আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

৪৬. কুরআনের তাফসীর অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৩১০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৩১০
কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
সূরা আল-জুমআ
৩৩১০. আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ যখন সূরা জুম’আ নাযিল হয় তখন আমরা রাসূলুল্লাহ এর কাছে ছিলাম। তিনি আমাদের তা তেলাওয়াত করে শুনালেন। (وآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ) এবং তাদের অন্যান্যদের জন্যও (তিনি এই রাসূলকে পাঠিয়েছেন) যারা এখন তাদের সঙ্গে মিলিত হয় নাই। (সূরা জুম’আ ৬২ঃ ৩) আয়াতটিতে পৌছলে জনৈক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা কারা যারা এখনও আমাদের সঙ্গে মিলিত হয় নি?

তিনি এ ব্যাপারে কিছু বললেন না। রাবী বলেনঃ আমাদেও মাঝে সে সময় সালমান ফারসী (রাযিঃ)ও ছিলেন। রাসূল (ﷺ) তার উপর তার হাত রাখলেন এবং বললেন সে সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ ঈমান যদি সূরাইয়্যা নক্ষত্রেও চলে যায়, তাদের কিছু লোক সেখান থেকেও তা নিয়ে আসবে।
أبواب تفسير القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنِ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنِي ثَوْرُ بْنُ زَيْدٍ الدِّيلِيُّ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ أُنْزِلَتْ سُورَةُ الْجُمُعَةِ فَتَلاَهَا فَلَمَّا بَلَغَ : ( وآخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ ) قَالَ لَهُ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ هَؤُلاَءِ الَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِنَا فَلَمْ يُكَلِّمْهُ قَالَ وَسَلْمَانُ الْفَارِسِيُّ فِينَا قَالَ فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ عَلَى سَلْمَانَ فَقَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ كَانَ الإِيمَانُ بِالثُّرَيَّا لَتَنَاوَلَهُ رِجَالٌ مِنْ هَؤُلاَءِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ . وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ هُوَ وَالِدُ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ .

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে এটি বর্ণিত আছে। রাবী আবুল গায়স (রাহঃ) এর নাম হল সালিম। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুতী এর আযাদকৃত গোলাম। ছওর ইবনে যায়েদ (রাহঃ) হলেন মাদানী। ছওর ইবনে ইয়াযীদ (রাহঃ) হলেন শামদেশীয়। হাদীসটি গারীব। আব্দুল্লাহ ইবনে জাফ’র (রাহঃ) হলেন আলী ইবনে মাদীনী (রাহঃ) এর পিতা। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তাকে যঈফ বলেছেন।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান