আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
৪৮- নবীগণের আঃ আলোচনা
হাদীস নং: ৩২২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৪৬৯
- নবীগণের আঃ আলোচনা
২০৫০. শিরোনামবিহীন পরিচ্ছেদ
৩২২৩। আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের মধ্যে মুহাদ্দাস (ইলহাম প্রেরণাপ্রাপ্ত) ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার উম্মতের মধ্যে যদি এমন কেউ থাকে, তবে সে নিশ্চয় উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হবেন।
كتاب الأنبياء
باب
3469 - حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّهُ قَدْ كَانَ فِيمَا مَضَى قَبْلَكُمْ مِنَ الأُمَمِ مُحَدَّثُونَ، وَإِنَّهُ إِنْ كَانَ فِي أُمَّتِي هَذِهِ مِنْهُمْ فَإِنَّهُ عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ "
হাদীসের ব্যাখ্যা:
'মুহাদ্দাস' আল্লাহ তা'আলার ঐ সব ভাগ্যবান বান্দাকে বলা হয়, যাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে অধিক পরিমাণে ইলহাম ও অন্তর্নিক্ষিপ্ত বার্তা আসে এবং এ ব্যাপারে তাঁর সাথে আল্লাহ তা'আলার বিশেষ আচরণ ও ভাব থাকে। তবে তিনি নবী হন না; বরং কোন নবীর উম্মত হয়ে থাকেন।
হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর মর্ম এই যে, পূর্ববর্তী উম্মতসমূহের মধ্যে এমন ধরনের লোক থাকতেন, আর আমার উম্মতের মধ্যে যদি কাউকে এ নেয়ামত দ্বারা বিশেষভাবে ধন্য করা হয়ে থাকে, তাহলে তিনি হচ্ছেন উমর রাযি.।
হাদীসের শব্দমালা দ্বারা কারো যেন ভুলবুঝাবুঝি না হয় যে, হুযুর (ﷺ)-এর এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ সংশয় ছিল। তাঁর উম্মত যেহেতু শ্রেষ্ঠ উম্মত এবং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের চেয়ে উত্তম, তাই এ কথা স্পষ্ট যে, এ উম্মতের মধ্যেও এমন ভাগ্যবান বান্দা থাকবেন, যারা অধিক পরিমাণে ইলহাম দ্বারা ধন্য হবেন। হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর উদ্দেশ্য ও দাবী হচ্ছে এ ক্ষেত্রে হযরত উমর রাযি.-এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে দেওয়া। আর নিঃসন্দেহে এ নেয়ামতের বেলায় হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষত্ব অর্জিত ছিল।
হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর মর্ম এই যে, পূর্ববর্তী উম্মতসমূহের মধ্যে এমন ধরনের লোক থাকতেন, আর আমার উম্মতের মধ্যে যদি কাউকে এ নেয়ামত দ্বারা বিশেষভাবে ধন্য করা হয়ে থাকে, তাহলে তিনি হচ্ছেন উমর রাযি.।
হাদীসের শব্দমালা দ্বারা কারো যেন ভুলবুঝাবুঝি না হয় যে, হুযুর (ﷺ)-এর এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ সংশয় ছিল। তাঁর উম্মত যেহেতু শ্রেষ্ঠ উম্মত এবং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের চেয়ে উত্তম, তাই এ কথা স্পষ্ট যে, এ উম্মতের মধ্যেও এমন ভাগ্যবান বান্দা থাকবেন, যারা অধিক পরিমাণে ইলহাম দ্বারা ধন্য হবেন। হুযুর (ﷺ)-এর এ বাণীর উদ্দেশ্য ও দাবী হচ্ছে এ ক্ষেত্রে হযরত উমর রাযি.-এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে দেওয়া। আর নিঃসন্দেহে এ নেয়ামতের বেলায় হযরত উমর রাযি.-এর বিশেষত্ব অর্জিত ছিল।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)