আল মুওয়াত্তা - ইমাম মালিক রহঃ
১৭. যাকাতের অধ্যায়
হাদীস নং: ৬০৬
যাকাতের অধ্যায়
২৪. আহলে কিতাবের উপর ধার্য জিযয়া
রেওয়ায়ত ৪৪. আসলাম (রাহঃ) বর্ণনা করেন- উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ)-কে একবার জানাইলাম, সরকারী উটসমূহের মধ্যে একটা অন্ধ উটও রহিয়াছে। উমর (রাযিঃ) বলিলেনঃ অভাবী কাহাকেও দিয়া দিও। ইহা হইতে সে উপকার লাভ করিতে পারিবে। আমি বলিলামঃ উটটি তো অন্ধ। তিনি বলিলেন, উহাকে উটের দলে বাধিয়া দিবে। ইহাদের সঙ্গে চলাফেরা করিবে। আমি বলিলাম, কেমন করিয়া ইহা ঘাস খাইবে? তিনি বলিলেনঃ ইহা জিযয়া না যাকাতের? আমি বলিলামঃ জিয়ার। তিনি বলিলেনঃ তুমি ইহাকে যবেহ করার ইচ্ছা করিয়াছ নাকি? আমি বলিলামঃ না, ইহাতে জিযয়ার চিহ্ন বিদ্যমান। শেষে উমর (রাযিঃ)-এর নির্দেশে ঐ উটকে নাহর (যবেহ) করা হইল।
উমর (রাযিঃ)-এর নিকট নয়টি পেয়ালা ছিল। ফল বা ভাল কোন জিনিস তাহার নিকট আসিলে ঐ পেয়ালাগুলি ভরিয়া উম্মুল মু’মিনীনদের নিকট পাঠাইয়া দিতেন। সকলের শেষে তদীয় কন্যা উম্মুল মু'মিনীন হাফসা (রাযিঃ)-এর নিকট পাঠাইতেন। কম পড়িলে হাফসা (রাযিঃ)-এর হিস্যাতেই পড়িত। যাহা হউক, উক্ত অন্ধ উটটিকে নাহর করার পর প্রথম উল্লিখিত পেয়ালাসমূহ ভরিয়া উম্মুল মু'মিনীনদের নিকট পাঠানো হইল। বাকি যাহা রহিল তাহা রান্না করিয়া মুহাজির ও আনসারদেরকে দাওয়াত করিয়া খাওয়াইলেন।
মালিক (রাহঃ) বলেনঃ অমুসলিম জিযয়া প্রদানকারীদের নিকট হইতে জিযয়া হিসাবে পশু আদায় করা হইবে না। তবে মূল্য ধার্য করিয়া নগদ অর্থের বদলে পশু লওয়া যাইতে পারে।
উমর (রাযিঃ)-এর নিকট নয়টি পেয়ালা ছিল। ফল বা ভাল কোন জিনিস তাহার নিকট আসিলে ঐ পেয়ালাগুলি ভরিয়া উম্মুল মু’মিনীনদের নিকট পাঠাইয়া দিতেন। সকলের শেষে তদীয় কন্যা উম্মুল মু'মিনীন হাফসা (রাযিঃ)-এর নিকট পাঠাইতেন। কম পড়িলে হাফসা (রাযিঃ)-এর হিস্যাতেই পড়িত। যাহা হউক, উক্ত অন্ধ উটটিকে নাহর করার পর প্রথম উল্লিখিত পেয়ালাসমূহ ভরিয়া উম্মুল মু'মিনীনদের নিকট পাঠানো হইল। বাকি যাহা রহিল তাহা রান্না করিয়া মুহাজির ও আনসারদেরকে দাওয়াত করিয়া খাওয়াইলেন।
মালিক (রাহঃ) বলেনঃ অমুসলিম জিযয়া প্রদানকারীদের নিকট হইতে জিযয়া হিসাবে পশু আদায় করা হইবে না। তবে মূল্য ধার্য করিয়া নগদ অর্থের বদলে পশু লওয়া যাইতে পারে।
كتاب الزكاة
بَاب جِزْيَةِ أَهْلِ الْكِتَابِ وَالْمَجُوسِ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ إِنَّ فِي الظَّهْرِ نَاقَةً عَمْيَاءَ فَقَالَ عُمَرُ ادْفَعْهَا إِلَى أَهْلِ بَيْتٍ يَنْتَفِعُونَ بِهَا قَالَ فَقُلْتُ وَهِيَ عَمْيَاءُ فَقَالَ عُمَرُ يَقْطُرُونَهَا بِالْإِبِلِ قَالَ فَقُلْتُ كَيْفَ تَأْكُلُ مِنْ الْأَرْضِ قَالَ فَقَالَ عُمَرُ أَمِنْ نَعَمْ الْجِزْيَةِ هِيَ أَمْ مِنْ نَعَمْ الصَّدَقَةِ فَقُلْتُ بَلْ مِنْ نَعَمْ الْجِزْيَةِ فَقَالَ عُمَرُ أَرَدْتُمْ وَاللَّهِ أَكْلَهَا فَقُلْتُ إِنَّ عَلَيْهَا وَسْمَ الْجِزْيَةِ فَأَمَرَ بِهَا عُمَرُ فَنُحِرَتْ وَكَانَ عِنْدَهُ صِحَافٌ تِسْعٌ فَلَا تَكُونُ فَاكِهَةٌ وَلَا طُرَيْفَةٌ إِلَّا جَعَلَ مِنْهَا فِي تِلْكَ الصِّحَافِ فَبَعَثَ بِهَا إِلَى أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيَكُونُ الَّذِي يَبْعَثُ بِهِ إِلَى حَفْصَةَ ابْنَتِهِ مِنْ آخِرِ ذَلِكَ فَإِنْ كَانَ فِيهِ نُقْصَانٌ كَانَ فِي حَظِّ حَفْصَةَ قَالَ فَجَعَلَ فِي تِلْكَ الصِّحَافِ مِنْ لَحْمِ تِلْكَ الْجَزُورِ فَبَعَثَ بِهِ إِلَى أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَرَ بِمَا بَقِيَ مِنْ لَحْمِ تِلْكَ الْجَزُورِ فَصُنِعَ فَدَعَا عَلَيْهِ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارَ
قَالَ مَالِك لَا أَرَى أَنْ تُؤْخَذَ النَّعَمُ مِنْ أَهْلِ الْجِزْيَةِ إِلَّا فِي جِزْيَتِهِمْ
قَالَ مَالِك لَا أَرَى أَنْ تُؤْخَذَ النَّعَمُ مِنْ أَهْلِ الْجِزْيَةِ إِلَّا فِي جِزْيَتِهِمْ
বর্ণনাকারী: