শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
১২. জিহাদের বিধানাবলী সম্পর্কিত
হাদীস নং: ৫২৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫২৬৪
জিহাদের বিধানাবলী সম্পর্কিত
১২. যে দারুল হারবে ইসলাম গ্রহণ করল এবং তার চারজনের অধিক স্ত্রী ছিলো
৫২৬৩-৬৪। নসর ইবন মারযূক (রাহঃ) ও ইবন আবী দাউদ (রাহঃ) .....ইবন শিহাব (যুহরী) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে উসমান ইব্ন মুহাম্মাদ ইব্ন আবী সুওয়ায়দ (রাহঃ) থেকে এই বিষয়টি পৌঁছেছে যে, যখন গায়লান ইব্ন সালামা ছাকাফী (রাযিঃ) ইসলাম গ্রহণ করলেন এবং তাঁর ছিলো দশজন স্ত্রী, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাদের থেকে চারজনকে বাছাই করে নাও এবং অবশিষ্টদেরকে পৃথক করে দাও।
আকীল (রাহঃ) যুহরী (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করে এতে স্পষ্টত বর্ণনা করছেন যে, এই হাদীসটির উৎস কি, কোথা থেকে এসেছে এটি। তিনি এটিকে ঐ ব্যক্তি থেকে গ্রহণ করেছেন, যার পর্যন্ত এই রিওয়ায়াতটি উসমান ইবন মুহাম্মাদ (রাহঃ) থেকে পৌঁছেছে এবং তিনি নবী (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। এটা অসম্ভব যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যুহরী (রাহঃ)-এর নিকট সালিম (রাহঃ) তাঁর পিতা (ইবন উমার রা)-এর সূত্রে কোন রিওয়ায়াত বিদ্যমান থাকবে, আর তিনি তার দ্বারা প্রমাণ উপস্থাপন করা ব্যতীত ওই রিওয়ায়াত দ্বারা প্রমাণ পেশ করবেন, যা তাঁর পর্যন্ত উসমান ইব্ন মুহাম্মাদ ইবন আবু সুওয়ায়দ সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে পৌঁছেছে। কিন্তু এই হাদীসে রাবী মা'মার (রাহঃ) এসেছেন। কেননা তাঁর নিকট গায়লান (রাহঃ)-এর ঘটনা সম্পর্কীয় যুহরী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত দু'টি হাদীস আছে। এর একটি হলো উল্লেখিত এই হাদীস এবং দ্বিতীয়টি হলো সালিম (রাহঃ) তার পিতা (ইবন উমার রা) থেকে বর্ণিত যে, গায়লান ইবন সালামা (রাযিঃ) তার স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়েছিলেন এবং নিজের সম্পদ বণ্টন করেছিলেন। উমার (রাযিঃ) বিষয়টি জানতে পেরে তাকে তার স্ত্রীদের এবং সম্পদসমূহ ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিলেন। আর বললেন, যদি তুমি এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ কর তাহলে আমি তোমার কবরে এমন ভাবে প্রস্তর নিক্ষেপ করব, যেভাবে জাহিলী যুগে আবু রিগালের১ কবরে প্রস্তর নিক্ষেপ করা হত। এই হাদীসে মা'মার (রাহঃ) থেকে ভুল হয়েছে। তিনি এই হাদীসের সনদকে যাতে উমার (রাযিঃ)-এর বক্তব্য ছিলো, ওই
হাদীসের সনদ বানিয়ে দিয়েছেন, যাতে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর বক্তব্য ছিলো। সুতরাং সনদের দিক দিয়ে এই হাদীসটি বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে।
অতঃপর যদি ওই রিওয়ায়াতটি সাব্যস্তও হয়, যা আব্দুল আ'লা মা'মার (রাহঃ) সুত্রে যুহবী (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তখনো তাতে আমাদের নিকট ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-ও ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ)-এর মাযহাবের উপর কোন রূপ দলীল নেই। কেননা গায়লানের বিবাহ জাহিলী যুগে সংঘটিত হয়েছিলো, যা সাঈদ ইবন আবী আরূবা (রাহঃ) মা'মার (রাহঃ) সূত্রে এই হাদীসে বর্ণনা করেছেন :
আকীল (রাহঃ) যুহরী (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করে এতে স্পষ্টত বর্ণনা করছেন যে, এই হাদীসটির উৎস কি, কোথা থেকে এসেছে এটি। তিনি এটিকে ঐ ব্যক্তি থেকে গ্রহণ করেছেন, যার পর্যন্ত এই রিওয়ায়াতটি উসমান ইবন মুহাম্মাদ (রাহঃ) থেকে পৌঁছেছে এবং তিনি নবী (ﷺ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। এটা অসম্ভব যে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যুহরী (রাহঃ)-এর নিকট সালিম (রাহঃ) তাঁর পিতা (ইবন উমার রা)-এর সূত্রে কোন রিওয়ায়াত বিদ্যমান থাকবে, আর তিনি তার দ্বারা প্রমাণ উপস্থাপন করা ব্যতীত ওই রিওয়ায়াত দ্বারা প্রমাণ পেশ করবেন, যা তাঁর পর্যন্ত উসমান ইব্ন মুহাম্মাদ ইবন আবু সুওয়ায়দ সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে পৌঁছেছে। কিন্তু এই হাদীসে রাবী মা'মার (রাহঃ) এসেছেন। কেননা তাঁর নিকট গায়লান (রাহঃ)-এর ঘটনা সম্পর্কীয় যুহরী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত দু'টি হাদীস আছে। এর একটি হলো উল্লেখিত এই হাদীস এবং দ্বিতীয়টি হলো সালিম (রাহঃ) তার পিতা (ইবন উমার রা) থেকে বর্ণিত যে, গায়লান ইবন সালামা (রাযিঃ) তার স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়েছিলেন এবং নিজের সম্পদ বণ্টন করেছিলেন। উমার (রাযিঃ) বিষয়টি জানতে পেরে তাকে তার স্ত্রীদের এবং সম্পদসমূহ ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিলেন। আর বললেন, যদি তুমি এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ কর তাহলে আমি তোমার কবরে এমন ভাবে প্রস্তর নিক্ষেপ করব, যেভাবে জাহিলী যুগে আবু রিগালের১ কবরে প্রস্তর নিক্ষেপ করা হত। এই হাদীসে মা'মার (রাহঃ) থেকে ভুল হয়েছে। তিনি এই হাদীসের সনদকে যাতে উমার (রাযিঃ)-এর বক্তব্য ছিলো, ওই
হাদীসের সনদ বানিয়ে দিয়েছেন, যাতে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর বক্তব্য ছিলো। সুতরাং সনদের দিক দিয়ে এই হাদীসটি বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে।
অতঃপর যদি ওই রিওয়ায়াতটি সাব্যস্তও হয়, যা আব্দুল আ'লা মা'মার (রাহঃ) সুত্রে যুহবী (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তখনো তাতে আমাদের নিকট ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-ও ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ)-এর মাযহাবের উপর কোন রূপ দলীল নেই। কেননা গায়লানের বিবাহ জাহিলী যুগে সংঘটিত হয়েছিলো, যা সাঈদ ইবন আবী আরূবা (রাহঃ) মা'মার (রাহঃ) সূত্রে এই হাদীসে বর্ণনা করেছেন :
كتاب السير
5263 - حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ مَرْزُوقٍ , وَابْنُ أَبِي دَاوُدَ قَالَا: ثنا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ: حَدَّثَنِي اللَّيْثُ , قَالَ: حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ , عَنِ ابْنِ شِهَابٍ , قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سُوَيْدٍ , أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِغَيْلَانَ بْنِ سَلَمَةَ الثَّقَفِيِّ , حِينَ أَسْلَمَ وَتَحْتَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ خُذْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا , وَفَارِقْ سَائِرَهُنَّ " فَبَيَّنَ عُقَيْلٌ فِي هَذَا , عَنِ الزُّهْرِيِّ , مَخْرَجَ هَذَا الْحَدِيثِ , وَأَنَّهُ إِنَّمَا أَخَذَهُ عَمَّا بَلَغَهُ , عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَاسْتَحَالَ أَنْ يَكُونَ الزُّهْرِيُّ عِنْدَهُ فِي هَذَا شَيْءٌ , عَنْ سَالِمٍ , عَنْ أَبِيهِ , فَيَدَعُ الْحُجَّةَ بِهِ , وَيَحْتَجُّ بِمَا بَلَغَهُ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سُوَيْدٍ , عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , وَلَكِنْ إِنَّمَا أَتَى مَعْمَرٌ فِي هَذَا الْحَدِيثِ لِأَنَّهُ كَانَ عِنْدَهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ , فِي قِصَّةِ غَيْلَانِ حَدِيثَانِ , هَذَا أَحَدُهُمَا , وَالْآخَرُ
5264 - عَنْ سَالِمٍ , عَنْ أَبِيهِ , أَنَّ غَيْلَانَ بْنَ سَلَمَةَ طَلَّقَ نِسَاءَهُ , وَقَسَمَ مَالَهُ , فَبَلَغَ ذَلِكَ عُمَرُ , فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْتَجِعَ نِسَاءَهُ وَمَالَهُ وَقَالَ: «لَوْ مِتَّ عَلَى ذَلِكَ , لَرَجَمْتُ قَبْرَكَ , كَمَا رُجِمَ قَبْرُ أَبِي وَغَّالٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ» فَأَخْطَأَ مَعْمَرٌ فَجَعَلَ إِسْنَادَ هَذَا الْحَدِيثِ الَّذِي فِيهِ كَلَامُ عُمَرَ , لِلْحَدِيثِ الَّذِي فِيهِ كَلَامُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَفَسَدَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ , ثُمَّ لَوْ ثَبَتَ , عَلَى مَا رَوَاهُ عَبْدُ الْأَعْلَى , عَنْ مَعْمَرٍ , عَنِ الزُّهْرِيِّ , لَمَا كَانَتْ أَيْضًا فِيهِ حُجَّةٌ عِنْدَنَا , عَلَى مَنْ ذَهَبَ إِلَى مَا ذَهَبَ إِلَيْهِ أَبُو حَنِيفَةَ , وَأَبُو يُوسُفَ , رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمَا فِي ذَلِكَ , لِأَنَّ تَزْوِيجَ غَيْلَانَ ذَلِكَ إِنَّمَا كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ , قَدْ بَيَّنَ ذَلِكَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ , عَنْ مَعْمَرٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ , [ص:254]
5264 - عَنْ سَالِمٍ , عَنْ أَبِيهِ , أَنَّ غَيْلَانَ بْنَ سَلَمَةَ طَلَّقَ نِسَاءَهُ , وَقَسَمَ مَالَهُ , فَبَلَغَ ذَلِكَ عُمَرُ , فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْتَجِعَ نِسَاءَهُ وَمَالَهُ وَقَالَ: «لَوْ مِتَّ عَلَى ذَلِكَ , لَرَجَمْتُ قَبْرَكَ , كَمَا رُجِمَ قَبْرُ أَبِي وَغَّالٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ» فَأَخْطَأَ مَعْمَرٌ فَجَعَلَ إِسْنَادَ هَذَا الْحَدِيثِ الَّذِي فِيهِ كَلَامُ عُمَرَ , لِلْحَدِيثِ الَّذِي فِيهِ كَلَامُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَفَسَدَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ , ثُمَّ لَوْ ثَبَتَ , عَلَى مَا رَوَاهُ عَبْدُ الْأَعْلَى , عَنْ مَعْمَرٍ , عَنِ الزُّهْرِيِّ , لَمَا كَانَتْ أَيْضًا فِيهِ حُجَّةٌ عِنْدَنَا , عَلَى مَنْ ذَهَبَ إِلَى مَا ذَهَبَ إِلَيْهِ أَبُو حَنِيفَةَ , وَأَبُو يُوسُفَ , رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمَا فِي ذَلِكَ , لِأَنَّ تَزْوِيجَ غَيْلَانَ ذَلِكَ إِنَّمَا كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ , قَدْ بَيَّنَ ذَلِكَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ , عَنْ مَعْمَرٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ , [ص:254]
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
১. জাহিলী যুগের ছামুদ কওমের এক অভিশপ্ত ব্যক্তি, যে কিনা
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যে ব্যক্তি মানুষের প্রকৃতি ও মানুষের বিভিন্ন শ্রেণীর অবস্থাদি সম্পর্কে অবগত, সে নিশ্চিতভাবে জেনে থাকবে যে, অনেক লোক স্বীয় স্বভাব ও রুচি অনুযায়ী, আর অনেকে নিজেদের স্ত্রীর বিশেষ অবস্থার কারণে এরূপ অবস্থায় অবস্থান করে যে, যদি তাদের একের অধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি না থাকে তবে একথার বিরাট আশংকা রয়েছে যে, তারা অবৈধ কাজে জড়িত হবে। এ জন্য আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়তে, যেখানে ব্যভিচারকে শক্ত হারাম নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে বহু বিবাহের অনুমতি রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক আনীত শরীয়তে বিশেষ করে বিবাহিত লোকের জন্য ব্যভিচার এরূপ শক্ত গোনাহ যে, এর শাস্তি প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড। এরূপ শরীয়তে যদি কোন অবস্থায়ই বহু বিবাহের অনুমতি না থাকে তবে মানুষের প্রতি আইনের অনেক বাড়াবাড়ি হবে। যে সব পাশ্চাত্য দেশ ও জাতির আইনে বহু বিবাহের মোটেই সুযোগ নেই সেখানে ব্যভিচারের আইনগত বৈধতা রয়েছে। আর কার্যতও যেখানে ব্যভিচারের যে ছড়াছড়ি তা কোন গোপন বিষয় নয়।
ইসলামী শরীয়ত ব্যভিচারকে নির্মূল করার জন্য একদিকে এজন্য কঠিনতম শাস্তি নির্ধারণ করেছে অপর দিকে সঙ্গত শর্তাদির সাথে চার স্ত্রী পর্যন্ত গ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে। এ ছাড়াও বহু দিক ও কারণ রয়েছে যে সবের দাবিও তাই। তবে এটা বিস্তারিত ব্যাখ্যার স্থান নয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে নবুওত প্রদানের সময় দুনিয়ার অন্যান্য বহু জাতির ন্যায় আরবদের মধ্যেও স্ত্রীদের সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধ আইন ছিল না। কেউ কেউ দশ দশটি বা এরও অধিক স্ত্রী রাখত। ইসলামী শরীয়তে লোকদের বিভিন্ন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে এর শেষ সীমা চার নির্ধারণ করেছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কর্তৃক আনীত শরীয়তে বিশেষ করে বিবাহিত লোকের জন্য ব্যভিচার এরূপ শক্ত গোনাহ যে, এর শাস্তি প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড। এরূপ শরীয়তে যদি কোন অবস্থায়ই বহু বিবাহের অনুমতি না থাকে তবে মানুষের প্রতি আইনের অনেক বাড়াবাড়ি হবে। যে সব পাশ্চাত্য দেশ ও জাতির আইনে বহু বিবাহের মোটেই সুযোগ নেই সেখানে ব্যভিচারের আইনগত বৈধতা রয়েছে। আর কার্যতও যেখানে ব্যভিচারের যে ছড়াছড়ি তা কোন গোপন বিষয় নয়।
ইসলামী শরীয়ত ব্যভিচারকে নির্মূল করার জন্য একদিকে এজন্য কঠিনতম শাস্তি নির্ধারণ করেছে অপর দিকে সঙ্গত শর্তাদির সাথে চার স্ত্রী পর্যন্ত গ্রহণের অনুমতি প্রদান করেছে। এ ছাড়াও বহু দিক ও কারণ রয়েছে যে সবের দাবিও তাই। তবে এটা বিস্তারিত ব্যাখ্যার স্থান নয়।
রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে নবুওত প্রদানের সময় দুনিয়ার অন্যান্য বহু জাতির ন্যায় আরবদের মধ্যেও স্ত্রীদের সংখ্যার কোন সীমাবদ্ধ আইন ছিল না। কেউ কেউ দশ দশটি বা এরও অধিক স্ত্রী রাখত। ইসলামী শরীয়তে লোকদের বিভিন্ন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে এর শেষ সীমা চার নির্ধারণ করেছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)