মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৩১- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
হাদীস নং: ৬২৩২
- সাহাবায়ে কিরামের রাঃ মানাকিব ও ফাযায়েল
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - সমষ্টিগতভাবে মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য
৬২৩২। হযরত খায়সামা ইবনে আবু সাবরাহ্ (রহঃ) বলেন, একদা আমি মদীনায় আসিলাম এবং আল্লাহর কাছে এই বলিয়া দো'আ করিলাম, হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে একজন নেককার সাথী জুটাইয়া দাও। ইহার পর আল্লাহ্ তা'আলা হযরত আবু হোরায়রাকে আমার ভাগ্যে জুটাইয়া দিলেন। আমি তাঁহার কাছে বসিলাম। অতঃপর আমি বলিলাম, আমি আল্লাহর কাছে একজন নেককার সাথী জুটাইয়া দেওয়ার জন্য দোআ করিয়াছিলাম। ফলে তিনি আপনাকেই আমার ভাগ্যে জুটাইয়া দিয়াছেন। তখন তিনি [আবু হোরায়রা (রাঃ)]- আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন? তুমি কোথাকার লোক? বলিলাম, আমি কুফার অধিবাসী।' আমি মঙ্গল ও কল্যাণের প্রত্যাশী। সুতরাং উহার অন্বেষণে কুফা হইতে আসিয়াছি। তখন (আমার কথার জওয়াবে) হযরত আবু হোরায়রা (বিস্ময়ের সুরে) বলিলেন, তোমাদের মধ্যে কি নাই সা'দ ইবনে মালেক—যাহার দো'আ আল্লাহর কাছে মকবুল। আর ইবনে মাসউদ, যিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর ওযূর পানি-পাত্র ও জুতা বহনকারী। আর হযরত হোযায়ফা, যিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর গোপন তথ্যাভিজ্ঞ। আর হযরত আম্মার (ইবনে ইয়াসির—) যাঁহাকে নবী (ﷺ)-এর মাধ্যমে আল্লাহ্ তা'আলা শয়তান হইতে আশ্রয় দিয়াছেন। আর হযরত সালমান (ফারেসী), যিনি উভয় কিতাব অর্থাৎ, ইঞ্জীল ও কুরআনের উপর ঈমান আনয়নকারী। —তিরমিযী
كتاب المناقب
وَعَنْ خَيْثَمَةَ بْنِ أَبِي سَبْرَةَ قَالَ: أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ فَسَأَلْتُ اللَّهَ أَنْ يُيَسِّرَ لِي جَلِيسًا صَالِحًا فَيَسَّرَ لِي أَبَا هُرَيْرَةَ فَجَلَسْتُ إِلَيْهِ فَقُلْتُ: إِنِّي سَأَلْتُ اللَّهَ أَنْ يُيَسِّرَ لِي جَلِيسًا صَالِحًا فَوُفِّقْتَ لِي فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ أَنْتَ؟ قُلْتُ: مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ جِئْتُ أَلْتَمِسُ الْخَيْرَ وَأَطْلُبُهُ. فَقَالَ: أَلَيْسَ فِيكُمْ سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ مُجَابُ الدَّعْوَةِ؟ وَابْنُ مَسْعُودٍ صَاحِبُ طَهُورِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعْلَيْهِ؟ وَحُذَيْفَةُ صَاحِبُ سِرِّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ وَعَمَّارٌ الَّذِي أَجَارَهُ اللَّهُ مِنَ الشَّيْطَانِ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ وَسَلْمَانُ صَاحِبُ الْكِتَابَيْنِ؟ يَعْنِي الْإِنْجِيلَ وَالْقُرْآنَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
অর্থাৎ, এইসমস্ত বিজ্ঞ মনীষীর উপস্থিতিতে অন্য কাহারও শরণাপন্ন হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই।