মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত শরীফ)

৪- পাক-পবিত্রতার অধ্যায়

হাদীস নং: ২৮৬
- পাক-পবিত্রতার অধ্যায়
প্রথম অনুচ্ছেদ
২৮৬। হযরত উসমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যখনই কোন মুসলমানের নিকট ফরজ নামাযের ওয়াক্ত উপস্থিত হয়, আর সে উত্তমরূপে তার অজু সম্পন্ন করে। উত্তমরূপে তার বিনয় এবং তার রুকু (ও সিজদা) সম্পন্ন করে তার সেই নামায তার পূর্বেকার সকল গুনার জন্য প্রায়শ্চিত্ত হয়ে যায় যখন পর্যন্ত না সে কবীরাহ গুনাহ করে। আর এটা সর্বদাই হতে থাকে। —মুসলিম
كتاب الطهارة
اَلْفَصْلُ الْلأَوَّلُ
وَعَنْ عُثْمَانَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا مِنَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ تَحْضُرُهُ صَلَاةٌ مَكْتُوبَةٌ فَيُحْسِنُ وُضُوءَهَا وَخُشُوعَهَا وَرُكُوعَهَا إِلَّا كَانَتْ كَفَّارَةً لِمَا قَبْلَهَا مِنَ الذُّنُوبِ مَا لَمْ يُؤْتِ كَبِيرَةً وَذَلِكَ الدَّهْرَ كُلَّهُ» . رَوَاهُ مُسلم

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস থেকে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সালাত যথা নিয়মে আদায়ের ফলে তা পূর্ববর্তী গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যায় এবং পরবর্তী গুনাহসমূহও দূর হয়ে যায়। তবে শর্ত হল এই যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেন কবীরা গুনাহকারী না হয়। কারণ কবীরা গুনাহ নাপাকী এত মারাত্মক ক্রিয়াশীল ও প্রভাবময়ী যে, যার ক্ষতিপূরণ কেবল তাওবার মাধ্যমেই হতে পারে। তবে আল্লাহ্ যদি নিজ দয়ায় এমনি ক্ষমা করে দেন, তবে তাতে কিছু বলার নেই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)