মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
১০- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
হাদীস নং: ২৩৫৭
- যাবতীয় দোয়া-যিক্র
২. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ক্ষমা ও তাওবাহ্
২৩৫৭। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলিতেন, খোদা! আমাকে তাহাদের অন্তর্গত কর, যাহারা – যখন ভাল কাজ করে খুশী হয় এবং যখন মন্দ কাজ করে ক্ষমা চায়। — ইবনে মাজাহ্ । আর বায়হাকী দা'ওয়াতুল কবীরে ।
كتاب الدعوات
وَعَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ الَّذِينَ إِذا أحْسَنوا استبشَروا وإِذا أساؤوا اسْتَغْفَرُوا» . رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي الدَّعَوَاتِ الْكَبِير
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যে সব নেকির কাজের দ্বারা বেহেশত ও আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের ওয়াদা রয়েছে, সেগুলোর তাওফীক লাভ করাটা হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার কৃপা দৃষ্টিরই আলামত। এ জন্যে নেক কাজের তাওফীক লাভের জন্যে তার উচিত খুশি হওয়া এবং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা। কুরআনে পাকে বলা হয়েছে:
قُلْ بِفَضْلِ اللّٰهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَالِكَ فَلْيَفْرَحُوا
"বল, আল্লাহ্ ফযল এবং তাঁর রহমত লাভের জন্যে তাঁর বান্দাদের আনন্দিত হওয়া উচিত।"
অনুরূপভাবে যখন আল্লাহর কোন বান্দা দ্বারা ছোট-বড় কোন গুনাহ সংঘটিত হয়ে যায়, এজন্যে তার দুঃখিত-অনুতপ্ত হওয়া উচিত। সাথে সাথে আল্লাহর দরবারে তার ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। যে বান্দার এ দু'টি ব্যাপার নসীব হয়েছে, তিনি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে দু'আ করতেন, আল্লাহ তা'আলা আমাকেও যেন ঐ দু'টি ব্যাপার নসীব করেন।
قُلْ بِفَضْلِ اللّٰهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَالِكَ فَلْيَفْرَحُوا
"বল, আল্লাহ্ ফযল এবং তাঁর রহমত লাভের জন্যে তাঁর বান্দাদের আনন্দিত হওয়া উচিত।"
অনুরূপভাবে যখন আল্লাহর কোন বান্দা দ্বারা ছোট-বড় কোন গুনাহ সংঘটিত হয়ে যায়, এজন্যে তার দুঃখিত-অনুতপ্ত হওয়া উচিত। সাথে সাথে আল্লাহর দরবারে তার ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। যে বান্দার এ দু'টি ব্যাপার নসীব হয়েছে, তিনি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে দু'আ করতেন, আল্লাহ তা'আলা আমাকেও যেন ঐ দু'টি ব্যাপার নসীব করেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)