আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

৪৬. কুরআনের তাফসীর অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৩৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩৩০
কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
সূরা আল-কিয়ামা
৩৩৩০. আব্দ ইবনে হুমায়দ (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সবচেয়ে কম দরজার জান্নাতী যে, সেও যখন তার উদ্যান, সঙ্গিণী ও চাকর-নফরদের এবং আনন্দ সুখের দিকে লক্ষ করবে, তখন তাও পাবে হাজার বছরের পথ জুড়ে বিস্তৃত। আল্লাহ তাআলার নিকট যে জান্নাতী সবচেয়ে সন্মানিত হবে, সে সকাল ও সন্ধ্যা তাঁর চেহারার দীদার লাভ করবে। এর পর রাসূলুল্লাহ(ﷺ) তেলাওয়াত করলেনঃ (وجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ * إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ) - সে দিন বহু চেহারা হবে উজ্জ্বল,তারা তাকিয়ে থাকবে তাদের রবেবর দিকে। (সূরা কিয়ামা ৭৪ঃ ২২-২৩)
أبواب تفسير القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَاب وَمِنْ سُورَةِ القِيَامَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي شَبَابَةُ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أَدْنَى أَهْلِ الْجَنَّةِ مَنْزِلَةً لَمَنْ يَنْظُرُ إِلَى جِنَانِهِ وَأَزْوَاجِهِ وَخَدَمِهِ وَسُرُرِهِ مَسِيرَةَ أَلْفِ سَنَةٍ وَأَكْرَمَهُمْ عَلَى اللَّهِ مَنْ يَنْظُرُ إِلَى وَجْهِهِ غُدْوَةً وَعَشِيَّةً " . ثُمَّ قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : (وجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ * إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ) . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ قَدْ رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ إِسْرَائِيلَ مِثْلَ هَذَا مَرْفُوعًا . وَرَوَى عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبْجَرَ عَنْ ثُوَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَوْلَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ .

وَرَوَى الأَشْجَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَوْلَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَلاَ نَعْلَمُ أَحَدًا ذَكَرَ فِيهِ عَنْ مُجَاهِدٍ غَيْرَ الثَّوْرِيِّ ، حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَبُو كُرَيْبٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الأَشْجَعِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، " ثُوَيْرٌ يُكْنَى أَبَا جَهْمٍ، وَأَبُو فَاخِتَةَ اسْمُهُ: سَعِيدُ بْنُ عِلَاقَةَ "

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

হাদীসটি গারীব। এটি ইসরাঈল (রাহঃ) এর বারাতে একাধিক রাবী মারফু’রূপে বর্ণনা করেছেন। আবদুল মালিক ইবনে জাবির (রাহঃ) এটি ছুওয়ায়র ... ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেন নি। আশজাঈ (রাহঃ) এটি সুফিয়ান-ছুওয়ায়র-মুজাহিদ ... ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি মারফু’ করেন নি। ছাওরী (রাহঃ) ছাড়া আর কেউ এই সনদে মুজাহিদ (রাহঃ) এর উল্লেখ করেছেন বলে আমরা জানি না।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান