আল-আদাবুল মুফরাদ- ইমাম বুখারী রহঃ
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
হাদীস নং: ৬৫৯
আল-আদাবুল মুফরাদের পরিচ্ছেদসমূহ
২৮৪- তাড়াহুড়া না করিলে দু'আ কবুল হইয়া থাকে
৬৫৯. হযরত আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন: তোমাদের কেহ যখন অন্যায় কাজ, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন এবং দু'আয় তাড়াহুড়া না করে তখন তাহার দু'আ কবুল করা হয়। কেহ বলিল, আমি দু'আ করিলাম এবং জানিতে পারিলাম না আমার দু'আ কবুল হইয়াছে কি না। তারপর সে দু'আ করা ছাড়িয়া দেয়।
أبواب الأدب المفرد للبخاري
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ ، قَالَ : حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ ، أَنَّ رَبِيعَةَ بْنَ يَزِيدَ حَدَّثَهُ ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : " يُسْتَجَابُ لأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ ، أَوْ يَسْتَعْجِلَ ، فَيَقُولُ : دَعَوْتُ فَلا أَرَى يَسْتَجِيبُ لِي ، فَيَدَعُ الدُّعَاءَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এর মর্ম হচ্ছে এই যে, নিজের তাড়াহুড়া ও অস্থিরতার জন্যে বান্দা তার কুবূলিয়তের যোগ্যতা হারিয়ে বসে। এজন্যে বান্দার উচিত সর্বদা তাঁর দরজার ফকীর হয়ে থাকা এবং সর্বদা দু'আ করতে থাকা। তার এ দৃঢ় প্রত্যয় ও আশা পোষণ করা উচিত যে, ত্বরা হোক আর দেরীতেই হোক, আমার মনিব মাওলা অবশ্যই আমার দু'আ শুনবেন। তাঁর রহমতের দৃষ্টি আমার দিকে নিবিষ্ট হবে। কখনো কখনো কোন বিশুদ্ধচিত্ত যাচ্ঞাকারীর আন্তরিক দু'আও এজন্যে তাৎক্ষণিকভাবে কবুল করা হয় না, যেন সে তার এ নির্মল চিত্তের আন্তরিক দু'আ সে অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যায়, যা তার উন্নতি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ মাধ্যম বা ওসীলা হয়ে যায়। তার ইচ্ছা অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে সে দু'আ কবুল করে ফেললে এ বিরাট নিয়ামত থেকে সে বঞ্চিত রয়ে যেতো!
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)