আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৭- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৪৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭২
- নামাযের অধ্যায়
৩২৫। মসজিদে হালকা বাঁধা ও বসা।
৪৫৮। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন সাহাবী নবী (ﷺ)-কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বরে ছিলেন; আপনি রাতের নামায কিভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বললেনঃ দু-দু’রাকআত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাকআত আদায় করে নিবে। আর এইটি তার পূর্ববর্তী নামাযকে বিতর করে দেবে।
[নাফি (রাহঃ) বলেন] ইবনে উমর (রাযিঃ) বলতেনঃ তোমরা বিতরকে রাতের শেষ নামায হিসাবে আদায় কর। কেননা নবী (ﷺ) এই নির্দেশ দিয়েছেন।
[নাফি (রাহঃ) বলেন] ইবনে উমর (রাযিঃ) বলতেনঃ তোমরা বিতরকে রাতের শেষ নামায হিসাবে আদায় কর। কেননা নবী (ﷺ) এই নির্দেশ দিয়েছেন।
كتاب الصلاة
باب الْحِلَقِ وَالْجُلُوسِ فِي الْمَسْجِدِ
472 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ المُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عَلَى المِنْبَرِ، مَا تَرَى فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ، قَالَ: «مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيَ الصُّبْحَ صَلَّى وَاحِدَةً، فَأَوْتَرَتْ لَهُ مَا صَلَّى» وَإِنَّهُ كَانَ يَقُولُ: اجْعَلُوا آخِرَ صَلاَتِكُمْ وِتْرًا، فَإِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِهِ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উপরে বর্ণিত হাদীস দ্বারা সালাতুল বিতর সম্পর্কে এই সাধারণ বিধান জানা যায় যে, সালাতুল বিতর রাতের সকল সালাতের পরে আদায় করা উচিত এমন কি নফলেরও পরে। যার শেষ রাতে উঠার ব্যাপারে নিজের প্রতি আস্থা রয়েছে সে যেন প্রথম রাতে সালাতুল বিতর আদায় না করে বরং শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সাথে আদায় করে নেয়। আর যার নিজের উপর এই আস্থা নেই সে যেন প্রথম রাতেই তা আদায় করে নেয়। কিন্তু কোন কোন সাহাবীকে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করে প্রথম রাতে সালাতুল বিতর আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। হযরত আবূ হুরায়রা (রা) ঐ সকল অবকাশ প্রাপ্তদের অন্যতম। সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিমে তাঁর বর্ণনা পাওয়া যায় নবী ﷺ আমাকে কতিপয় বিষয়ের উপদেশ দেন তন্মধ্যে একটি ছিল এই যে, "আমি যেন প্রথম রাতেই সালাতুল বিতর আদায় করে নেই"।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)