মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৫- নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৬৬৮
- নামাযের অধ্যায়
৫. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - আযানের ফযীলত ও মুয়াযযিনের উত্তর দান
৬৬৮। হযরত ওছমান ইবনে আবুল আছ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আমাকে আমার সম্প্রদায়ের ইমাম নিযুক্ত করুন। তিনি বললেন, আচ্ছা তোমাকে তাদের ইমাম করলাম। তবে ইমামতির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সর্বাধিক দুর্বল ব্যক্তির প্রতি লক্ষ্য রাখবে এবং একজন মুয়াযযিন বানিয়ে নিবে। যে আযানের বদলে মজুরী গ্রহণ করবে না। -আহমদ, আবু দাউদ, নাসায়ী
كتاب الصلاة
وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ قَالَ قُلْتُ: يَا رَسُول الله اجْعَلنِي إِمَام قومِي فَقَالَ: «أَنْتَ إِمَامُهُمْ وَاقْتَدِ بِأَضْعَفِهِمْ وَاتَّخِذْ مُؤَذِّنًا لَا يَأْخُذُ عَلَى أَذَانِهِ أَجْرًا» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীসের ভিত্তিতে অন্যান্য ইমামদের ন্যায় ইমাম আযম আবূ হানীফা (রহ.)-ও মত প্রকাশ করেছেন যে, আযানের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ জায়িয নয়। অন্যান্য আলিমগণ রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর এই বাণীকে তাকওয়া ও আযীমাতের বিষয় বলে ব্যাখ্যা করেন। পরবর্তী হানাফী আলিমগণের অনেকে এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায় সমর্থন করেছেন। তবে আযান ও ইকামাত যেহেতু দীনের গুরুত্বপূর্ণ দু'টি কাজ, তাই এর দাবি হচ্ছে, কাজ দু'টি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা চাই। পারিশ্রমিক নিতে বাধ্য হলে তা অন্যান্য দায়িত্বের বিনিময়ে গ্রহণ করা উচিত এবং কাজে যোগদানের পূর্বেই সে বিষয় মীমাংসা করে নেয়া চাই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান