শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৬৫১
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
৯. যা বিক্রয় করা হতে নিষেধ করা হয়েছে যাবত না তা কবযা করা হবে
৫৬৫১। ইবন আবী দাউদ বলেন, ..... হিযাম ইবন হাকীম হযরত হাকীম ইবন হিযাম, (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি খাদ্য ক্রয় করে কবযা করার পূর্বেই তা বিক্রয় করে লাভ করতাম। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, তুমি তা বিক্রয় করনা যাবত না কবযা করবে।
আলোচনা
আবু জা'ফর (রাহঃ) বলেনঃ একদল উলামা-ই কিরাম* এমত পোষণ করেন, যে ব্যক্তি খাদ্য ক্রয় করবে তার পক্ষে তা কবযা করার পূর্বে বিক্রয় করা জায়িয নয়। অবশ্য যে ব্যক্তি খাদ্য ব্যতীত অন্য কোন বস্তু ক্রয় করবে তার পক্ষে তা কবযা না করেও বিক্রয় করা বৈধ। তাঁরা উল্লেখিত এসব রিওয়ায়াতকেই প্রমাণরূপে পেশ করেন । তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন তাঁর নিষেধাজ্ঞা দ্বারা খাদ্যকেই উদ্দেশ্য করেছেন, তখন এটা প্রমাণ করে যে, 'অ-খাদ্যের' হুকুম খাদ্যের হুকুমের বিপরীত। এ বিষয়ে উলামা-ই কিয়াসের অন্য একটি জামাত** এদের বিপরীত মত পোষণ করেন। তারা বলেন, উল্লেখিত হাদীসসমূহে যদিও রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর নিষেধাজ্ঞা খাদ্য সম্পর্কেই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ নিষেধাজ্ঞা খাদ্য এবং 'অ-খাদ্য' সর্বত্র প্রযোজ্য । আর এ ব্যাপারে তারা নিম্নের এ হাদীসসমূহ দলীল হিসেবে পেশ করেনঃ
আলোচনা
আবু জা'ফর (রাহঃ) বলেনঃ একদল উলামা-ই কিরাম* এমত পোষণ করেন, যে ব্যক্তি খাদ্য ক্রয় করবে তার পক্ষে তা কবযা করার পূর্বে বিক্রয় করা জায়িয নয়। অবশ্য যে ব্যক্তি খাদ্য ব্যতীত অন্য কোন বস্তু ক্রয় করবে তার পক্ষে তা কবযা না করেও বিক্রয় করা বৈধ। তাঁরা উল্লেখিত এসব রিওয়ায়াতকেই প্রমাণরূপে পেশ করেন । তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যখন তাঁর নিষেধাজ্ঞা দ্বারা খাদ্যকেই উদ্দেশ্য করেছেন, তখন এটা প্রমাণ করে যে, 'অ-খাদ্যের' হুকুম খাদ্যের হুকুমের বিপরীত। এ বিষয়ে উলামা-ই কিয়াসের অন্য একটি জামাত** এদের বিপরীত মত পোষণ করেন। তারা বলেন, উল্লেখিত হাদীসসমূহে যদিও রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর নিষেধাজ্ঞা খাদ্য সম্পর্কেই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এ নিষেধাজ্ঞা খাদ্য এবং 'অ-খাদ্য' সর্বত্র প্রযোজ্য । আর এ ব্যাপারে তারা নিম্নের এ হাদীসসমূহ দলীল হিসেবে পেশ করেনঃ
كتاب البيوع و الصرف
5651 - حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ، قَالَ: ثنا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ: ثنا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ حِزَامِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، قَالَ: كُنْتُ أَشْتَرِي طَعَامًا , فَأَرْبَحُ فِيهَا قَبْلَ أَنْ أَقْبِضَهُ فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «لَا تَبِعْهُ حَتَّى تَقْبِضَهُ» قَالَ: أَبُو جَعْفَرٍ: فَذَهَبَ قَوْمٌ إِلَى أَنَّ مَنِ اشْتَرَى طَعَامًا مَا , لَمْ يَجُزْ لَهُ بَيْعُهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ , وَمَنِ اشْتَرَى غَيْرَ الطَّعَامِ , حَلَّ لَهُ بَيْعُهُ وَإِنْ لَمْ يَقْبِضْهُ , وَاحْتَجُّوا فِي ذَلِكَ بِهَذِهِ الْآثَارِ. وَقَالُوا: لَمَّا قَصَدَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّهْيِ إِلَى الطَّعَامِ , دَلَّ ذَلِكَ أَنَّ حُكْمَ غَيْرِ الطَّعَامِ فِي ذَلِكَ , بِخِلَافِ حُكْمِ الطَّعَامِ. وَخَالَفَهُمْ فِي ذَلِكَ آخَرُونَ , فَقَالُوا ذَلِكَ النَّهْيُ قَدْ وَقَعَ عَلَى الطَّعَامِ وَغَيْرِ الطَّعَامِ , وَإِنْ كَانَ الْمَذْكُورُ فِي الْآثَارِ الَّتِي ذُكِرَ ذَلِكَ النَّهْيُ فِيهَا هُوَ الطَّعَامُ
وَاحْتَجُّوا فِي ذَلِكَ بِمَا
وَاحْتَجُّوا فِي ذَلِكَ بِمَا
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
* আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা-ই কিরাম দ্বারা, উসমান আলবিত্তী, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, হাসান, আওযাঈ, ইসহাক, এক বিওয়ায়াত মুতাবিক, ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ উদ্দেশ্য।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা-ই কিরাম হলেন, আতা ইবন আবী রাবাহ, ছাওরী, সুফয়ান ইবন উয়ায়নাহ, ইমাম আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ মুহাম্মদ, নতুন মতে ইমাম শাফেঈ, এক বর্ণনা মতে ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ আবূ ছাওরী ও দাউদ (র)।
** আল্লামা আইনী (র) বলেন, এ সমস্ত উলামা-ই কিরাম হলেন, আতা ইবন আবী রাবাহ, ছাওরী, সুফয়ান ইবন উয়ায়নাহ, ইমাম আবূ হানীফা, আবূ ইউসুফ মুহাম্মদ, নতুন মতে ইমাম শাফেঈ, এক বর্ণনা মতে ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ আবূ ছাওরী ও দাউদ (র)।