আল-আদাবুল মুফরাদ- ইমাম বুখারী রহঃ
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
হাদীস নং: ৬৮৪
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
২৮৮- নবী করীম (ﷺ)-এর দু'আসমূহ
৬৮৪, হযরত আবু উমামা (রাযিঃ) বলেন, আমরা নবী করীম (ﷺ)-এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম এমন সময় তিনি অনেক দু'আ করিলেন, যাহা আমরা মুখস্থ রাখিতে পারিলাম না। তখন আমরা বলিলাম, (ইয়া রাসূলাল্লাহ্) আপনি এমন দু'আ করিলেন, যাহা আমরা মুখস্থ রাখিতে পারিলাম না। তখন তিনি বলিলেন, আমি তোমাদিগকে এমন (ব্যাপক) বস্তুই শিক্ষা দিব যাহাতে এই সবই শামিল থাকিবে। (আর তাহা হইল।)
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِمَّا سَأَلَكَ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، وَنَسْتَعِيذُكَ مِمَّا اسْتَعَاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلاغُ ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ
“প্রভু, আমরা সেই সব বস্তু তোমার দরবারে প্রার্থনা করি, যাহা কিছু তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) তোমার কাছে প্রার্থনা করিয়াছেন এবং তোমার দরবারে সেই সব বস্তু হইতে আশ্রয় প্রার্থনা করি যাহা হইতে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) আশ্রয় প্রার্থনা করিয়াছেন। প্রভু, তুমিই সাহায্য স্থল, তুমিই চরম লক্ষ্য এবং তুমি বিনে গতি ও শক্তি নাই আল্লাহ্ ছাড়া ভাল কাজের শক্তি নাই ।”
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِمَّا سَأَلَكَ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، وَنَسْتَعِيذُكَ مِمَّا اسْتَعَاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلاغُ ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ
“প্রভু, আমরা সেই সব বস্তু তোমার দরবারে প্রার্থনা করি, যাহা কিছু তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) তোমার কাছে প্রার্থনা করিয়াছেন এবং তোমার দরবারে সেই সব বস্তু হইতে আশ্রয় প্রার্থনা করি যাহা হইতে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) আশ্রয় প্রার্থনা করিয়াছেন। প্রভু, তুমিই সাহায্য স্থল, তুমিই চরম লক্ষ্য এবং তুমি বিনে গতি ও শক্তি নাই আল্লাহ্ ছাড়া ভাল কাজের শক্তি নাই ।”
أبواب الأدب المفرد للبخاري
دَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ لَيْثٍ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عَجْلانَ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ : " كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَدَعَا بِدُعَاءٍ كَثِيرٍ لا نَحْفَظُهُ ، فَقُلْنَا : دَعَوْتَ بِدُعَاءٍ لا نَحْفَظُهُ ؟ فَقَالَ : سَأُنَبِّئُكُمْ بِشَيْءٍ يَجْمَعُ ذَلِكَ كُلَّهُ لَكُمْ : اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِمَّا سَأَلَكَ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، وَنَسْتَعِيذُكَ مِمَّا اسْتَعَاذَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلاغُ ، وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ " ، أَوْ كَمَا قَالَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
দুনিয়ায় এমন লোকের সংখ্যাই বেশি, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাতানো দু'আগুলো মুখস্থ রাখার ক্ষমতা যাঁদের রয়েছে। এ জন্যে এ হাদীসে অত্যন্ত সহজভাবে বলে দেয়া হয়েছে যে, তারা যেন আল্লাহর কাছে এরূপ দু'আ করে:
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مِنْ خَيْرٍ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
"হে আল্লাহ! তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ তোমার দরবারে যে সব মঙ্গলের প্রার্থনা করেছেন, আমাকে সে সব মঙ্গল দান কর আর যে সব অমঙ্গল থেকে তিনি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন, সে সব অনিষ্ট থেকে তোমার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" অধম লেখকের আরয হচ্ছে, এ কথাগুলো নিজের মাতৃভাষায় বলাতেও কোন দোষ নেই। তবে আল্লাহ তা'আলার দরবারে অন্তর থেকে দু'আ করা চাই। আসলে দু'আ পদবাচ্য কেবল তাই, যা অন্তর থেকে উৎসারিত হয়ে থাকে।
اَللّٰهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ مِنْ خَيْرٍ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
"হে আল্লাহ! তোমার নবী মুহাম্মদ ﷺ তোমার দরবারে যে সব মঙ্গলের প্রার্থনা করেছেন, আমাকে সে সব মঙ্গল দান কর আর যে সব অমঙ্গল থেকে তিনি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন, সে সব অনিষ্ট থেকে তোমার দরবারে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" অধম লেখকের আরয হচ্ছে, এ কথাগুলো নিজের মাতৃভাষায় বলাতেও কোন দোষ নেই। তবে আল্লাহ তা'আলার দরবারে অন্তর থেকে দু'আ করা চাই। আসলে দু'আ পদবাচ্য কেবল তাই, যা অন্তর থেকে উৎসারিত হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)