আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৪৪. কুরআনে কারীমের ফযীলত ও আদব
হাদীস নং: ২৮৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৯৪
কুরআনে কারীমের ফযীলত ও আদব
ইযা যুলযিলাত
২৮৯৪. আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ ইযা যুল যিলাত-এর সাওয়াব অর্ধেক কুরআনের সমান; কুল হুয়াল্লাহু আহাদ এক-তৃতীয়াংশ কুরআনের সমান; কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন এক-চতুর্থাংশ কুরআনের সমান।
হাদীসটি গারীব। ইয়ামান ইবনুল মুগীরা (রাহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
হাদীসটি গারীব। ইয়ামান ইবনুল মুগীরা (রাহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।
أبواب فضائل القرآن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
بَابُ مَا جَاءَ فِي إِذَا زُلْزِلَتْ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا يَمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الْعَنَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا زُلْزِلَتْ تَعْدِلُ نِصْفَ الْقُرْآنِ وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ وَقُلْْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ تَعْدِلُ رُبُعَ الْقُرْآنِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَمَانِ بْنِ الْمُغِيرَةِ .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
সূরা ইযা যুলযিলাতের মধ্যে কেয়ামতের আলোচনা ও এর চিত্রায়ণ খুবই মর্মস্পর্শী ভাষায় করা হয়েছে। এমনিভাবে এর শেষ আয়াত
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ
এর মধ্যে পুরস্কার ও শাস্তির বর্ণনা সংক্ষিপ্তভাবে হলেও এমন মর্মস্পর্শী ভঙ্গিতে করা হয়েছে যে, যদি এ বিষয়ের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ কিতাবও লিখা হয়, তবুও এর চেয়ে বেশী ফলপ্রসূ হবে না। সম্ভবত এ সূরার এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটাকে হাদীসে কুরআনের অর্ধাংশের সমান বলা হয়েছে। অনুরূপভাবে সূরা ইখলাসের মধ্যে অতি সংক্ষেপে আল্লাহর তওহীদ, তাঁর পবিত্রতা ও পরাকাষ্ঠা গুণ যে মুজেযাসুলভ ভঙ্গিমায় বর্ণনা করা হয়েছে, এটাও এ সূরার বৈশিষ্ট্য। আর সম্ভবত এ কারণেই এটাকে কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান বলা হয়েছে। সূরা কাফিরুনের মধ্যে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে শিরক ও মুশরিকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়ে যেভাবে খাঁটি তওহীদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, (যা হচ্ছে দ্বীন ইসলামের ভিত্তিমূল।) এটা হচ্ছে এ সূরার বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভবত এ কারণেই এ হাদীসে এটাকে কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান বলা হয়েছে।
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ
এর মধ্যে পুরস্কার ও শাস্তির বর্ণনা সংক্ষিপ্তভাবে হলেও এমন মর্মস্পর্শী ভঙ্গিতে করা হয়েছে যে, যদি এ বিষয়ের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ কিতাবও লিখা হয়, তবুও এর চেয়ে বেশী ফলপ্রসূ হবে না। সম্ভবত এ সূরার এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটাকে হাদীসে কুরআনের অর্ধাংশের সমান বলা হয়েছে। অনুরূপভাবে সূরা ইখলাসের মধ্যে অতি সংক্ষেপে আল্লাহর তওহীদ, তাঁর পবিত্রতা ও পরাকাষ্ঠা গুণ যে মুজেযাসুলভ ভঙ্গিমায় বর্ণনা করা হয়েছে, এটাও এ সূরার বৈশিষ্ট্য। আর সম্ভবত এ কারণেই এটাকে কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান বলা হয়েছে। সূরা কাফিরুনের মধ্যে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে শিরক ও মুশরিকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়ে যেভাবে খাঁটি তওহীদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, (যা হচ্ছে দ্বীন ইসলামের ভিত্তিমূল।) এটা হচ্ছে এ সূরার বৈশিষ্ট্য এবং সম্ভবত এ কারণেই এ হাদীসে এটাকে কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান বলা হয়েছে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)