শরহু মাআ’নিল আছার- ইমাম ত্বহাবী রহঃ

২. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ২৭২৮
নামাযের অধ্যায়
উরু সতরের অন্তর্ভুক্ত কি না?
২৭২৮। ইউনুস (রাহঃ).... আব্দুর রহমান ইব্‌ন জারহাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ননা করেন (এবং তিনি সুফফাবাসী সাহাবিগনের অন্যতম ছিলেন) তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার আমার নিকট বসেছিলেন এবং আমার উরু উন্মুক্ত ছিলেন। এতে তিনি বললেন, তোমার উরু ঢেকে নাও ! তুমি কি অবহিত নও, নিশ্চই উরু সতরের অন্তর্ভুক্ত।
كتاب الصلاة
2728 - حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: أنا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ زُرْعَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جَرْهَدٍ، عَنْ أَبِيهِ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ الصُّفَّةِ , أَنَّهُ قَالَ: جَلَسَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدِي , وَفَخِذِي مُنْكَشِفَةٌ فَقَالَ: «خَمِّرْ عَلَيْكَ , أَمَا عَلِمْتَ أَنَّ الْفَخِذَ عَوْرَةٌ»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

মানুষের দেহের যে অংশগুলোকে সাধারণ পরিভাষায় লজ্জাস্থান বলা হয়, এগুলোর ব্যাপারে তো প্রত্যেক ব্যক্তি-এমনকি যারা আল্লাহ্ এবং কোন ধর্মকেও স্বীকার করে না- তারাও এটা বুঝে যে, এগুলো ঢেকে রাখা জরুরী। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এ বাণী দ্বারা জানা গেল যে, মনুষ্য দেহে কেবল লজ্জাস্থান ও এর নিকটবর্তী অংশই নয়; বরং রান (উরু) পর্যন্ত সতরের অন্তর্ভুক্ত, যা ঢেকে রাখা জরুরী। সতর সম্পর্কে এটা যেন পরিপূরক শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা।

এ হাদীসে فخذ (রান) কে عورة বলা হয়েছে। عورة এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঢেকে রাখার জিনিস- যা প্রকাশ করা লজ্জা ও শরমের পরিপন্থী।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান