আল জামিউল কাবীর- ইমাম তিরমিযী রহঃ

২৫. খাদ্য ও পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়

হাদীস নং: ১৮২৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৮২৪
খাদ্য ও পানাহার সংক্রান্ত অধ্যায়
জাল্লালা এর গোশত খাওয়া ও এর দুধ পান করা।
১৮৩১। হান্নাদ (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাল্লালা [১] এর গোশত খেতে এবং এর দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন। ইবনে মাজাহ ৩১৮৯

এই বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। উক্ত হাদীসটি হাসান-গারীব। ছাওরী (রাহঃ) এটিকে ইবনে আবু নাজীহ-মুজাহিদ-নবী (ﷺ) সূত্রে মুরসাল রূপে বর্ণনা করেছেন।

[১] জাল্লালা ( جَلاَّلَةِ) গোবর পায়খানা ইত্যাদি নাপাক জিনিস যে পশুর প্রধান খাদ্যে পরিণত হয় এবং যার গোশ্ত ও দুধে এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয় সে পশু কে জাল্লালা বলে।
أبواب الأطعمة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
باب مَا جَاءَ فِي أَكْلِ لُحُومِ الْجَلاَّلَةِ وَأَلْبَانِهَا
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَكْلِ الْجَلاَّلَةِ وَأَلْبَانِهَا . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَرَوَى الثَّوْرِيُّ عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

কখনো কখনো কোন কোন পশু উট, গরু, বকরী ইত্যাদির স্বভাব এমন নষ্ট হয়ে যায় যে, এগুলো কেবল নাপাক ও অপবিত্র বস্তুই খায়। এমনকি এগুলোর গোশত ও দুধে এর দুর্গন্ধ অনুভূত হতে থাকে। এমন পশুকেই جلاله নাপাকভোজী বলা হয়। এ হাদীসে এমন পশুর গোশত ও দুধ খেতে নিষেধ করা হয়েছে। কোন মুরগীর অবস্থা যদি এমন হয়, তাহলে এর বিধানও তাই। হ্যাঁ, যদি এ পশুকে এতদিন পর্যন্ত বেঁধে রেখে ও নিয়ন্ত্রণে রেখে অপবিত্র বস্তু খাওয়া থেকে ফিরিয়ে রাখা হয় যে, তার গোশত ও দুধে এর কোন প্রভাব অবশিষ্ট থাকে না, তাহলে এর গোশত খাওয়া ও দুধ পান করা জায়েয হবে। এখন আর এটাকে جلاله এর গোশত ও দুধ বলা হবে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান