শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
৬. হজ্বের অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৮৪১
হজ্বের অধ্যায়
তাওয়াফে রমল করা
৩৮৪১। মুহাম্মাদ ইব্ন খুযায়মা (রাহঃ) ..... নাফি' (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবন উমর (রাযিঃ) যখন মক্কা শরীফ আসতেন তখন বায়তুল্লাহ্ শরীফ তাওয়াফ করতেন এবং তাতে রমল করতেন। তারপর সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করতেন। যখন তিনি মক্কা থেকেই তালবিয়া পাঠ করতেন (ইহরাম বাঁধতেন) বায়তুল্লাহ্ শরীফের তাওয়াফে রমল করতেন না। আর সাফা মারওয়ার মাঝে সাঈকে কুরবানীর দিন পর্যন্ত বিলম্বিত করতেন এবং কুরবানীর দিন রমল করতেন না।
ইব্ন উমর (রাযিঃ) যখন মক্কা ব্যতীত অন্য স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতেন তখন হজ্জে রমল করতেন। সুতরাং এটা সে রিওয়ায়াতের পরিপন্থী যা মুজাহিদ (রাহঃ) তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। অতএব তার সূত্রে বর্ণিত মুজাহিদ (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াত দু’অবস্থার কোন একটি থেকে মুক্ত নয়। হয় তো সেটা মানসূখ (রহিত) এবং এর নাসিখ (রহিতকারী) রিওয়ায়াত তা থেকে উত্তম হবে। অথবা এই রিওয়ায়াত তাঁর সূত্রে বিশুদ্ধ নয়। তাই এর উপর আমল না করা এবং এর পরিপন্থী রিওয়ায়াতের উপর আমল করা আবশ্যক হওয়া অধিকতর সংগত। সুতরাং যখন আমাদের উল্লিখিত বর্ণনা দ্বারা রসূলুল্লাহ্ ﷺ এবং তাঁর পরবর্তীতে তাঁর সাহাবীগণ থেকে মুশরিকদের অনুপস্থিতিতে প্রথমোক্ত তিন চক্করে রমল করা সাব্যস্ত হলো তখন এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, তাওয়াফে কদুম তথা আগমন কালীন তাওয়াফ সুন্নত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোন পুরুষের জন্য এটা পরিত্যাগ করা সমীচীন নয়। আর এটাই ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর অভিমত।
ইব্ন উমর (রাযিঃ) যখন মক্কা ব্যতীত অন্য স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতেন তখন হজ্জে রমল করতেন। সুতরাং এটা সে রিওয়ায়াতের পরিপন্থী যা মুজাহিদ (রাহঃ) তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। অতএব তার সূত্রে বর্ণিত মুজাহিদ (রাহঃ)-এর রিওয়ায়াত দু’অবস্থার কোন একটি থেকে মুক্ত নয়। হয় তো সেটা মানসূখ (রহিত) এবং এর নাসিখ (রহিতকারী) রিওয়ায়াত তা থেকে উত্তম হবে। অথবা এই রিওয়ায়াত তাঁর সূত্রে বিশুদ্ধ নয়। তাই এর উপর আমল না করা এবং এর পরিপন্থী রিওয়ায়াতের উপর আমল করা আবশ্যক হওয়া অধিকতর সংগত। সুতরাং যখন আমাদের উল্লিখিত বর্ণনা দ্বারা রসূলুল্লাহ্ ﷺ এবং তাঁর পরবর্তীতে তাঁর সাহাবীগণ থেকে মুশরিকদের অনুপস্থিতিতে প্রথমোক্ত তিন চক্করে রমল করা সাব্যস্ত হলো তখন এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, তাওয়াফে কদুম তথা আগমন কালীন তাওয়াফ সুন্নত। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোন পুরুষের জন্য এটা পরিত্যাগ করা সমীচীন নয়। আর এটাই ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ), ইমাম আবু ইউসুফ (রাহঃ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ)-এর অভিমত।
كتاب مناسك الحج
3841 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خُزَيْمَةَ قَالَ: ثنا حَجَّاجٌ قَالَ: ثنا حَمَّادٌ , عَنْ أَيُّوبَ , عَنْ نَافِعٍ , أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا كَانَ إِذَا قَدِمَ مَكَّةَ , طَافَ بِالْبَيْتِ , وَرَمَلَ , ثُمَّ طَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ , وَإِذَا لَبَّى بِهَا مِنْ مَكَّةَ , لَمْ يَرْمُلْ بِالْبَيْتِ , وَأَخَّرَ الطَّوَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلَى يَوْمِ النَّحْرِ , وَكَانَ لَا يَرْمُلُ يَوْمَ النَّحْرِ " فَفِي هَذَا عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ كَانَ يَرْمُلُ فِي الْحَجَّةِ إِذَا كَانَ إِحْرَامُهُ بِهَا مِنْ غَيْرِ مَكَّةَ فَهَذَا خِلَافُ مَا رَوَاهُ عَنْهُ مُجَاهِدٌ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَا يَخْلُو مَا رَوَاهُ عَنْهُ مُجَاهِدٌ مِنْ أَحَدِ وَجْهَيْنِ , إِمَّا أَنْ يَكُونَ مَنْسُوخًا فَمَا نَسَخَهُ فَهُوَ أَوْلَى مِنْهُ أَوْ يَكُونُ غَيْرَ صَحِيحٍ عَنْهُ , فَهُوَ أَحْرَى أَنْ لَا يَعْمَلَ بِهِ , وَأَنْ يَجِبَ الْعَمَلُ بِخِلَافِهِ وَلَمَّا ثَبَتَ مَا ذَكَرْنَا مِنَ الرَّمَلِ , عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ عَدَمِ الْمُشْرِكِينَ , وَعَنْ أَصْحَابِهِ مِنْ بَعْدِهِ فِي الْأَشْوَاطِ الْأُوَلِ الثَّلَاثَةِ , ثَبَتَ أَنَّ ذَلِكَ مِنْ سُنَّةِ الطَّوَافِ عِنْدَ الْقُدُومِ , وَأَنَّهُ لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِنَ الرِّجَالِ تَرْكُهُ إِذَا كَانَ قَادِرًا عَلَيْهِ وَهَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ , وَأَبِي يُوسُفَ , وَمُحَمَّدٍ , رَحِمَهُمُ اللهُ تَعَالَى