শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ
৫. রোযার অধ্যায়
হাদীস নং: ৩৩২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩৩২
রোযার অধ্যায়
অর্ধ শাবানের পর রামাযান পর্যন্ত সিয়াম পালন প্রসঙ্গে
৩৩২৬-৩২। আবু বাকরা ( র ) …… আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ ( সাঃ) বলেছেন, (রামাযান মাসের পূর্বের লাগোয়া দিনগুলোর) একদিন বা দুই দিন সিয়াম পালন করে তোমরা রামাযানকে এগিয়ে নিবে না। তবে কোন ব্যক্তি সিয়াম পালন করতে থাকলে ভিন্ন কথা, সে যেন ঐ দিনের সিয়াম পালন করে।
মুহাম্মাদ ইবন খুজায়মা ( র ) …… হিশাম ( র ) থেকে অনুরুপ উল্লেখ করেছেন ।
ইবন মারযুক ( র ) ……… আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে অনুরুপ উল্লেখ করেছেন।
ইবন আবী দাউদ (রাহঃ)..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসুলুল্লাহ্ ( সাঃ ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
ইবন মারযুক ( র ) ………ইয়াহয়া ( র ) থেকে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ।
ইবন আবী দাউদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ ( সাঃ ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
আলী ইবন মা'বাদ (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবন আমর (রাহঃ) থেকে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। বস্তুত রাসূলুল্লাহ্ ( সাঃ ) যখন বলেছেনঃ তবে তোমাদের কারো নির্ধারিত সিয়াম পালনের দিনগুলোর কোন সিয়ামের সঙ্গে এই দিনের সিয়ামের মিল হয়ে গেলে ভিন্ন কথা। সুতরাং যেন সে উক্ত দিনের সিয়াম পালন করে। এতে প্রথমোক্ত মতপোষণকারীদের বক্তব্যের খণ্ডন বুঝা যাচ্ছে এবং আরো বুঝা যাচ্ছে যে, অর্ধ শা'বানের পর থেকে রামাযান পর্যন্ত তার সিয়ামের বিধান অপরাপর সারা বছর সিয়ামের বিধানের অনুরূপ অর্থাৎ তার সিয়াম পালন মুবাহ। যখন এই বিষয়টি সাব্যস্ত হলো, যা আমরা উল্লেখ করেছি। এতে প্রমাণিত হয় যে, আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর হাদীসে ব্যক্ত রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে, যা আমরা এই অনুচ্ছেদের শুরু ভাগে উল্লেখ করেছি।
বস্তুত এই নিষেধাজ্ঞা তাঁর পক্ষ থেকে রামাযানের সিয়াম পালনকারীদের জন্য দয়া পরবশ হয়ে বর্ণিত
হয়েছে। অন্য অর্থে নয়।
অনুরূপভাবে সেই ব্যক্তিকে আমরা রামাযানের নিকটবর্তী সিয়াম পালন না করার জন্য হুকুম করব, যার সিয়াম পালনের দ্বারা এমন দুর্বলতা এসে যায়, যা রামাযানের সিয়াম পালনের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে। তারপর সে রামাযানের সিয়াম পালন করবে যেহেতু তার জন্য জরুরী নয় এমন (নফল) সিয়াম পালন অপেক্ষা রামাযানের সিয়াম পালন উত্তম হিসাবে পরিগণিত।
আর এটিই হচ্ছে (হাদীসের) সঠিক মর্ম এবং উক্ত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করাই শ্রেয় যাতে অপরাপর
হাদীসসমূহের সাথে এটা সাংঘর্ষিক না হয়।
উপরোক্ত বিষয়বস্তুর সমর্থনে রাসূলুল্লাহ্( সাঃ ) থেকে আরো, হাদীস বর্ণিত আছে, যাতে তিনি আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাযিঃ)-কে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতি উৎসাহিত করেছেনঃ
মুহাম্মাদ ইবন খুজায়মা ( র ) …… হিশাম ( র ) থেকে অনুরুপ উল্লেখ করেছেন ।
ইবন মারযুক ( র ) ……… আবু হুরায়রা ( রা ) থেকে অনুরুপ উল্লেখ করেছেন।
ইবন আবী দাউদ (রাহঃ)..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসুলুল্লাহ্ ( সাঃ ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
ইবন মারযুক ( র ) ………ইয়াহয়া ( র ) থেকে অনুরুপ রিওয়ায়াত করেছেন ।
ইবন আবী দাউদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ ( সাঃ ) থেকে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
আলী ইবন মা'বাদ (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবন আমর (রাহঃ) থেকে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। বস্তুত রাসূলুল্লাহ্ ( সাঃ ) যখন বলেছেনঃ তবে তোমাদের কারো নির্ধারিত সিয়াম পালনের দিনগুলোর কোন সিয়ামের সঙ্গে এই দিনের সিয়ামের মিল হয়ে গেলে ভিন্ন কথা। সুতরাং যেন সে উক্ত দিনের সিয়াম পালন করে। এতে প্রথমোক্ত মতপোষণকারীদের বক্তব্যের খণ্ডন বুঝা যাচ্ছে এবং আরো বুঝা যাচ্ছে যে, অর্ধ শা'বানের পর থেকে রামাযান পর্যন্ত তার সিয়ামের বিধান অপরাপর সারা বছর সিয়ামের বিধানের অনুরূপ অর্থাৎ তার সিয়াম পালন মুবাহ। যখন এই বিষয়টি সাব্যস্ত হলো, যা আমরা উল্লেখ করেছি। এতে প্রমাণিত হয় যে, আবু হুরায়রা (রাযিঃ)-এর হাদীসে ব্যক্ত রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) -এর পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে, যা আমরা এই অনুচ্ছেদের শুরু ভাগে উল্লেখ করেছি।
বস্তুত এই নিষেধাজ্ঞা তাঁর পক্ষ থেকে রামাযানের সিয়াম পালনকারীদের জন্য দয়া পরবশ হয়ে বর্ণিত
হয়েছে। অন্য অর্থে নয়।
অনুরূপভাবে সেই ব্যক্তিকে আমরা রামাযানের নিকটবর্তী সিয়াম পালন না করার জন্য হুকুম করব, যার সিয়াম পালনের দ্বারা এমন দুর্বলতা এসে যায়, যা রামাযানের সিয়াম পালনের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে। তারপর সে রামাযানের সিয়াম পালন করবে যেহেতু তার জন্য জরুরী নয় এমন (নফল) সিয়াম পালন অপেক্ষা রামাযানের সিয়াম পালন উত্তম হিসাবে পরিগণিত।
আর এটিই হচ্ছে (হাদীসের) সঠিক মর্ম এবং উক্ত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করাই শ্রেয় যাতে অপরাপর
হাদীসসমূহের সাথে এটা সাংঘর্ষিক না হয়।
উপরোক্ত বিষয়বস্তুর সমর্থনে রাসূলুল্লাহ্( সাঃ ) থেকে আরো, হাদীস বর্ণিত আছে, যাতে তিনি আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাযিঃ)-কে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতি উৎসাহিত করেছেনঃ
كتاب الصيام
32- 3326 - مَا حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرَةَ قَالَ: ثنا أَبُو دَاوُدَ قَالَ: ثنا هِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صِيَامًا فَلْيَصُمْهُ»
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خُزَيْمَةَ قَالَ: ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: ثنا هِشَامٌ فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا رَوْحٌ , قَالَ: ثنا هِشَامٌ , عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو , عَنْ أَبِي سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ , فَذَكَرَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ , قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ , قَالَ: سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ , قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ , قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا رَوْحٌ , قَالَ: ثنا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ , وَهِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللهِ , عَنْ يَحْيَى فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ , قَالَ: ثنا الْوُحَاظِيُّ يَعْنِي يَحْيَى بْنَ صَالِحٍ , قَالَ: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ , قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو , عَنْ أَبِي سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ فَلَمَّا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِلَّا أَنْ يُوَافِقَ ذَلِكَ صَوْمًا كَانَ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ فَلْيَصُمْهُ» دَلَّ ذَلِكَ عَلَى دَفْعِ مَا قَالَ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى وَعَلَى أَنَّ مَا بَعْدَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ إِلَى رَمَضَانَ حُكْمُ صَوْمِهِ حُكْمُ صَوْمِ سَائِرِ الدَّهْرِ الْمُبَاحِ صَوْمُهُ فَلَمَّا ثَبَتَ هَذَا الْمَعْنَى الَّذِي ذَكَرْنَا دَلَّ ذَلِكَ أَنَّ النَّهْيَ الَّذِي كَانَ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ فِي أَوَّلِ هَذَا الْبَابِ لَمْ يَكُنْ إِلَّا عَلَى الْإِشْفَاقِ مِنْهُ عَلَى صُوَّامِ رَمَضَانَ لَا لِمَعْنًى غَيْرِ ذَلِكَ وَكَذَلِكَ نَأْمُرُ مَنْ كَانَ الصَّوْمُ بِقُرْبِ رَمَضَانَ يَدْخُلُهُ بِهِ ضَعْفٌ يَمْنَعُهُ مِنْ صَوْمِ رَمَضَانَ أَنْ لَا يَصُومَ حَتَّى يَصُومَ رَمَضَانَ لِأَنَّ صَوْمَ رَمَضَانَ أَوْلَى بِهِ مِنْ صَوْمِ مَا لَيْسَ عَلَيْهِ صَوْمُهُ فَهَذَا هُوَ الْمَعْنَى الَّذِي يَنْبَغِي أَنْ يُحْمَلَ عَلَيْهِ مَعْنَى ذَلِكَ الْحَدِيثِ حَتَّى لَا يُضَادَّ غَيْرَهُ مِنْ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيمَا أَمَرَ بِهِ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَمْرٍو مَا يَدُلُّ عَلَى ذَلِكَ أَيْضًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خُزَيْمَةَ قَالَ: ثنا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: ثنا هِشَامٌ فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا رَوْحٌ , قَالَ: ثنا هِشَامٌ , عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو , عَنْ أَبِي سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ , فَذَكَرَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ , قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ , قَالَ: سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ , قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ , قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ مَرْزُوقٍ , قَالَ: ثنا رَوْحٌ , قَالَ: ثنا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ , وَهِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللهِ , عَنْ يَحْيَى فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ , قَالَ: ثنا الْوُحَاظِيُّ يَعْنِي يَحْيَى بْنَ صَالِحٍ , قَالَ: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ , قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو , عَنْ أَبِي سَلَمَةَ , عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدٍ قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ فَلَمَّا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِلَّا أَنْ يُوَافِقَ ذَلِكَ صَوْمًا كَانَ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ فَلْيَصُمْهُ» دَلَّ ذَلِكَ عَلَى دَفْعِ مَا قَالَ أَهْلُ الْمَقَالَةِ الْأُولَى وَعَلَى أَنَّ مَا بَعْدَ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ إِلَى رَمَضَانَ حُكْمُ صَوْمِهِ حُكْمُ صَوْمِ سَائِرِ الدَّهْرِ الْمُبَاحِ صَوْمُهُ فَلَمَّا ثَبَتَ هَذَا الْمَعْنَى الَّذِي ذَكَرْنَا دَلَّ ذَلِكَ أَنَّ النَّهْيَ الَّذِي كَانَ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ الَّذِي ذَكَرْنَاهُ فِي أَوَّلِ هَذَا الْبَابِ لَمْ يَكُنْ إِلَّا عَلَى الْإِشْفَاقِ مِنْهُ عَلَى صُوَّامِ رَمَضَانَ لَا لِمَعْنًى غَيْرِ ذَلِكَ وَكَذَلِكَ نَأْمُرُ مَنْ كَانَ الصَّوْمُ بِقُرْبِ رَمَضَانَ يَدْخُلُهُ بِهِ ضَعْفٌ يَمْنَعُهُ مِنْ صَوْمِ رَمَضَانَ أَنْ لَا يَصُومَ حَتَّى يَصُومَ رَمَضَانَ لِأَنَّ صَوْمَ رَمَضَانَ أَوْلَى بِهِ مِنْ صَوْمِ مَا لَيْسَ عَلَيْهِ صَوْمُهُ فَهَذَا هُوَ الْمَعْنَى الَّذِي يَنْبَغِي أَنْ يُحْمَلَ عَلَيْهِ مَعْنَى ذَلِكَ الْحَدِيثِ حَتَّى لَا يُضَادَّ غَيْرَهُ مِنْ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيمَا أَمَرَ بِهِ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَمْرٍو مَا يَدُلُّ عَلَى ذَلِكَ أَيْضًا
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইসলামী শরী‘আতে পূর্ণ রমযান মাসের রোযা ফরয করা হয়েছে এবং যেমন এইমাত্র জানা গেল যে, শরী‘আত এ নির্দেশও দিয়েছে যে, রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান থাকতে হবে- এমনকি এ উদ্দেশ্যে শা'বানের চাঁদ দেখার ব্যাপারেও খুব সতর্ক থাকতে হবে-যাতে কোন প্রকার ভ্রমে পড়ে অথবা উদাসীনতার কারণে রমযানের কোন রোযা ছুটে না যায়। কিন্তু শরী‘আতের সীমা রেখার হেফাযতের জন্য এ নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যে, রমযানের এক দু'দিন পূর্ব থেকেই যেন রোযা রাখা শুরু করে দেওয়া না হয়। আল্লাহর ইবাদতে কোন অতি উৎসাহী মানুষ যদি এমনটি করতে যায়, তাহলে এ আশংকা থেকে যায় যে, অজ্ঞ সাধারণ মানুষ এটাকেই শরী‘আতের হুকুম ও মাসআলা মনে করে নেবে। এ জন্য এ প্রবণতা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)