আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

৪৬. কুরআনের তাফসীর অধ্যায়

হাদীস নং: ৩২৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৪৭
কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
সূরা আল-মু’মিন
৩২৪৬. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ....... নু’মান ইবনে বশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, দুআ হল ইবাদত। এরপর তিনি বললেনঃ

وقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ

তোমাদের রব বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। যারা অহংকারে আমার ইবাদত বিমুখ তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। (মু’মিন ৪০ঃ ৬০)।
أبواب تفسير القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ الْمُؤْمِنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَالأَعْمَشِ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ يُسَيْعٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ " . ثُمَّ قَرَأَ : ( وقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ ) قَالَ أَبُو عِيسَى . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আসল হাদীস কেবল এতটুকু, দু'আ নিজেই ইবাদত। সম্ভবত হুযুর ﷺ-এর এ বাণীর অভীষ্ট লক্ষ্য হচ্ছে এই যে, কেউ যেন এরূপ না ভাবে যে, বান্দা যেমন তার যরূরত বা প্রয়োজন পূরণ করার জন্যে অন্য দশটা চেষ্টা-তদবীর করে থাকে, দু'আও সেরূপ একটা চেষ্টা মাত্র। সে তার চেষ্টার ফল পেয়ে গেল। আর যদি কবুল না হয় তা হলে তার সে চেষ্টা বিফলে গেল। বরং দু'আ হচ্ছে সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন ধাচের ব্যাপার। আর তা হচ্ছে তা উদ্দেশ্য সিদ্ধির একটি উসীলা বা মাধ্যম হওয়া সত্ত্বেও নিজেও একটি ইবাদত। আর এ হিসাবে তা তার একটি পবিত্র আমলও বটে যার ফল সে অবশ্যই আখিরাতে লাভ করবে।

যে আয়াতখানা তিনি সনদ স্বরূপ তিলাওয়াত করছেন তার দ্বারা পরিষ্কার বুঝা যায় যে, আল্লাহ তা'আলার নিকট দু'আ নিজেই ইবাদত। অন্য হাদীসে দু'আকে ইবাদতের মগজ বা সার নির্যাস স্বরূপ বলা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান