আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৬. কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
হাদীস নং: ২৯৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭৫
কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
সূরা আল-বাকারা
২৯৭৫. ইবনে আবু উমর (রাহঃ) ...... আব্দুর রহমান ইবনে ইয়া’মুর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ হজ্জ হল আরাফায় (অবস্থানের) নাম। হজ্জ হল আরাফায় (অবস্থানের) নাম। হজ্জ হল আরাফাতে (অবস্থানের) নাম। মিনা অবস্থানের দিন হল তিন দিন। কেউ যদি দুই দিন থেকে ত্বরা করে চলে আসে তাতেও কোন গুনাহ নেই। (فَمَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ) ফজর উদয়ের আগে আগে কেউ যদি আরাফা পেয়ে যায় তবে সে হজ্জ পেয়ে গেল।
ইবনে আবু উমর (রাহঃ) বর্ণনা করেন যে, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা বলেছেনঃ এটি হল ছওরী বর্ণিত একটি শ্রেষ্ঠ হাদীস। হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটিকে শু’বা (রাহঃ) বুকায়র ইবনে আতা (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। বুকায়র ইবনে আতা (রাহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
ইবনে আবু উমর (রাহঃ) বর্ণনা করেন যে, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা বলেছেনঃ এটি হল ছওরী বর্ণিত একটি শ্রেষ্ঠ হাদীস। হাদীসটি হাসান-সহীহ। এটিকে শু’বা (রাহঃ) বুকায়র ইবনে আতা (রাহঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। বুকায়র ইবনে আতা (রাহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না।
أبواب تفسير القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَابٌ: وَمِنْ سُورَةِ البَقَرَةِ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْحَجُّ عَرَفَاتٌ الْحَجُّ عَرَفَاتٌ الْحَجُّ عَرَفَاتٌ أَيَّامُ مِنًى ثَلاَثٌ : (فَمَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ ) وَمَنْ أَدْرَكَ عَرَفَةَ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ " . قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَهَذَا أَجْوَدُ حَدِيثٍ رَوَاهُ الثَّوْرِيُّ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَرَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
যেহেতু ওকূফে আরাফার উপর হজ্ব নির্ভর করে, তাই এর মধ্যে এতটুকু সুযোগ রাখা হয়েছে যে, কেউ যদি ৯ই যিলহজ্ব দিনের বেলা আরাফায় পৌঁছতে না পারে, (যা হচ্ছে ওকূফের আসল সময়,) সে যদি পরবর্তী রাতের কোন অংশেও সেখানে পৌঁছে যায়, তাহলে তার ওকূফ আদায় হয়ে যাবে এবং সে হজ্ব থেকে বঞ্চিত গণ্য হবে না।
আরাফার দিনের পরের দিনটি অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব হচ্ছে কুরবানীর দিন। এ দিন একটি জামরায় রমী, কুরবানী ও মাথা মুড়ানোর পর ইহরামের বাধ্যবাধকতা শেষ হয়ে যায় এবং এ দিনেই মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করতে হয়। তারপর মিনায় বেশীর চেয়ে বেশী তিন দিন আর কমপক্ষে দু'দিন অবস্থান করে তিনটি জামরাতেই পাথর নিক্ষেপ করা হজ্বের আহকামের অন্তর্ভুক্ত। তাই কোন ব্যক্তি যদি ১১ ও ১২ই যিলহজ্ব জামরায় পাথর নিক্ষেপ করে মিনা থেকে চলে যায়, তাহলে তার উপর কোন গুনাহ্ বর্তাবে না। আর কেউ যদি ১৩ তারিখও অবস্থান করে এবং পাথর নিক্ষেপ করে নেয়, তাহলে এটাও জায়েয।
আরাফার দিনের পরের দিনটি অর্থাৎ, ১০ই যিলহজ্ব হচ্ছে কুরবানীর দিন। এ দিন একটি জামরায় রমী, কুরবানী ও মাথা মুড়ানোর পর ইহরামের বাধ্যবাধকতা শেষ হয়ে যায় এবং এ দিনেই মক্কায় গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করতে হয়। তারপর মিনায় বেশীর চেয়ে বেশী তিন দিন আর কমপক্ষে দু'দিন অবস্থান করে তিনটি জামরাতেই পাথর নিক্ষেপ করা হজ্বের আহকামের অন্তর্ভুক্ত। তাই কোন ব্যক্তি যদি ১১ ও ১২ই যিলহজ্ব জামরায় পাথর নিক্ষেপ করে মিনা থেকে চলে যায়, তাহলে তার উপর কোন গুনাহ্ বর্তাবে না। আর কেউ যদি ১৩ তারিখও অবস্থান করে এবং পাথর নিক্ষেপ করে নেয়, তাহলে এটাও জায়েয।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
বর্ণনাকারী: