আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৭. নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
হাদীস নং: ৩৫৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৬৩
নবীজী ﷺ থেকে বর্ণিত যাবতীয় দোয়া-জিকির
শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ
৩৫৬৩. আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান (রাহঃ) ...... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, জনৈক মুকাতিব (বিনিময় মূল্যের ভিত্তিতে মালিকের সঙ্গে আযাদীর চুক্তি করা) গোলাম তাঁর কাছে এসে বললঃ আমি আমার চুক্তি অনুসারে বিনিময় মূল্য দিতে অপারগ হয়ে পড়েছি। আপনি আমাকে কিছু সাহায্য করুন। তিনি বললেনঃ তোমাকে এমন কিছু কালিমা আমি শিখিয়ে দিব কি যেগুলো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে শিখিয়েছিলেন? তোমার যিম্মায় যদি ছবীর পাহাড় (তায় কাবীলায় অবস্থিত আরবের একটি বড় পাহাড়) ঋণও থাকে, তবে এতে আল্লাহ তাআলা তাও আদায় করে দিবেন। তুমি বলবেঃ
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
হে আল্লাহ! হারাম থেকে মুক্ত রেখে তোমার প্রদত্ত হালাল বস্তুই আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও। তোমার অনুগ্রহে তুমি ছাড়া অন্যসব কিছু থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দাও।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
হে আল্লাহ! হারাম থেকে মুক্ত রেখে তোমার প্রদত্ত হালাল বস্তুই আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও। তোমার অনুগ্রহে তুমি ছাড়া অন্যসব কিছু থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দাও।
(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান-গারীব।
أبواب الدعوات عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رضى الله عنه أَنَّ مُكَاتَبًا، جَاءَهُ فَقَالَ إِنِّي قَدْ عَجَزْتُ عَنْ كِتَابَتِي فَأَعِنِّي . قَالَ أَلاَ أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ عَلَّمَنِيهِنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ كَانَ عَلَيْكَ مِثْلُ جَبَلِ صِيرٍ دَيْنًا أَدَّاهُ اللَّهُ عَنْكَ قَالَ " قُلِ اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
মুকাতাব বলা হয় ঐ ক্রীতদাসকে, যার মনীব তাকে বলে দেয় যে, তুমি অমুক পরিমাণ অর্থ দিয়ে নিজেকে মুক্ত করে নাও। হযরত আলী (রা)-এর খিদমতে এমনি একজন মুকাতব দাস এসে তার মুক্তিপণ আদায়ে তার অপারগতার অনুযোগ করে তাঁর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলে তিনি অর্থ দিয়ে তার সাহায্য করতে না পারলেও এ উদ্দেশ্যের সহায়ক একটি দু'আ তাকে শিক্ষা দিয়ে দিলেন, যা স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।
এ থেকে জানা গেল যে, কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে যদি অর্থ-সম্পদ দিয়ে সাহায্য করা নাও যায়, তা হলে তাকে এরূপ দু'আ শিক্ষা দিয়েই পথ প্রদর্শন করা যায়। এটাও এক প্রকার সাহায্যই।
এ থেকে জানা গেল যে, কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে যদি অর্থ-সম্পদ দিয়ে সাহায্য করা নাও যায়, তা হলে তাকে এরূপ দু'আ শিক্ষা দিয়েই পথ প্রদর্শন করা যায়। এটাও এক প্রকার সাহায্যই।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)