আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ

৪৯- নবীজী সাঃ ও সাহাবা রাঃ ; মর্যাদা ও বিবিধ ফাযায়েল

হাদীস নং: ৩৪২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৯২
- নবীজী সাঃ ও সাহাবা রাঃ ; মর্যাদা ও বিবিধ ফাযায়েল
২০৮৫. উমর ইবনে খাত্তাব আবু হাফস কুরাইশী-আদাবী (রাযিঃ)- এর ফযীলত ও মর্যাদা
৩৪২৭। সালত ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... মিসওয়ার ইবনে মাখরামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উমর (রাযিঃ) (আবু লুলু গোলামের খঞ্জরের আঘাতে) আহত হলেন, তখন তিনি বেদনা অনুভব করছিলেন। তখন তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলতে লাগলেন, হে আমীরুল মু‘মিনীন, এ আঘাত জনিত কারণে (আল্লাহ না করুন) যদি আপনার কিছু (মৃত্যু) ঘঠে (তাতে চিন্তা-ভাবনা) বা দুঃখের কোন কারণ নেই)। আপনি তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাঁর সাহচর্যের হক উত্তমরূপে আদায় করেছেন। এরপর (তাঁর থেকে) আপনি এ অবস্থায় পৃথক হয়েছেন, তিনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। তারপর আপনি আবু বকর (রাযিঃ)-এর সাহচর্য লাভ করেন এবং এর হকও উত্তমরূপে আদায় করেন। এরপর (তাঁর থেকে) আপনি এ অবস্থায় পৃথক হয়েছেন যে, তিনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। তারপর আপনি (খলীফা মনোনীত হয়ে) সাহাবায়ে কেরামের সাহচর্য লাভ করেছেন এবং তাদের হকও উত্তমরূপে আদায় করেছেন।
যদি আপনি তাদের থেকে পৃথক হয়ে পড়েন তবে আপনি অবশ্যই তাদের থেকে এমন অবস্থায় পৃথক হবেন যে, তাঁরাও আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। উমর (রাযিঃ) বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর সাহচর্য ও সন্তুষ্টি লাভ সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছ, তাতো আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ, যা তিনি আমার প্রতি করেছেন। এবং আবু বকর (রাযিঃ)-এর সাহচর্য ও সন্তুষ্টি লাভের ব্যাপারে যা তুমি উল্লেখ করেছ তাও একমাত্র মহান আল্লাহর অনুগ্রহ যা তিনি আমার উপর করেছেন। আর আমার যে অস্থিরতা তুমি দেখেছ তা তোমার এবং তোমার সাথীদের কারণেই। আল্লাহর কসম, আমার নিকট যদি দুনিয়া ভর্তি স্বর্ণ থাকত তবে আল্লাহর আযাব দেখার পূর্বেই তা হতে মুক্তি পাওয়ার জন্য ফিদয়া হিসাবে এসব বিলিয়ে দিতাম।
হাম্মাদ (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উমর (রাযিঃ)-এর কাছে প্রবেশ করলাম ....।
كتاب المناقب
باب مَنَاقِبُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَبِي حَفْصٍ الْقُرَشِيِّ الْعَدَوِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
3692 - حَدَّثَنَا الصَّلْتُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ المِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، قَالَ: لَمَّا [ص:13] طُعِنَ عُمَرُ جَعَلَ يَأْلَمُ، فَقَالَ لَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكَأَنَّهُ يُجَزِّعُهُ: يَا أَمِيرَ المُؤْمِنِينَ، وَلَئِنْ كَانَ ذَاكَ، لَقَدْ صَحِبْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ، ثُمَّ فَارَقْتَهُ وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ، ثُمَّ صَحِبْتَ أَبَا بَكْرٍ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ، ثُمَّ فَارَقْتَهُ وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ، ثُمَّ صَحِبْتَ صَحَبَتَهُمْ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُمْ، وَلَئِنْ فَارَقْتَهُمْ لَتُفَارِقَنَّهُمْ وَهُمْ عَنْكَ رَاضُونَ، قَالَ: «أَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِضَاهُ، فَإِنَّمَا ذَاكَ مَنٌّ مِنَ اللَّهِ تَعَالَى مَنَّ بِهِ عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَةِ أَبِي بَكْرٍ وَرِضَاهُ، فَإِنَّمَا ذَاكَ مَنٌّ مِنَ اللَّهِ جَلَّ ذِكْرُهُ مَنَّ بِهِ عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا تَرَى مِنْ جَزَعِي فَهُوَ مِنْ أَجْلِكَ وَأَجْلِ أَصْحَابِكَ، وَاللَّهِ لَوْ أَنَّ لِي طِلاَعَ الأَرْضِ ذَهَبًا لاَفْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ، قَبْلَ أَنْ أَرَاهُ» قَالَ: حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ «دَخَلْتُ عَلَى عُمَرَ بِهَذَا»

হাদীসের ব্যাখ্যা:

হযরত ফারুকে আযম রাযি. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে উত্তর দিতে গিয়ে শেষে যে বলেছেন, তুমি যে আমাকে বিচলিত ও অস্থির অবস্থায় দেখছ, এটা আঘাতের কষ্টের কারণে নয়; বরং এ চিন্তা ও আশংকায় যে, আমার পর তোমরা ফেতনায় পড়ে যাও কি না। এর ভিত্তি এই ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক ক্ষেত্রে বলেছিলেন যে, উমর রাযি. হচ্ছে বিভিন্ন ফেতনার জন্য একটি বন্ধ দরজা। যতদিন তিনি আছেন, ততদিন উম্মত ফেতনা থেকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ থাকবে। যখন তিনি থাকবেন না, তখন ফেতনার দরজা খুলে যাবে। বাস্তবে তাই হয়েছে। তাঁর শাহাদতের পর থেকে জিন ও মানুষ শয়তানের পক্ষ থেকে ফেতনার বীজবপন শুরু হয় এবং হযরত উসমান রাযি.-এর খেলাফতকালের শেষ দিকে ফেতনা এ পর্যায়ে পৌঁছে গেল যে, মুসলিম পরিচয়ধারী কিছু লোকের হাতেই তিনি মজলুম অবস্থায় শহীদ হলেন। তারপর গৃহযুদ্ধের যে সূচনা হল, এতে হাজার হাজার সাহাবী ও তাবেয়ী শহীদ হলেন। এটাই ছিল ঐ ফেতনা, যার চিন্তা ও আশংকায় নিজের আঘাতের কষ্টের কথা ভুলে গিয়ে হযরত উমর রাযি. অস্থির ও উদ্বিগ্ন ছিলেন। শেষে তিনি যে বলেছেন: والله لو أن لي طلاع الأرض ذهبا (আল্লাহর কসম। যদি আমার নিকট পৃথিবীভরা সোনা থাকত, তাহলে আমি আল্লাহর আযাব দেখার পূর্বেই এ থেকে বাঁচার জন্য সমস্ত সোনা মুক্তিপণ হিসাবে দিয়ে দিতাম।) এর উদ্দেশ্য হযরত ইবনে আব্বাসকে এ কথা বলে দেওয়া যে, আমি যে উদ্বেগ ও অস্থিরতা অনুভব করছি, এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে আল্লাহর আযাবের ভয়। সংকলক বলেন, ফারুকে আযমের এ ভয় তার ঈমান ও মারেফাতের পূর্ণতার দলীল। যার ঈমান ও মারেফাত যে পরিমাণ কামেল হবে, তার জীবনে আল্লাহর ভয়ও সে পরিমাণ প্রবল থাকবে।

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ أنا أعلمكم بالله وأخشاكم অর্থাৎ, আমার মধ্যে আল্লাহর ইলম ও মারেফাত তোমাদের চেয়ে বেশী এবং তাঁর ভয়ও তোমাদের তুলনায় আমার সবচেয়ে বেশী। কুরআন মজীদে বার বার এ বিষয়বস্তু বর্ণনা করা হয়েছে যে, আল্লাহর বিশেষ রহমত ও জান্নাতের অধিকারী ঐসব বান্দা হবে, যারা তাঁর ভয়ে ভীত কম্পিত থাকে। সূরা 'বাইয়্যেনায়' পূণ্যবান মু'মিনদের এ পরিণাম বর্ণনা করার পর যে, তারা خير البرية (আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ,) তারা আখেরাতে চিরস্থায়ী জান্নাতী বাগানে থাকবে, যার তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির নেয়ামত লাভ করবে এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে। শেষে বলা হয়েছে : ذٰلِکَ لِمَنۡ خَشِیَ رَبَّہٗ (এগুলো ঐসব মু'মিনের জন্য, যারা আল্লাহকে (অর্থাৎ, তাঁর শাস্তি ও পাকড়াওকে) ভয় করে। সারকথা, হযরত ফারুকে আযমের এ কথা তাঁর ঈমান ও মারেফাতের দলীল। নৈকট্যশীলদেরই ভয় থাকে বেশী। قریبان را بیشی بود حیرانی

হযরত উমর রাযি.-এর শাহাদত
এ হাদীসে হযরত ফারুকে আযমের যে আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এটা ঐ আঘাত, যার ফলে তিনি শাহাদত লাভ করেছিলেন। এখানে ঐ হৃদয় বিদারক ঘটনাটি সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা সমীচীন মনে হচ্ছে।

ফারুকে আযমের খেলাফতকালেই ইরান জয় হয়। ইরানের যেসব অগ্নি উপাসককে যুদ্ধ বন্দী হিসাবে গ্রেফতার করে আনা হয়, তাদেরকে বিধান অনুযায়ী মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয় যে, তাদের দ্বারা তারা কাজ নিবে এবং তাদের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সব কিছুর চাহিদা তারা পূরণ করবে এবং তাদের সাথে উত্তম আচরণ করবে। ইরান থেকে আগত এসব যুদ্ধ বন্দীর মধ্যে এক হতভাগা আবূ লু'লু মজুসীও ছিল। সে হযরত ফারুকে আযমকে হত্যা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করল। এ উদ্দেশ্যে সে একটি ছোরা তৈরী করল, এতে বিষ মাখিয়ে নিল এবং এরপর রাতের বেলা মসজিদের মেহরাবে আত্মগোপন করে রইল। ফারুকে আযম ফজরের নামায খুব সকাল সকাল অন্ধকারে শুরু করতেন এবং বড় বড় সূরা পড়তেন। এ দিন ছিল যিলহজ্ব মাসের ২৭ তারিখ। তিনি অভ্যাস অনুযায়ী ফজরের নামাযের জন্য তাশরীফ আনলেন এবং মেহরাবে দাঁড়িয়ে নামায পড়াতে শুরু করলেন। তিনি মাত্র তাকবীরে তাহরীমা বলেছিলেন, এরই মধ্যে ঐ পাষণ্ড ইরানী অগ্নি উপাসক নিজের ছোরা দ্বারা তাঁর পেটে তিনটি আঘাত হানল, আর তিনি বেঁহুশ হয়ে পড়ে গেলেন। হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ দ্রুত তাঁর জায়গায় এসে সংক্ষিপ্ত নামায পড়িয়ে দিলেন। আবু লু'লু মসজিদ থেকে পালিয়ে বের হয়ে যেতে চাইল; কিন্তু মুসল্লীদের কাতার দেওয়ালের মত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছিল। সে অন্যান্য মুসল্লীদেরকেও আঘাত করে বের হয়ে যেতে চাইল। এ পর্যায়ে সে আরো তেরজন সাহাবীকে আহত করল- যাদের মধ্যে সাতজন শহীদ হয়ে গেলেন। এর মধ্যে নামায শেষ হয়ে গেল এবং আবু লু'লুকে ধরে ফেলা হল। ধৃত হয়েই তৎক্ষণাৎ সে হাতের ছোরা দিয়ে আত্মহত্যা করে ফেলল।

নামায শেষ হওয়ার পর হযরত ফারুকে আযমকে ঘরে আনা হল। অল্প সময় পর তার হুঁশ ফিরে আসল এবং এ অবস্থায়ই তিনি নামায আদায় করলেন। তারপর সর্বপ্রথম তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আমার হত্যাকারী কে? বলা হল, আবু লু'লু মজুসী। তিনি আল্লাহর শুকরিয়া করলেন যে, তিনি এক কাফেরের হাতে তাঁকে শাহাদত দান করেছেন। তিনি নিশ্চিত হয়ে গেলেন যে, আল্লাহ্ তা'আলা আমার দু‘আ এভাবে কবুল করেছেন। তিনি দু‘আ করতেন যে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে শাহাদত নছীব কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূলের শহরে নির্ধারিত কর। একদিন তাঁর কন্যা উম্মুল মু'মিনীন হযরত হাফসা রাযি. তাঁর মুখে এ দু‘আ শুনে জিজ্ঞাসা করলেন যে, এটা কিভাবে হতে পারে যে, আপনি আল্লাহর পথে শহীদও হবেন, আবার আপনার মৃত্যু মদীনায়ই হবে? (তাঁর ধারণা এই ছিল যে, আল্লাহর পথে শহীদ হওয়ার পন্থা তো এটাই যে, আল্লাহর বান্দা জেহাদের ময়দানে কাফেরদের হাতে মৃত্যুবরণ করবে।) তিনি উত্তর দিলেন, আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তিনি ইচ্ছা করলে এ দু'টি নেয়ামতই আমাকে দিয়ে দিতে পারেন। যাহোক, তিনি নিজের শাহাদতের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেলেন। তিনি হযরত সুহাইব রাযি.-কে নিজের জায়গায় নামাযের ইমাম নিয়োগ করলেন এবং বড় বড় সাহাবীদের মধ্য থেকে ছয় ব্যক্তিকে (যাদের সবাই 'আশারা মুবাশশারার' অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।) এ কথা বলে নির্বাচিত করলেন যে, তাঁরা আমার পরে তিন দিনের মধ্যে পরামর্শক্রমে নিজেদের মধ্য থেকেই একজনকে খলীফা বানিয়ে নিবেন।

তারপর তিনি আপন পুত্র হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে বললেন যে, উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশার নিকট যাও এবং আমার সালাম নিবেদন করার পর বল যে, আমার আন্তরিক বাসনা, আমি আমার দু'মহান সাথী (অর্থাৎ, হুযুর (ﷺ) ও সিদ্দীকে আকবর)-এর সাথে সমাহিত হতে চাই। আর যদি আপনি এতে আন্তরিকভাবে রাজী না হন, তাহলে জান্নাতুল বাকীই আমার জন্য উত্তম। নির্দেশমত ইবনে উমর হযরত আয়েশার খেদমতে হাজির হয়ে এ বার্তা পৌঁছালেন। আয়েশা বললেন, এ স্থানটি আমি আমার নিজের জন্য পছন্দ করে রেখেছিলাম, কিন্তু এখন আমি নিজের উপর তাঁকে প্রাধান্য দিচ্ছি। আবদুল্লাহ ইবনে উমর যখন তাঁকে এ সংবাদ দিলেন, তখন তিনি বললেন, আমার সবচেয়ে বড় আকাঙ্খা এটাই ছিল। আল্লাহর শুকরিয়া যে, তিনি আমার এ আশাও পূরণ করলেন।

২৭শে যিলহজ্ব বুধবার তিনি আহত হয়েছিলেন। ১লা মুহাররম রবিবার ওফাত পান। যখন জানাযার নামাযের জন্য তাঁর লাশ রাখা হল, তখন হযরত আলী রাযি. তাঁর ব্যাপারে বক্তব্য রেখে ছিলেন। জানাযার নামায হযরত সুহাইব রাযি. পড়ান এবং রওযা শরীফে হযরত আবু বকর সিদ্দীক রাযি.-এর পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَأَرْضَاهُ
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)