আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ
৩০. অছিয়াত সম্পর্কিত বিধানাবলী
হাদীস নং: ২১২০
আন্তর্জাতিক নং: ২১২০
অছিয়াত সম্পর্কিত বিধানাবলী
ওয়ারিছানের জন্য ওয়াসীয়ত নাই।
২১২৩. হান্নাদ ও আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ....... আবু উমামা বাহিলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বিদায় হজ্জের বছরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ ’আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক হকওয়ালার হক দিয়েছেন। সুতরাং ওয়ারিছানের জন্য কোন ওয়াসীয়ত নাই, সন্তান হল বৈধ শয্যার আর ব্যভিচারীর জন্য হল পাথর। আর তাদের আসল-নিকাশ হল আল্লাহর যিম্মায়। কেউ যদি পিতা ছাড়া অন্য ব্যক্তিকে পিতা বলে পরিচয় দেয় বা প্রকৃত মাওলা বা আযাদ কর্তা ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির প্রতি মাওলা বলে নিসবত করে তবে লাগাতার কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর লা‘নত পড়বে।
স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেখে কোন মহিলা স্বামীর ঘরের কোন কিছু ব্যয় করতে পারবে না। বলা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! খাদ্য সামগ্রীও নয়? তিনি বললেনঃ এতো আমাদের সর্বোৎকৃষ্ট সম্পদ। তিনি আরো বলেনঃ আরিয়াত অবশ্যই আদায়যোগ্য, দুধের জন্য দানকৃত পশু ফেরতযোগ্য ঋণ অবশ্যই পরিশোধনীয়। যামিনদার দায়বদ্ধ থাকবে।
স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেখে কোন মহিলা স্বামীর ঘরের কোন কিছু ব্যয় করতে পারবে না। বলা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! খাদ্য সামগ্রীও নয়? তিনি বললেনঃ এতো আমাদের সর্বোৎকৃষ্ট সম্পদ। তিনি আরো বলেনঃ আরিয়াত অবশ্যই আদায়যোগ্য, দুধের জন্য দানকৃত পশু ফেরতযোগ্য ঋণ অবশ্যই পরিশোধনীয়। যামিনদার দায়বদ্ধ থাকবে।
أبواب الوصايا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب ما جاء لا وصية لوارث
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، وَهَنَّادٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ الْخَوْلاَنِيُّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي خُطْبَتِهِ عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ " إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلاَ وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ وَمَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ أَوِ انْتَمَى إِلَى غَيْرِ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ التَّابِعَةُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ لاَ تُنْفِقُ امْرَأَةٌ مِنْ بَيْتِ زَوْجِهَا إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِهَا " . قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلاَ الطَّعَامَ قَالَ " ذَلِكَ أَفْضَلُ أَمْوَالِنَا " . ثُمَّ قَالَ " الْعَارِيَةُ مُؤَدَّاةٌ وَالْمِنْحَةُ مَرْدُودَةٌ وَالدَّيْنُ مَقْضِيٌّ وَالزَّعِيمُ غَارِمٌ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَارِجَةَ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ . وَهُوَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ . وَرِوَايَةُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ عَنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ وَأَهْلِ الْحِجَازِ لَيْسَ بِذَلِكَ فِيمَا تَفَرَّدَ بِهِ لأَنَّهُ رَوَى عَنْهُمْ مَنَاكِيرَ وَرِوَايَتُهُ عَنْ أَهْلِ الشَّامِ أَصَحُّ هَكَذَا قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ . قَالَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ يَقُولُ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ أَصْلَحُ حَدِيثًا مِنْ بَقِيَّةَ وَلِبَقِيَّةَ أَحَادِيثُ مَنَاكِيرُ عَنِ الثِّقَاتِ . وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ سَمِعْتُ زَكَرِيَّا بْنَ عَدِيٍّ يَقُولُ قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ خُذُوا عَنْ بَقِيَّةَ مَا حَدَّثَ عَنِ الثِّقَاتِ وَلاَ تَأْخُذُوا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ مَا حَدَّثَ عَنِ الثِّقَاتِ وَلاَ عَنْ غَيْرِ الثِّقَاتِ .
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
এ বিষয়ে আমর ইবনে খারিজা, আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান। এ সূত্র ছাড়াও আবু উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বরাতে নবী (ﷺ) থেকে তা বর্ণিত আছে।
ইসমাঈল ইবনে আয়্যাশের যে সব রিওয়ায়াত ইরাক ও হিজাযবাসী থেকে একক ভাবে বর্ণিত তা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তিনি এদের থেকে বহু মুনকার হাদীস বর্ণিত করেছেন। তবে শামবাসীদের বরাতে তার রিওয়ায়াতসমূহ অধিক সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল (বুখারী) (রাহঃ) বলেছেন, আহমাদ ইবনে হাসান (রাহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রাহঃ) বলেছেনঃ বাকিয়্যার তুলনায় ইসমাঈল ইবনে আয়্যাশের হাল ভাল। নির্ভরযোগ্য রাবীদের থেকেও বাকিয়্যার বহু মুনকার রিওয়ায়াত রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান (রাহঃ) বলেছেন, যাকারিয়্যা ইবনে আদীকে বলতে শুনেছি যে, আবু ইসহাক ফাযারী (রাহঃ) বলেছেনঃ নির্ভরযোগ্য রাবীদের কাছ থেকে বাকিয়্যা যা বর্ণনা করেন তা তোমরা গ্রহণ কর আর ইসমাঈল ইবনে ’আয়্যাশ নির্ভরযোগ্য বা অনির্ভরযোগ্য যাদের বরাতেই বর্ণনা করুন না কেন তা গ্রহণ করবে না।
ইসমাঈল ইবনে আয়্যাশের যে সব রিওয়ায়াত ইরাক ও হিজাযবাসী থেকে একক ভাবে বর্ণিত তা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তিনি এদের থেকে বহু মুনকার হাদীস বর্ণিত করেছেন। তবে শামবাসীদের বরাতে তার রিওয়ায়াতসমূহ অধিক সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল (বুখারী) (রাহঃ) বলেছেন, আহমাদ ইবনে হাসান (রাহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রাহঃ) বলেছেনঃ বাকিয়্যার তুলনায় ইসমাঈল ইবনে আয়্যাশের হাল ভাল। নির্ভরযোগ্য রাবীদের থেকেও বাকিয়্যার বহু মুনকার রিওয়ায়াত রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান (রাহঃ) বলেছেন, যাকারিয়্যা ইবনে আদীকে বলতে শুনেছি যে, আবু ইসহাক ফাযারী (রাহঃ) বলেছেনঃ নির্ভরযোগ্য রাবীদের কাছ থেকে বাকিয়্যা যা বর্ণনা করেন তা তোমরা গ্রহণ কর আর ইসমাঈল ইবনে ’আয়্যাশ নির্ভরযোগ্য বা অনির্ভরযোগ্য যাদের বরাতেই বর্ণনা করুন না কেন তা গ্রহণ করবে না।
বর্ণনাকারী: