শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১৩. যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
হাদীস নং: ৫৬৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৬৩১
যাবতীয় ক্রয়-বিক্রয়র অধ্যায়
৮. কেউ ফল ক্রয় করে কবয করার পর তা বিপদ গ্রস্ত হলে
৫৬৩০-৩১। ইসমাঈল ইব্ন ইয়াহইয়া আলমুযানী বলেন, .... হযরত জাবির ইব্ন আব্দিল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) একাধিক বছরের জন্য কেরায়া দেয়া হতে নিষেধ করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মাল (এর মূল্য) রহিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
ইসমাঈল ইবন ইয়াহইয়া বলেন, ..... হযরত জাবির নবী (ﷺ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ইসমাঈল ইবন ইয়াহইয়া বলেন, ..... হযরত জাবির নবী (ﷺ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
كتاب البيوع و الصرف
بَابٌ الرَّجُلُ يَشْتَرِي الثَّمَرَةَ فَيَقْبِضُهَا فَيُصِيبُهَا جَائِحَةٌ
5630 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى الْمُزَنِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حُمَيْدٍ الْأَعْرَجِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَتِيقٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعِ السِّنِينَ , وَأَمَرَ بِوَضْعِ الْجَوَائِحِ
5631 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
5631 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
বাগানের ফসল কয়েক বছরের জন্য বিক্রি করা এজন্যই নিষেধ করা হয়েছে যে, জানা নেই ফল আসবে কি-না। এরপর আল্লাহ না করুন হঠাৎ কোন দুর্যোগের কবলে পড়লে বেচারা অতিশয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সে মূল্য পরিশোধ করতে চাইবে না। এতে মনোমালিন্য ও ঝগড়া হবে যা শত অনিষ্টের মূল। আলোচ্য হাদীসে দ্বিতীয় নির্দেশ এই দেওয়া হয়েছে যে, যদি বাগানের ফসল বিক্রি করা হয়ে থাকে এবং ফসলের উপর কোন বিপদ এসে পড়ে তবে বাগানের মালিক ক্ষতির হিসাবে মূল্য কম ও ছাড় দিবে।
এ কথা সুস্পষ্ট যে, এসব নির্দেশের উদ্দেশ্য লেন-দেন কারীদের কল্যাণকামিতা ও তাদেরকে পারস্পরিক বিভেদ ও ঝগড়া থেকে বাঁচানো এবং একে অন্যের প্রতি সহানুভূতি, সহমর্মিতা, অন্যকে প্রাধান্য প্রদান ও আত্মত্যাগে অভ্যস্ত করা।
এ কথা সুস্পষ্ট যে, এসব নির্দেশের উদ্দেশ্য লেন-দেন কারীদের কল্যাণকামিতা ও তাদেরকে পারস্পরিক বিভেদ ও ঝগড়া থেকে বাঁচানো এবং একে অন্যের প্রতি সহানুভূতি, সহমর্মিতা, অন্যকে প্রাধান্য প্রদান ও আত্মত্যাগে অভ্যস্ত করা।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)