মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৫- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৭৪৩
- নামাযের অধ্যায়
৭. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - মাসজিদ ও সালাতের স্থান
৭৪৩। হযরত হাসান বছরী (রহ) মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, মানুষের সামনে এমন এক যমানা আসবে যখন মসজিদে পার্থিব বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা হবে; সুতরাং তাদের সাথে বসো না। তাদের ব্যাপারে আল্লাহর কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। —বায়হাকী
كتاب الصلاة
وَعَنِ الْحَسَنِ مُرْسَلًا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ يَكُونُ حَدِيثُهُمْ فِي مَسَاجِدِهِمْ فِي أَمْرِ دُنْيَاهُمْ. فَلَا تُجَالِسُوهُمْ فَلَيْسَ لِلَّهِ فِيهِمْ حَاجَةٌ» . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان

হাদীসের ব্যাখ্যা:

মসজিদ আল্লাহর ঘর। কাজেই আল্লাহর সন্তুষ্টির পরিপন্থী এবং ধর্ম বিবর্জিত আলোচনায় মত্ত না হওয়া এর মর্যাদা রক্ষার অনিবার্য দাবি। তবে হ্যাঁ, মুসলিম জনগোষ্ঠির কোন জাতীয় বা সামাজিক বিষয় সম্পর্কে, চাই তা মুসলমানদের জীবনের যে কোন বিষয় হোক না কেন, পরামর্শ করা যেতে পারে। কিন্তু এমতাবস্থায়ও মসজিদের সাধারণ মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখা একান্ত কর্তব্য। এর আরেকটি শর্ত হল, যা কিছু হবে তা হবে আল্লাহর পথ নির্দেশের আওতায় বিরুদ্ধে নয়, হিদায়াতমুক্ত নয়।

জ্ঞাতব্যঃ এ হাদীসের বর্ণনাকারী একজন খ্যাতিমান তাবিঈ। তিনি এই হাদীসটি হয়তবা কোন সাহাবী সূত্রে পেয়েছেন। কিন্তু তিনি উক্ত সাহাবীর সূত্র উল্লেখ করেন নি। সুতরাং কোন তাবিঈ যদি সাহাবীর নাম উল্লেখ না করে হাদীস বর্ণনা করেন তবে তাকে হাদীস বিশারদগণের পরিভাষায় 'মুরসাল' বলা হয়। আলোচ্য হাদীসটিও মুরসাল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান