নিয়ে থাকে)। স্ত্রীর জন্য পুনরায় তা ফিরিয়ে নেয়া জায়েয নয়। অথচ হযরত শুরায়হ (রাহঃ)- এর মত হলো মাহরাম ছাড়া অন্যকে হেবা করলে হেবাকারীর জন্য তা ফেরত নেয়া জায়েয আছে। কিন্তু এখানে তিনি স্ত্রীকে স্বামীর জন্য মাহরামের পর্যায়ে উপনীত করেছেন। অতএব আমরাও তার এই মত সমর্থন করি।
আর স্বামী যদি স্ত্রীকে হেবা করে, তবে (স্বামীর পক্ষেও যে তা ফেরত নেয়া জায়েয নয়) সে সম্পর্কে :
এই যে হযরত শুরায়হ (রাহঃ) স্ত্রী -স্বামীর নিকট হতে হেবার মাল পুনঃ ফিরিয়ে নেবার ইচ্ছা ব্যক্ত করার পর তিনি স্বামীকে এই মর্মে দলীল-প্রমান পেশ করার জন্য নির্দেশ দিলেন যে, উক্ত মহিলা কোন জোর-যুলুম ছাড়াই স্বেচ্ছায় তাকে হেবা করেছে। তার এ পদক্ষেপ এ কথাই প্রমাণ করে যে, তার মতে যদি স্ত্রীর তার স্বামীকে হেবা করা প্রমাণিত হয়, তবে হেবার মাল স্বামীকেই ফিরিয়ে দেয়া হবে (যদি স্ত্রী তার নিকট হতে নিয়ে থাকে)। স্ত্রীর জন্য পুনরায় তা ফিরিয়ে নেয়া জায়েয নয়। অথচ হযরত শুরায়হ (রাহঃ)- এর মত হলো মাহরাম ছাড়া অন্যকে হেবা করলে হেবাকারীর জন্য তা ফেরত নেয়া জায়েয আছে। কিন্তু এখানে তিনি স্ত্রীকে স্বামীর জন্য মাহরামের পর্যায়ে উপনীত করেছেন। অতএব আমরাও তার এই মত সমর্থন করি।
আর স্বামী যদি স্ত্রীকে হেবা করে, তবে (স্বামীর পক্ষেও যে তা ফেরত নেয়া জায়েয নয়) সে সম্পর্কে :
كتاب الهبة والصدقة
5843 - فَإِنَّ أَبَا بَكْرَةَ قَدْ حَدَّثَنَا قَالَ: ثنا أَبُو عُمَرَ قَالَ: أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ مُحَمَّدٍ أَنَّ امْرَأَةً وَهَبَتْ لِزَوْجِهَا هِبَةً ثُمَّ رَجَعَتْ فِيهَا فَاخْتَصَمَا إِلَى شُرَيْحٍ فَقَالَ لِلزَّوْجِ شَاهِدَاكَ أَنَّهُمَا رَأَيَاهَا وَهَبَتْ لَكَ مِنْ غَيْرِ كُرْهٍ وَلَا هَوَانٍ وَإِلَّا فَيَمِينُهَا لَقَدْ وَهَبَتْ لَكَ عَنْ كُرْهٍ وَهَوَانٍ فَهَذَا شُرَيْحٌ قَدْ سَأَلَ الزَّوْجَ الْبَيِّنَةَ أَنَّهَا وَهَبَتْ لَهُ لَا عَنْ كُرْهٍ بَعْدَ ارْتِجَاعِهَا فِي الْهِبَةِ. [ص:84] فَدَلَّ ذَلِكَ أَنَّ السُّنَّةَ لَوْ ثَبَتَتْ عِنْدَهُ عَلَى ذَلِكَ لَرَدَّ الْهِبَةَ إِلَيْهَا وَلَمْ يَجُزْ لَهَا الرُّجُوعُ فِيهَا. وَقَدْ كَانَ مِنْ رَأْيِهِ أَنَّ لِلْوَاهِبِ الرُّجُوعَ فِي هِبَتِهِ إِلَّا مِنْ ذِي الرَّحِمِ الْمَحْرَمِ فَجَعَلَ الْمَرْأَةَ فِي هَذَا كَذِي الرَّحِمِ الْمَحْرَمِ فَهَكَذَا نَقُولُ. وَأَمَّا هِبَةُ الزَّوْجِ لِامْرَأَتِهِ