মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)
৫- নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৭৫০
- নামাযের অধ্যায়
৭. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মাসজিদ ও সালাতের স্থান
৭৫০। হযরত আতা ইবনে ইয়াসার (রহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এই দোয়া করলেন, হে আল্লাহ্! আমার কবরকে প্রতিমা বানিও না, যার পূজা হতে থাকবে। সেই কাওম আল্লাহর ভীষণ ক্রোধে পতিত হয়েছে, যারা তাদের নবীদের কবরসমূহকে সিজদার স্থান বানিয়েছে। —মালেক মুরসালরূপে
كتاب الصلاة
وَعَن عَطاء بْنِ يَسَارٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «اللَّهُمَّ لَا تجْعَل قَبْرِي وثنا يعبد اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى قَوْمٍ اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائهمْ مَسَاجِد» . رَوَاهُ مَالك مُرْسلا
হাদীসের ব্যাখ্যা:
কোন কোন রিওয়ায়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, রাসূলুল্লাহ্ এ কথাটিও ঐ ভাষণে বলেছিলেন, যা তিনি ওফাতের পাঁচ দিন পূর্বে মিম্বরে বসে দিয়েছিলেন। অপর কোন কোন রিওয়ায়াত দ্বারা জানা যায় যে, হুযুর (ﷺ) রোগের তীব্রতার সময়-যখন তিনি নিজের বিছানায়ই ছিলেন, এ কথাটি বলেছিলেন। যুক্তির কথা এই যে, এ কথাটি তিনি রোগের তীব্রতার সময় বিছানায় শুয়েই বলেছিলেন এবং মসজিদের সাধারণ ভাষণেও বলেছিলেন। কেননা, হুযুর (ﷺ)-এর এ ব্যাপারে বিরাট দুশ্চিন্তা ছিল যে, আমার পর আমার উম্মতের লোকেরা আমার কবরের সাথে ঐ আচরণ করে কিনা, যে আচরণ ইয়াহুদী ও নাসারাগণ তাদের নবীদের কবরের সাথে করেছে এবং এর ফলে তারা আল্লাহর অভিশাপের পাত্র হয়ে গিয়েছে।
হুযুর (ﷺ) তো এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত ছিলেন যে, আমার উম্মতের লোকেরা মূর্তিপূজার মত শিরকে কখনো লিপ্ত হবে না। কিন্তু তাঁর এ আশংকা ছিল যে, শয়তান তাদেরকে আমার ভালবাসা ও আমার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বাহানায় এ শিরকে লিপ্ত করে দিবে যে, তারা আমার কবরকে সেজদা করতে শুরু করবে। এ জন্য এ ব্যাপারে তিনি বার বার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিরোনামে উম্মতকে সতর্ক করেছেন। বিশেষ করে ওফাতকালীন অসুস্থতার সময় তিনি এর প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন- সাধারণ ভাষণেও বলেছেন এবং ঘরে রোগশয্যায়ও।
হুযুর (ﷺ) তো এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত ছিলেন যে, আমার উম্মতের লোকেরা মূর্তিপূজার মত শিরকে কখনো লিপ্ত হবে না। কিন্তু তাঁর এ আশংকা ছিল যে, শয়তান তাদেরকে আমার ভালবাসা ও আমার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বাহানায় এ শিরকে লিপ্ত করে দিবে যে, তারা আমার কবরকে সেজদা করতে শুরু করবে। এ জন্য এ ব্যাপারে তিনি বার বার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন শিরোনামে উম্মতকে সতর্ক করেছেন। বিশেষ করে ওফাতকালীন অসুস্থতার সময় তিনি এর প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন- সাধারণ ভাষণেও বলেছেন এবং ঘরে রোগশয্যায়ও।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)